মসজিদে নামাজ স্থগিতে সৌদির সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদের ফতোয়া

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:১২ পিএম, ২১ মার্চ ২০২০

মসজিদে জামাআতে নামাজ ও জুমআর নামাজ আদায় প্রসঙ্গে সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ইসলামিক স্কলারদের সংগঠন (সৌদি কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারস) ২২ রজব মোতাবেক ১৭ মার্চ মঙ্গলবার কুরআন-সুন্নাহর আলোকে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

আল-রিয়াদ আরবি গণমাধ্যমের তথ্য মতে, সৌদি আরবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলামা পরিষদের এ অধিবেশনে উপস্থিত হয়ে করোনার দ্রুত সংক্রমণ ও ভয়াবহতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এটি মানুষের জীবনের জন্য বিরাট হুমকি। সুতরাং এ বিষয়ে ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে, এই ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, বড় বড় গণজমায়েতও এ সংক্রমণের প্রধান কারণ।

অতপর সৌদির সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদ তাদের অধিবেশনে করোনাভাইরাস-এর দ্রুত বিস্তার এবং ব্যাপক প্রাণহানির বিষয়টি পর্যালোচনা ও আক্রান্তদের মেডিকেল রিপোর্টও খতিয়ে দেখেন। অতপর তারা করোনাভাইরাসের কারণে তাদের ফতোয়া ও সিদ্ধান্ত প্রদান করেন-

সৌদির ওলামা পরিষদ প্রথমেই মহান আল্লাহর প্রশংসা ও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার পরিবার-আসহাবগণের উপর দরূদ ও সালাম-এর মাধ্যমে তাদের অধিবেশন শুরু করেন।
অধিবেশনে সিনিয়র স্কলারগণ মানুষের জীবন রক্ষার অপরিহার্যতা সংক্রান্ত কুরআন-সুন্নাহর বক্তব্যগুলো পর্যালোচনা করেন। মানুষের জীবন রক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে কুরআনে এসেছে-
- ‘এবং তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিও না।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৯৫)
- ‘আর নিজেদেরকে হত্যা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়াশীল।’ (সুরা নিসা : আয়াত ২৯)

আয়াত দুটিতে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে, জীবন নাশের কারণ তথা প্রাণঘাতী মহামারি জনিত বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকা ওয়াজিব বা আবশ্যক।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহামারি সংক্রান্ত অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন। মহামারি বিস্তৃতি লাভের কারণে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বনের অপরিহার্যতা তুলে ধরেছেন। হাদিসে এসেছে-
- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি যেন তার অসুস্থ উটকে সুস্থ উটের কাছে নিয়ে না যায়।’ (বুখারি ও মুসলিম)
- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কুষ্ঠরোগী থেকে এমনভাবে পালিয়ে যাও যেভাবে সিংহ থেকে পলায়ন কর।’ (বুখারি)
- হাদিসে আরও এসেছে, ‘যদি কোনো এলাকায় মহামারির কথা শুনো তবে সেখানে যেও না। আর যদি (মহামারি আক্রান্ত) কোনো এলাকায় তোমাদের থাকা অবস্থায় মহামারি সৃষ্টি হয় তাহলে সেখান থেকে বের হবে না।’ (বুখারি ও মুসরিম)

কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামি শরিয়তের সিদ্ধান্ত ও মূলনীতি হলো-
- ‘নিজের অথবা অন্যের কোনো ক্ষতি করা যাবে না।’
- ‘যতটা সম্ভব ক্ষয়-ক্ষতি প্রতিহত করতে হবে।’

সৌদির ওলামা পরিষদ উল্লেখিত আলোচনার ভিত্তিতে (বিশেষ প্রয়োজনে) মসজিদে গণজমায়েতে সব ফরজ এবং জুমআর নামাজ বন্ধ রাখে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ বলেছেন। নামাজের জন্য শুধু আজান দেয়াকে যথেষ্ট মনে করেছেন। মসজিদের দরজাগুলোও বন্ধ থাকবে।
তবে তারা মসজিদে হারামাইন তথা মক্কার মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববি এ সিদ্ধান্তের আওতামুক্ত থাকবে বলেও জানিয়েছেন।

