শ্যালা নদী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ হচ্ছে
সুন্দরবনের শ্যালা নদী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নদীতে অবস্থানকারী জাহাজগুলোকে চলে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
বুধবার নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের সভাপতিত্বে বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু, তুরাগ ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নদ-নদীর নাব্যতা এবং নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ অব্যাহত রাখা সংক্রান্ত টাস্কফোর্স এর ৩১তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, আদি বুড়িগঙ্গা নদীকে বাঁচাতে সবধরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে জরিপ কাজ চলবে ও অপদখলীয় উদ্ধারকৃত জায়গায় বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প প্রণয়ন করা হবে। আদি বুড়িগঙ্গা রক্ষার সার্বিক তদারকির কাজ করবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।
এছাড়ও বালু, তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদীর ‘সীমানা চিহ্নিতকরণ পিলার’ সঠিক স্থানে স্থাপনের যে সমস্ত অসামঞ্জস্য রয়েছে সেগুলো দূর করে নতুন পিলার প্রতিস্থাপন করা হবে। পাবনা জেলার বড়াল নদীর উপর নির্মিত ৩টি রাস্তা অপসারণ করা হয়েছে। সেখানে ব্রিজ তৈরি ও নদী তীরে বনায়ন করার সিদ্ধান্ত হয় সভায়।
সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয় বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণরোধে হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্প সাভারে স্থানান্তরে সরকারি উদ্যোগ জোরদার করা হবে। আগামী ৩১ মার্চের পর হাজারীবাগে কোন কাঁচা চামড়া প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।
বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পানি সম্পদ সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, নৌপরিবহন সচিব অশোক মাধব রায়, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক, সমুদ্র পরিবহন অধিদফতর কমডোর এম জাকিউর রহমান ভূঁইয়া ও ঢাকা ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিম খান উপস্থিত ছিলেন।
এসএ/এসকেডি/এমএস