চীনের কুনমিংয়ে কপ-১৫ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক চীন
প্রকাশিত: ০৭:২৬ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০২১

‘পরিবেশগত সভ্যতা: পৃথিবীর সব জীবের জন্য একটি ভাগ করা ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চীনের বসন্তনগরী কুনমিংয়ে কপ-১৫ নামে জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার এটি শুরু হয়, চলে শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) পর্যন্ত।

কপ-১৫ এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক সম্মেলন। এর মাধ্যমে আগামী ১০ বছরের জন্য জীববৈচিত্র্য, ইকোসিস্টেমের সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে একটি বৈশ্বিক রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে।

বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন ২০২০ সালের জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সম্মেলনে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। কোভিড পরিস্থিতির কারণে মন্ত্রী ও বাংলাদেশের অন্যান্য সদস্যরা অনলাইনে সম্মেলনে যোগ দেন। প্রতিনিধি দলের উপনেতা চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুবুজ্জামান এবং দূতাবাসের মিনিস্টার ও ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম সশরীরে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

jagonews24

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও অন্যান্য বিশ্বনেতারা ভার্চুয়ালি এতে বক্তব্য দেন। সম্মেলন বিশ্বনেতারা জীবনের সর্বস্তরে প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের ওপর জোর দেন।

পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নতিতে প্রতি বছর কমপক্ষে ৮০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন, যা বৈশ্বিক জিডিপির ১ শতাংশ। এই তহবিলের অর্ধেক উন্নয়নশীল দেশে যাওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশ সুরক্ষা, সবুজায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চলতি বছর জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্থায়ী অগ্রগতির জন্য জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশন নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) এসডিজি অর্জনে ‘এসডিজি প্রগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন।

jagonews24

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে জীববৈচিত্র্য সম্মেলনের ১৫তম সভা দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক অতিথি ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছেন। আর দ্বিতীয় অংশটি আগামী এপ্রিল-মে মাসে কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

এআরএ/এএসএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]