আজানের সিদ্ধান্ত
মসজিদে নামাজ বন্ধ থাকা এবং মসজিদের দরজা বন্ধ রেখে আজান দেয়ার বিষয়টির অনুমোদন দিয়েছেন। হাদিসের ঘোসণা মোতাবেক আজানের শব্দও পরিবর্তন হবে। আজানে ‘হাইয়্যা আলাস-সালাহ’ এর পরিবর্তে ‘সাল্লু ফি বুয়ুতিকুম’ অর্থাৎ আপনার বাড়িতেই নামাজ আদায় করুন।’ ঘোষণা করবে।

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার মুয়াজ্জিনকে আজানে এ কথা বলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)

ওজরে নামাজ আদায়ের ফজিলত
ওলামা পরিষদ জুমআর নামাজের পরিবর্তে বাড়িতে ৪ রাকাআত করতে বলেছেন। এটি মহান আল্লাহর অনুগ্রহ যে, যদি কেউ ওজরের কারণে ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও জামআর নামাজ জামাআতে আদায় করতে সক্ষম না হয় তবুও তাকে পরিপূর্ণ সাওয়াব দান করা হবে। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘বান্দা যদি অসুস্থ হয় অথবা সফরে যায় তাহলে সে সুস্থ ও আবাস অবস্থায় যে আমল করতো মহান আল্লাহ তাকে তার সমপরিমাণ সওয়াব দান করেন।’ (বুখারি)

ওলামা পরিষদের নির্দেশনা
সৌদির ওলামা পরিষদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জারি করা প্রতিরোধ ও সতর্কতামূলক দিকনির্দেশনাগুলো পরিপূর্ণভাবে মেনে চলার এবং তাদেরকে সহযোগিতার করার জন্য সবাইকে উপদেশ দিতে গিয়ে কুরআনুল কারিমের উদ্ধৃতি তুলে ধরেন-
‘এবং তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহ ভীতির কাজে সহযোগিতা করো এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে সহযোগিতা কর না।’ (সুরা মায়েদা : আয়াত ২)

এ সব পদক্ষেপ ও নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে মেনে চলা মূলতঃ ‘সৎকর্ম ও আল্লাহ ভীতির কাজে সহযোগিতার অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি আল্লাহকে ভয় করা, অধিকহারে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং বিনীতভাবে দোয়া করার উপদেশ দিয়েছেন। কুরআনে আরও এসেছে-
‘(হুদ আলাইহিস সালাম বললেন) হে আমার সম্প্রদায়! তোমারা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা চাও এবঙ তার কাচে তাওবাহ কর। আর তাতে তিনি তোমাদেরকে অঝোর ধারায় বৃষ্টি দিবেন এবং তোমাদের শক্তি বৃদ্ধি করবেন।’ (সুরা হুদ : আয়াত ৫২)

আয়াতে ‘শক্তি’ কথার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- জীবন-জীবিকার প্রাচুর্যতা, সার্বিক নিরাপত্তা এবং সব ধরনের সুস্থতা ও বিপদাপদ থেকে মুক্তির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত।’

সৌদির ওলামা পরিষদ আরও বলেন, ‘সুতরাং মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন তার বান্দাদের থেকে এ মহামারি বিপদ উঠিয়ে নেন এবং খাদেমুল হারামাইন, ক্রাউন প্রিন্স এবং আমাদের বিচক্ষণ সরকারকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি প্রতিরোধে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ ও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় উত্তম বিনিময় দান করেন। আরও দোয়া করি, তিনি যেন সবাইকে হেফাজত করেন। কেননা-
‘অতএব আল্লাহ উত্তম হেফাজতকারী এবং তিনিই সর্বাধিক দয়ালু।’ (সুরা ইউসুফ : আয়াত ৬৪)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে করোনামুক্ত থাকতে যথাযথ সতর্কতামূলক ব্যবস্থাগুলো মেনে চলার তাওফিক দান করুন। মহামারি করোনা থেকে বেঁচে থাকতে বিশ্বনবির নসিহতের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৮,৬০,৯২৭
আক্রান্ত

