মিরপুরের তিনটি আসনে যে কারণে হেরেছে বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর মিরপুরকেন্দ্রিক তিনটি আসনেই জয়লাভ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীরা। ৫৫ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম ঢাকা-১৪, ১৫ ও ১৬ আসনে জিতেছে দলটি। আসন তিনটিতে আগে কখনো সুবিধা করতে না পারা দলটির এমন উত্থানে প্রশ্ন উঠেছে মিরপুরে বিএনপির সাংগঠনিক দক্ষতা নিয়ে। যদিও তিনটি আসনেই ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’র অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির প্রার্থীরা।
ঢাকা-১৪: বিদ্রোহী প্রার্থীতে কপাল পুড়েছে তুলির
এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মীর আহমাদ বিন কাসেম ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট। কাসেমের সঙ্গে তুলির ভোটের পার্থক্য ১৭ হাজার ৭৯০।
আরও পড়ুন
ঢাকায় ২০ আসনের মধ্যে ৬টিতে জয় পেলো জামায়াত
ঢাকা-১৪ আসনে ভোটযুদ্ধে ‘ভাই-বোন’
এই আসনটিতে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য এসএ খালেকের ছেলে এসএ সিদ্দিক সাজু। দারুস সালাম থানা বিএনপির সাবেক এই আহ্বায়ক পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৮ ভোট। সাবেক এমপি এসএ খালেকের প্রভাব রয়েছে এলাকাটিতে।
ফলাফল প্রত্যাখ্যান তুলির
নির্বাচনে ভোট কারচুপি ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ করেন সানজিদা ইসলাম তুলি। ভোটের পরদিন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) গিয়ে ঢাকা-১৪ আসনের ফলাফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তুলি বলেন, ‘পরিকল্পিত এক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ঢাকা-১৪ আসনে ধানের শীষের নিরঙ্কুশ বিজয়কে প্রতিহত করা হয়েছে। আপনারা বিপুলভাবে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দিলেও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে আমাকে আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।’
ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির সানজিদা ইসলাম তুলিকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম/ছবি: সংগৃহীত
এরই মধ্যে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগগুলো প্রমাণসহ নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়ে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তুলি।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শক্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় জয় হয়নি তুলির। দারুস সালাম মোড় এলাকায় কথা হয় বিএনপির কর্মী সাজেদুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘দলের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হয়েছে। স্বতন্ত্র হিসেবে যে বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড়িয়েছেন তিনিও অনেক ভোট পেয়েছেন। ভোটগুলো বিএনপি পেলে ফলাফল অন্যরকম হতে পারতো।’
তুলির সঙ্গে নির্বাচনি প্রচারে কাজ করা সাভার থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাঈদুল ইবনে হাসিব সোহেল বলেন, অল্প সময়ে তুলি আসনটিতে জনপ্রিয় হয়েছেন। তবে তাকে হারানো হয়েছে।
মো. রুবেল হোসেন নামের বিএনপির আরেক কর্মী বলেন, ‘তাকে (তুলি) হাতেগোনা গুটিকয়েক নেতাকর্মী এককভাবে তাদের সঙ্গে রেখে দিয়েছিলেন ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জন্য। বাকি নেতাকর্মীদের কাছে তাকে যেতে দেওয়া হয়নি। যে কারণে ঢাকা-১৪ আসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনটি এভাবে হারাতে হলো।’
২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে ঢাকার এ আসন থেকে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ নেতা আসলামুল হক। তার বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের ব্যাপক অভিযোগ ওঠে।
ওই ভোটেও আসলামুল হকের বিপক্ষে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন আলোচিত বিএনপি নেতা এসএ খালেকের ছেলে এসএ সিদ্দিক সাজু। অভিযোগ আছে, সাজুকে সেই বছর কোনো প্রচারই চালাতে দেওয়া হয়নি। ভোটের আগে মধ্যরাতে সাজুর বাসা থেকে নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে যায় পুলিশ।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ২০১৮ থেকে ২০২৬ এই পুরোটা সময় স্থানীয় বিএনপির অলিখিত কার্যালয় ছিল দারুস সালাম এলাকায় এসএ সিদ্দিক সাজুর বাবার বাড়ি। প্রায় প্রতিটি নির্বাচনের আগে সেখানে দফায় দফায় অভিযান চালায় পুলিশ।
