'আওয়ামী লীগের প্রার্থীকেই বেছে নিবে গাজীপুরবাসী'

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:০১ পিএম, ২২ জুন ২০১৮

মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ হয় গাজীপুরে, এলাকাবাসী সেই ঐতিহ্য ধারণ করে, তারা শান্তি-উন্নয়ন চায়। তাই গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (গাসিক) নির্বাচনে বাসী আওয়ামী লীগের প্রার্থীকেই বেছে নেবে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে 'গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ও নাগরিক প্রত্যাশা' শীর্ষক সেমিনারে আলোচকরা এসব কথা বলেন। অনন্য বাংলাদেশ ও বাংলা বিচিত্রা এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারের শুরুতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলা বিচিত্রার সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায়। তিনি বলেন, গাজীপুরবাসীর বহুল প্রত্যাশিত এই নির্বাচন। এ নির্বাচন বেশ গুরুত্বপূর্ণ, আগামী সংসদ নির্বাচনের এক রকম এসিড টেস্টের মত বিষয়। যদিও এটা স্থানীয় সরকারের একটি নির্বাচন, তবুও তা মার্কার নির্বাচন।

সেমিনারে অংশ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, গাজীপুরে আগের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার চালানো হয়েছিল। কিন্তু এখন মিথ্যাচারের রাজনীতির কবর হয়েছে। বিএনপি জনগণের থেকে দূরে, তারা জনগণের কাছে যেতে পারে না। জনগণ তাদের প্রত্যাখান করেছে। শান্তি শৃঙ্খলা, উন্নয়নের জন্য গাজীপুরের জনগণ আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অর্থাৎ নৌকা প্রতীককে বেছে নেবে।

সাংবাদিক ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা শাহরিয়ার কবির বলেন, এরাকাবাসীর মত আমিও শতভাগ নিশ্চিত গাজীপুরের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির জয় হবে। বিএনপি-জামায়াত রাজনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে আছে। তাই বলে তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে পিছিয়ে নেই। এদের বিষয়ে নাগরিকদের সচেতন থাকতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, আশা করি গাজীপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যেমে একটি ভাল নির্বাচন উপহার দেবেন। আর নির্বাচনের বিষয়ে যে কোনো অভিযোগ এলে তা সঠিকভাবে যাচাই বাছাই করে গণমাধ্যম প্রকাশ করবে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ আলী শিকদার বলেন, গাজীপুরের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে তারা উন্নয়ন চায়, নাকি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চায়? আমাদের অভিজ্ঞতা মতে নির্বাচনের আগের রাতে নির্বাচনী এলাকায় টাকার খেলা চলে। তাই এ বিষয়ে জনগণ, ইসি ও নিরাপত্তাবাহিনীকে সচেতন থাকতে হবে।

সেমিনারে আরও অংশ নেন ইতিহাসবিদ মেজবাহ কামাল, সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস ও জাহিদ হোসেন রাসেল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য ড. মীজানুর রহমান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল প্রমুখ।

এএস/এমএমজেড/এমএস