৪২,৩৬১
মৃত

১,৭৮,৫৪০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫৪ ২৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৮৮,৫৯২ ৪,০৫৬ ৭,২৫১
ইতালি ১,০৫,৭৯২ ১২,৪২৮ ১৫,৭২৯
স্পেন ৯৫,৯২৩ ৮,৪৬৪ ১৯,২৫৯
চীন ৮১,৫৫৪ ৩,৩১২ ৭৬,২৩৮
জার্মানি ৭১,৮০৮ ৭৭৫ ১৬,১০০
ফ্রান্স ৫২,১২৮ ৩,৫২৩ ৯,৪৪৪
ইরান ৪৪,৬০৫ ২,৮৯৮ ১৪,৬৫৬
যুক্তরাজ্য ২৫,১৫০ ১,৭৮৯ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৬,৬০৫ ৪৩৩ ১,৮২৩
১১ তুরস্ক ১৩,৫৩১ ২১৪ ২৪৩
১২ বেলজিয়াম ১২,৭৭৫ ৭০৫ ১,৬৯৬
১৩ নেদারল্যান্ডস ১২,৫৯৫ ১,০৩৯ ২৫০
১৪ অস্ট্রিয়া ১০,৩৬৬ ১২৮ ১,০৯৫
১৫ দক্ষিণ কোরিয়া ৯,৮৮৭ ১৬৫ ৫,৫৬৭
১৬ কানাডা ৮,৬১২ ১০১ ১,২৪২
১৭ পর্তুগাল ৭,৪৪৩ ১৬০ ৪৩
১৮ ব্রাজিল ৫,৮১২ ২০২ ১২৭
১৯ ইসরায়েল ৫,৫৯১ ২১ ২২৬
২০ অস্ট্রেলিয়া ৪,৮৬২ ২১ ৩৪৫
২১ নরওয়ে ৪,৬৫১ ৩৯ ১৩
২২ সুইডেন ৪,৪৩৫ ১৮০ ১৬
২৩ আয়ারল্যান্ড ৩,২৩৫ ৭১
২৪ ডেনমার্ক ২,৮৬০ ৯০
২৫ রাশিয়া ২,৭৭৭ ২৪ ১৯০
২৬ মালয়েশিয়া ২,৭৬৬ ৪৩ ৫৩৭
২৭ চিলি ২,৭৩৮ ১২ ১৫৬
২৮ পোল্যান্ড ২,৩৪৭ ৩৫
২৯ ফিলিপাইন ২,৩১১ ৯৬ ৫০
৩০ ইকুয়েডর ২,৩০২ ৭৯ ৫৮
৩১ রোমানিয়া ২,২৪৫ ৮২ ২২০
৩২ জাপান ২,১৭৮ ৫৭ ৪২৪
৩৩ লুক্সেমবার্গ ২,১৭৮ ২৩ ৮০
৩৪ পাকিস্তান ২,০৪২ ২৬ ৮২
৩৫ থাইল্যান্ড ১,৭৭১ ১২ ৪১৬
৩৬ ভারত ১,৫৯০ ৪৫ ১৪৮
৩৭ সৌদি আরব ১,৫৬৩ ১০ ১৬৫
৩৮ ইন্দোনেশিয়া ১,৫২৮ ১৩৬ ৮১
৩৯ ফিনল্যাণ্ড ১,৪১৮ ১৭ ১০
৪০ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৩৫৩ ৫০
৪১ গ্রীস ১,৩১৪ ৪৯ ৫২
৪২ মেক্সিকো ১,২১৫ ২৯ ৩৫
৪৩ পানামা ১,১৮১ ৩০
৪৪ আইসল্যান্ড ১,১৩৫ ১৯৮
৪৫ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,১০৯ ৫১
৪৬ পেরু ১,০৬৫ ৩০ ৩৯৪
৪৭ আর্জেন্টিনা ১,০৫৪ ২৭ ২৪০
৪৮ সিঙ্গাপুর ৯২৬ ২৪০
৪৯ কলম্বিয়া ৯০৬ ১৬ ৩১
৫০ কলম্বিয়া ৯০৬ ১৬ ৩১
৫১ সার্বিয়া ৯০০ ২৩ ৪২
