সংলাপের আগে ‘বিষয়’ জানতে চান ড. কামাল

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৫৭ এএম, ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আবারও সংলাপে বসার আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তবে সংলাপে যোগ দেওয়ার আগে কী বিষয় নিয়ে আলোচনা তা জানতে চান তিনি।

বিবিসি বাংলার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। ড. কামাল বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সবাইকে ডাকবেন সংলাপে, একটু তো ইঙ্গিত থাকবে কী কী বিষয় নিয়ে এ সংলাপ। যদি সেটা আমাদের কাছে বিবেচনাযোগ্য হয়, তখন আমরা এ ব্যাপারে কমিটিতে সিদ্ধান্ত নেব।’

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সংলাপের আমন্ত্রণ এলে সাড়া দেবেন কি না -জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নীতিগতভাবে আমি একে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে বিবেচনা করব। কিন্তু সেটা জানতে হবে কী প্রেক্ষাপটে এটার (সংলাপ) আয়োজন করা হচ্ছে, কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’

বার্তা সংস্থা ইউএনবি’র কাছেও একই কথা বলেছেন ড. কামাল হোসেন। সংলাপের আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘কার্যকর পথে আরেকটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করার জন্য সরকারকে আহ্বান জানাই। এখন প্রধানমন্ত্রী নিজেই সংলাপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমি এ সিদ্ধান্তের প্রশংসা করি এবং নিশ্চতভাবেই এটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত।’

গতকাল (১৩ জানুয়ারি, রোববার) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সাথে যৌথসভার আগে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের সংলাপের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) দলের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই এই সংলাপের কথা বলেন। তিনি জানান, নির্বাচনের আগে যেসব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়েছিল তাদের সঙ্গে আবারও সংলাপ হবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে কিছু মতবিনিময় করবেন এবং তাদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে। এ ব্যাপারে আমরাও সবাই একমত। যারা সংলাপ এসেছিলেন তাদের আবারও নেত্রী সংলাপে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। একসঙ্গে সবাইকে দাওয়াত দেওয়া হবে। সেটা খুব শিগগিরই জানিয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮ আসনে জয়ী হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির রয়েছে ২০টি আসন। অন্যদিকে বিএনপি পেয়েছে ৬টি আসন।

নির্বাচনের শুরু থেকেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির নেতারা এ নির্বাচনকে ভোট চুরির নির্বাচন বলে অভিযোগ করে আসছেন। এমনকি নির্বাচনে জয়লাভ করে একাদশ সরকার গঠিত করা হলেও এখন পর্যন্ত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জয়ী সংসদ সদস্যরা শপথগ্রহণ করেননি।

আরএস/জেআইএম