মালয়েশিয়া থেকে ২৫ বাংলাদেশি বন্দিকে দেশে ফেরত

আহমাদুল কবির
আহমাদুল কবির আহমাদুল কবির , মালয়েশিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৪০ এএম, ১৮ মে ২০২৬
ছবি-সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস (পাইনঅ্যাপল টাউন) ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো চলতি মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিভিন্ন দেশের ৯০ জন প্রবাসী বন্দিকে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন ২৫ জন।

১৮ মে, এক বিবৃতিতে জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ৩১ জন মিয়ানমারের, ২৫ জন বাংলাদেশের, ১৫ জন পাকিস্তানের, ৭ জন নেপালের, ৫ জন ভিয়েতনামের, ২ জন চীনের এবং ২ জন কম্বোডিয়ার নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের একজন করে নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, আটক ব্যক্তিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ ১ ও ২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়।

প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে অনেকের বৈধ পাসপোর্ট ছিল। এছাড়া যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের নিজ নিজ দূতাবাস অস্থায়ী ভ্রমণ দলিল বা ‌‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ ইস্যু করে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে দেয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের অর্থ বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস টিকিটের ব্যয় বহন করেছে।

jagonews24

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বন্দিকে দেশটির ইমিগ্রেশন সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা আর কোনো উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের মতে, বন্দিদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর অন্যতম প্রধান কার্যক্রম। সাজা শেষ হওয়ার পরও যেন আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘ সময় ডিটেনশন ক্যাম্পে অবস্থান না করেন, সে লক্ষ্যেই নিয়মিতভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এদিকে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত সব ধরনের কার্যক্রম যেমন বিমান টিকিট ক্রয় ও অন্যান্য প্রক্রিয়া ডিটেনশন ডিপোর নির্ধারিত সেবা কাউন্টারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যায়। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অতিরিক্ত ‘সার্ভিস চার্জ’ নেওয়া হয় না।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টরা পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর রেকর্ড ও প্রত্যাবাসন ইউনিটের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।

এমআরএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]