কোনো দল যেন নির্বাচনে কারচুপির স্পর্ধা না দেখায়: রুমিন ফারহানা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪৯ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা/ফাইল ছবি

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কারচুপি করার স্পর্ধা না দেখানোর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, আমি খুব স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, অন্তত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কারচুপির খেলা করার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়। আমার কাছে মনে হয়েছে প্রশাসন এবং পুলিশের যতটা নিরপেক্ষ থাকার কথা ততটা নিরপেক্ষ নয়।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অভিযোগ জানিয়ে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এই হুঁশিয়ারি দেন রুমিন।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমার প্রচারণার মাঠে থাকার কথা কিন্তু বাধ্য হয়েই আমি আজকে ঢাকায় এসেছি। কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রশাসন এবং পুলিশের যতটা নিরপেক্ষ থাকবার কথা ততটা নিরপেক্ষ নয়। আমার কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা করা হয়েছে। তাদের পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাড়িতে আগুন দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয় নাই।

তিনি বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করতে এসেছি যে, যেহেতু আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে আমাকে লড়াই করতে হচ্ছে। প্রশাসন যদি এখানে একদম স্ট্রেইট নিরপেক্ষ না থাকে তাহলে আরেকটি ৫ আগস্টের মতো ঘটনা হতে পারে। কিংবা ২০১৮ নির্বাচনের মতো আরেকটি নির্বাচন যদি হয় বাংলাদেশে তার পরিণতি ভালো হবে না। কারও জন্যই ভালো হবে না। সো এই বিষয়গুলো আমি কমিশনকে অবহিত করেছি।

রুমিন ফারহানা বলেন, আজকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবজার্ভারদের (পর্যবেক্ষক) সঙ্গে আমার বৈঠক আছে। আমি তাদেরও বিষয়গুলো অবহিত করব।

তিনি আরও বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন যাতে হয় সে জন্য মানুষ ১৫ বছর লড়াই করেছে। আমরা যে যেই দলেই ছিলাম আমরা আমাদের অবস্থান থেকে লড়াই করেছি। আরেকটি কারচুপির নির্বাচন বাংলাদেশে আমরা হতে দেব না ইনশাআল্লাহ।

এমওএস/এমএমকে 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।