কল্যাণপুর এলাকায় কথা হয় ব্যবসায়ী মুস্তাফিজের সঙ্গে। তিনি বলেন, সনি-মাজার রোড, দারুস সালাম এলাকায় সাজুর প্রভাব রয়েছে। সেখানে তিনি দলটিকে ধরে রেখেছেন। সাজুর বাবা সাবেক এমপি। তিনি প্রার্থী না হওয়ায় অনেকেই বিএনপিকে ভোট দেননি।
তবে কেউ কেউ বলছেন, বিএনপির হারের পেছনে চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং ফ্যাক্টর রয়েছে। ৫ আগস্ট পরবর্তীসময়ে গাবতলী, মিরপুর-১, সনি হলসহ বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক লেখালেখি হয়েছে। এসব কারণে কমেছে বিএনপির ভোট।
ঢাকা-১৫: জামায়াত আমিরের নিরঙ্কুশ জয়
ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াতের আমির মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
বিএনপি কর্মী ও সমর্থকদের অভিযোগ, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে শফিকুল ইসলামকে হারানো হয়েছে।
ভোটের পরে তুলির মতো একই ধরনের পোস্ট দেন শফিকুল ইসলাম। ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘অন্তরালে সুপরিকল্পিত এক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ঢাকা-১৫ আসনে ধানের শীষের নিরঙ্কুশ বিজয়কে প্রতিহত করা হয়েছে। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের অগণতান্ত্রিক ও প্রশ্নবিদ্ধ ব্যবস্থাপনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ইতিমধ্যে দৃশ্যমান অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি।’
আরও পড়ুন
ঢাকা-১৫ আসনে প্রচারণায় নেমেছেন দুই শফিক
ঢাকা-১৫ আসনে জয়ী জামায়াত আমির
ঢাকা-১৫ আসনে এগিয়ে জামায়াত আমির, বেশি পাবেন নারী ভোট
শফিকুল ইসলাম ঢাকা মহানগরের যুবদল নেতা, যিনি বিএনপির সহযোগী এ সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। তিনি কিছুদিন এ সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। অন্যদিকে জামায়াতের তিনবারের আমির শফিকুর রহমান এ আসনে ২০১৮ সালে নির্বাচন করেছিলেন ধানের শীষ প্রতীকে। ওই সময় নিবন্ধন না থাকায় জোটের হয়ে বিএনপির প্রতীকেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। নানান বিতর্ক ওঠা ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কামাল আহমেদ মজুমদারের কাছে হেরে যান তিনি।
ঢাকা-১৫ আসনে ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে হারিয়ে এমপি হয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান/ফাইল ছবি
কাফরুল ও মিরপুরের আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত এ আসনে তাদের বাইরে প্রার্থী ছিলেন আরও ছয়জন।
এই আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন এবং নারী ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন। অর্থাৎ নারী ভোটারের সংখ্যা ৪৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকার গৃহিণী ও নারী ভোটারদের একটি বিশাল অংশ এবার সরাসরি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। এই নীরব ভোট বিপ্লব নির্বাচনি সমীকরণকে পুরোপুরি ওলটপালট করে দিয়েছে।
১০ নম্বর শাহ আলী মার্কেটের নিচে কথা হয় গোলাম মহিউদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রচারে জামায়াত এগিয়ে ছিল। নারী ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় দলটি এগিয়ে ছিলেন।
জানা যায়, তিন-চারজনের ছোট ছোট দল হয়ে বাসায় বাসায় গিয়ে নারীদের কাছে ভোটের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা। আমিরকে প্রার্থী করায় ভালো সুবিধা পেয়েছে জামায়াত। এলাকায় তার প্রভাব রয়েছে।
এলাকাবাসী বলছেন, চাঁদাবাজি, দখলদারি, যানজট, জলাবদ্ধতা, অপরাধ আর অনিরাপদ স্থানে পরিণত হয়েছে আসনটি। তাদের আশা, জামায়াতের আমির সংসদ সদস্য হওয়ায় এলাকার সমস্যার সমাধান হবে।
ঢাকা-১৬: কম ভোটার উপস্থিতি প্রভাব ফেলেছে আমিনুলের ফলে
আসনটিতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জামায়াতের আব্দুল বাতেন পেয়েছেন মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল হক ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। অর্থাৎ ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে এই আসনে জামায়াত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত হয়েছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৪৯৯ জন, যার মধ্যে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৬৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট দেননি প্রায় সোয়া দুই লাখ ভোটার।
এ আসনে আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির আলহাজ একেএম মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বিএনপির সাবেক নেতা, যদিও এ নির্বাচনে সুবিধা করতে পারেননি মোয়াজ্জেম।
আরও পড়ুন
ঢাকা-১৬ আসনের ফল স্থগিত চেয়ে বিএনপি প্রার্থী আমিনুলের আবেদন
আমিনুলকে হারিয়ে জয়ী জামায়াতের আব্দুল বাতেন
ভোটারদের মধ্যে ‘উপহার’ বিতরণের অভিযোগ আমিনুলের, জনসংযোগে ব্যস্ত বাতেন
ভোটারদের একটি বড় অংশের অভিযোগ, চাদাঁবাজি, বিএনপি নেতা কিবরিয়া হত্যা, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের কর্মীদের প্রচারণায় যুক্ত করতে না পারাসহ নানা কারণে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ছিটকে পড়েন আমিনুল।
যদিও আসনটিতে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে ফলাফল স্থগিত এবং বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এক ফেসবুক পোস্টে মো. আমিনুল হক বলেন, দুঃখজনকভাবে অন্তর্মহলে এক ব্যাপক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষের নিরঙ্কুশ বিজয়কে প্রতিরোধ করা হয়েছে। আপনারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, কিন্তু আমাকে আপনাদের প্রতিনিধি হতে দেওয়া হয়নি। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা কখনোই মেনে নেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে আমরা চাক্ষুষ অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি।
গত নভেম্বর মাসে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়া খুন হন। অভিযোগ আছে চাঁদাবাজি ও দলীয় কোন্দলে খুন হন কিবরিয়া।
ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিনুল হককে হারিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল বাতেন/ফাইল ছবি
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং, মাদক কারবারে বিএনপি নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ ব্যাপকভাবে চাউর হয়েছে। পল্লবীর ঈদগাহ মাঠে দেওয়াল নির্মাণের উদ্যোগেও সমালোচনা হয়।
পল্লবীর বাসিন্দা জাহিদুল হক বলেন, চাঁদাবাজিসহ নানান অনিয়মে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা জড়িয়ে পড়ায় তরুণ প্রজন্মের ভোট বিএনপি পায়নি। এছাড়া তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে পারেননি।
পল্লবী এলাকায় পলাশ নামের একজন বিএনপি কর্মী জাগো নিউজকে বলেন, ‘রাজনীতি মানুষের জন্য—কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে মানুষকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়নি। মতভেদ হলেই অবমূল্যায়ন, কখনো ভয়ভীতি, কখনো ক্ষমতার দাপট—এগুলো মাঠের কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করে। এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যেখানে মনে হয়েছে, কিছু ব্যক্তি নিজেদের অপরিহার্য ভাবতে শুরু করেছেন—যেন তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো কাজই করা যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পেইনের ক্ষেত্রেও কিছু বিতর্কিত ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাদের অতীত অবস্থান ও ভূমিকা নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে প্রশ্ন ছিল। ফলে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ আরও বেড়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেকেই মাঠে প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারেননি। নির্বাচনকালীন প্রচারণা ও পরিচালনা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও কেউ কেউ কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিলেন। এমনকি ভোটের দিন একাধিক কেন্দ্রে ধানের শীষের পোলিং এজেন্ট অনুপস্থিত ছিল।’
এসএম/এমএমকে/এমএমএআর