ঘোড়ামারা আজিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল


প্রকাশিত: ০২:৩৩ পিএম, ২৪ মার্চ ২০১৬

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক সংসদ সদস্য গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের আব্দুল আজিজ ওরফে ঘোড়ামারা আজিজসহ পলাতক ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামিদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর তথ্যসহ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে প্রসিকিউশনকে। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৯ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আব্দুল আজিজ ওরফে ঘোড়ামারা আজিজ ছাড়া আর যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়া হয়েছে তারা হলেন- মো. রুহুল আমিন ওরফে মঞ্জু, মো. আবদুল লতিফ, আবু মুসলেম মো. আলী, মো. নাজমূল হুদা ও মো. আব্দুর রহিম মিয়া।

বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই দিন নির্ধারণ করে দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর আব্দুর রহমান হাওলাদার ও সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমন। পরে জগো নিউজকে মামলা সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার অন্যতম প্রসিকিউটর আব্দুর রহমান হাওলাদার।
 
হাওলাদার বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, গুম, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মতো তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদনে হত্যা, গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, গুম, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের তিনটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ১৩ জন ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ ১৫ জনকে হত্যা-গণহত্যা ও তাদের মরদেহ গুম, তিনজনকে আটক ও অপহরণ করে নির্যাতন এবং তাদের বাড়ি-ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৯ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত বর্তমান গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তারা অপরাধগুলো সংঘটিত করেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

৬ খণ্ডে ৮৭৮ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ ও দলিল রয়েছে। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেড এম আলতাফুর রহমান ও হেলাল উদ্দিন ২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তদন্তকাজ সম্পন্ন করেন। ঘটনার ২৫ জন ও জব্দ তালিকার তিনজনসহ মোট ২৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
 
এফএইচ/এনএফ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।