অনশন কর্মসূচি শেষ করল বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৪৭ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
অনশন কর্মসূচি শেষ করল বিএনপি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সকাল ১০টায় শুরু হওয়া অনশন কর্মসূচি পুলিশের অনুরোধে দুপুর ১টায় শেষ করেছে বিএনপি। যদি বিএনপি নেতারা বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, পুলিশের অনুরোধে দুপুর ১টার মধ্যে আমরা আমাদের কর্মসূচি শেষ করতে বাধ্য হচ্ছি। খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে বিএনপিকে দুর্বল করে তারা নির্বাচন করতে চায়। খালেদা জিয়া এবং বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচন করতে দেয়া হবে না।

বুধবার সকাল থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তা বন্ধ করে এ কর্মসূচি পালনকালে সব ধরণের যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে বিপাকে পড়ে এ এলাকা দিয়ে চলাচলকারীরা। এ অবস্থায় পুলিশের অনুরোধে দুপুর ১টায় অনশন কর্মসূচি সমাপ্ত করে দলটি।

এর আগে গত ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে দলটি। মানববন্ধন কর্মসূচি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছিল দলটির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে। আজ আবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচি পালন করছে দলটি। বিএনপির এ কর্মসূচি জন্য জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

অনশন কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, নিতাই রায় চৌধুরী, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন।

২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও এলডিপির শাহাদাৎ হোসেন সেলিম প্রমুখ অনশনে অংশ নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

এএস/এমএম/এমবিআর/পিআর