সৎকর্মশীলদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও তাকওয়া অর্জনের দোয়া

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০০ পিএম, ১৯ মে ২০১৯

গোনাহ মুক্ত জীবন-যাপনের জন্য তাকওয়া অর্জন যেমন জরুরি, তেমনি তাকওয়া অর্জনের পর তা ধরে রাখতে সৎকর্মশীল বান্দাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সুসম্পর্ক রাখা আরো বেশি জরুরি।

তবেই রমজানের মাসব্যাপী সিয়াম-সাধনার পর আত্মশুদ্ধিমূলক জীবন যাপনে অভ্যস্ত থাকবে মুমিন। এ কারণেই আল্লাহ তাআলা কুরআনে একটি দোয়া উল্লেখ করেছেন-
‘হে আমাদের প্রতিপালক! হেদায়েত লাভের পর আমাদের অন্তরকে বাঁকা করিও না এবং আমাদের জন্য তোমার রহমত দান করো। নিশ্চয় তুমি সর্বোত্তম দাতা।’ (সুরা আল ইমরান : আয়াত ৭)

রমজানে এবং রমজানের পরে তাকওয়া ধরে রাখতে সৎকর্মশীলদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে বেশি বেশি পড়ুন-
اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِيْ فِيْهِ مِنَ الدَّنَسِ وَالْأَقْذَارِ، وَصَبِّرْنِيْ فِيْهِ عَلَى كَائِنَاتِ الْأَقْدَارِ، وَوَفِّقْنِيْ فِيْهِ ِللتَّقَى وَصُحْبَةِ الْأَبْرَارِ، بِعَوْنِكَ يَا قُرَّةَ عَيْنِ الْمَسَاكِيْن
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ত্বাহহিরনি ফিহি মিনাদ্‌দানাসি ওয়াল আক্বজারি; ওয়া সাব্বিরনি ফিহি আলা কায়িনাতিল আক্বদারি; ওয়া ওয়াফ্‌ফিক্বনি ফিহি লিততুক্বা ওয়া সুহবাতিল আবরারি; বিআওনিকা ইয়া কুর্‌রাতা আইনিল মাসাকিন।’

অর্থ : হে আল্লাহ! এদিনে আমাকে পাপরাজি ও অপবিত্রতা থেকে পবিত্র কর। যা কিছু তকদির অনুযায়ী হয়, তা মেনে চলার ধৈর্য আমাকে দান কর। তোমার বিশেষ অনুগ্রহে আমাকে তাকওয়া অর্জন এবং সৎ কর্মশীলদের সাহচর্যে থাকার তাওফিক দাও। হে অসহায়দের আশ্রয়দাতা।

রোজাদারের জন্য একটি কথা মনে রাখা জরুরি-
আল্লাহ তাআলা মন্দ কাজ সংঘটিত হওয়ার সব বিষয়গুলোকে হালকা করেছেন রোজাদারের ইবাদত-বন্দেগি করার জন্য। জান্নাতের দরজা খুলে দিয়েছেন জান্নাতি পরিবেশ লাভের জন্য। আবার জাহান্নামের দরজা ও শয়তানকে বেড়ি পড়ানোর মাধ্যমে অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে দিয়েছেন।

সুতরাং রমজানের দ্বিতীয় দশকে আল্লাহ ক্ষমা লাভে অস্রু বিসর্জনের বিকল্প নেই। আল্লাহর কাছে ঈমানদার রোজাদারের চোখের পানির মূল্য অনেক। ঈমানদার যদি আল্লাহর ক্ষমা লাভে অস্রু বিসর্জন দিতেই পারে তবে সে পানি মাটিতে পরার আগেই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তার রহমতের ওসিলায় দুনিয়ার যাবতীয় অন্যায় ও খারাপ কাজ থেকে বিরত থেকে ক্ষমা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :