ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক

আসিফ মাহমুদের হাজার কোটির দুর্নীতির বিচার দেশের মাটিতেই হবে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৫৯ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
আসিফ মাহমুদ ও নাছির উদ্দিন, ফাইল ছবি

সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার বিচারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

নাছির বলেন, আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়ে অবশ্যই বাংলাদেশের মানুষ দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করবে। আসিফ মাহমুদের এই দুর্নীতির বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। আসিফ মাহমুদের হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয় বাংলাদেশে ওপেন সিক্রেট।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামনে আয়োজিত ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টাল ব্যালটে পক্ষপাতের অভিযোগসহ তিনটি ইস্যুতে আজ সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান কার্যালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি পালন করছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তারা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন তারা।

আসিফ মাহমুদকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে আপনি ভূমিকা রেখেছেন, আপনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে আপনি উপদেষ্টা হয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। এটা বাংলাদেশের মানুষ জানে।

আরও পড়ুন:

দাবি না মানলে ইসি ঘেরাও করে সারারাত বসে থাকবো: ছাত্রদল সভাপতি 

নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন করে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, আমরা যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি, সেই নতুন বাংলাদেশে আমরা কখনোই জামায়াত-শিবির-রাজাকারকে ক্ষমতায় আনার জন্য পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে যে চেষ্টা তা আমরা মেনে নেবো না। জামায়াতের নামে কেন এই পোস্টাল ব্যালট পেপার, তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। দুইটি দল নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত জানিয়ে নাছির বলেন, সুতরাং আগামীর যে নির্বাচন, ১২ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে, দুইটি রাজনৈতিক দল এরইমধ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। জুলাই-আগস্টে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র সংস্থা, জুলাই-আগস্টে সম্মুখসারির যোদ্ধা, যিনি ছাত্র প্রতিনিধি হয়ে উপদেষ্টা হয়ে তিনি হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন।

তিন ইস্যুতে আন্দোলন করছে ছাত্রদল

১. পোস্টাল ব্যালট–সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে।

২. বিশেষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের মুখে দায়িত্বশীল ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে ইসি, যা কমিশনের স্বাধীনতা ও পেশাদারত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

৩. বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে ইসি নজিরবিহীন ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত।

এমওএস/এসএনআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।