৫২ ক্রোয়েশিয়া ৮৬৭ ৬৭
৫৩ স্লোভেনিয়া ৮০২ ১৫ ১০
৫৪ কাতার ৭৮১ ৬২
৫৫ এস্তোনিয়া ৭৪৫ ২৬
৫৬ আলজেরিয়া ৭১৬ ৪৪ ৪৬
৫৭ হংকং ৭১৫ ১২৮
৫৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১১ ৬০৩
৫৯ মিসর ৭১০ ৪৬ ১৫৭
৬০ নিউজিল্যান্ড ৭০৮ ৮৩
৬১ ইরাক ৬৯৪ ৫০ ১৭০
৬২ ইউক্রেন ৬৬৯ ১৭ ১০
৬৩ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬৬৪ ৬১
৬৪ মরক্কো ৬৩৮ ৩৬ ২৪
৬৫ লিথুনিয়া ৫৮১
৬৬ আর্মেনিয়া ৫৭১ ৩১
৬৭ বাহরাইন ৫৬৭ ৩১৬
৬৮ হাঙ্গেরি ৫২৫ ২০ ৪০
৬৯ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৭০ লেবানন ৪৬৩ ১২ ৩৭
৭১ লাটভিয়া ৪৪৬
৭২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪৩০ ১৩ ১৭
৭৩ বুলগেরিয়া ৪১২ ২০
৭৪ তিউনিশিয়া ৩৯৪ ১০
৭৫ এনডোরা ৩৭৬ ১২ ১০
৭৬ কাজাখস্তান ৩৬৯ ২৪
৭৭ স্লোভাকিয়া ৩৬৩
৭৮ মলদোভা ৩৫৩ ১৮
৭৯ কোস্টারিকা ৩৪৭
৮০ উরুগুয়ে ৩৩৮ ৪১
৮১ তাইওয়ান ৩২৯ ৪৫
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৩২৯ ১২
৮৩ আজারবাইজান ২৯৮ ২৬
৮৪ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৮৫ কুয়েত ২৮৯ ৮০
৮৬ জর্ডান ২৭৪ ৩০
৮৭ সাইপ্রাস ২৬২ ২৩
৮৮ বুর্কিনা ফাঁসো ২৬১ ১৪ ৩২
৮৯ রিইউনিয়ন ২৪৭
৯০ আলবেনিয়া ২৪৩ ১৫ ৫২
৯১ সান ম্যারিনো ২৩৬ ২৬ ১৩
৯২ ক্যামেরুন ২২৩
৯৩ ভিয়েতনাম ২১২ ৫৮
৯৪ ওমান ২১০ ৩৪
৯৫ আফগানিস্তান ১৯৬
৯৬ কিউবা ১৮৬
৯৭ আইভরি কোস্ট ১৭৯
৯৮ সেনেগাল ১৭৫ ৪০
৯৯ ফারে আইল্যান্ড ১৭৩ ৭৫
১০০ উজবেকিস্তান ১৭৩
১০১ হন্ডুরাস ১৭২ ১০
১০২ মালটা ১৬৯
১০৩ বেলারুশ ১৬৩ ৫৩
১০৪ ঘানা ১৬১ ৩১
১০৫ শ্রীলংকা ১৪৩ ১৮
১০৬ ভেনেজুয়েলা ১৪৩ ৪১
১০৭ নাইজেরিয়া ১৩৯
১০৮ ব্রুনাই ১২৯ ৪৫
১০৯ মার্টিনিক ১২৮ ২৭
১১০ মন্টিনিগ্রো ১২০
১১১ ফিলিস্তিন ১১৯ ১৮
১১২ জর্জিয়া ১১৫ ২২
১১৩ বলিভিয়া ১১৫
১১৪ গুয়াদেলৌপ ১১৪ ২২
১১৫ কিরগিজস্তান ১১১
১১৬ কম্বোডিয়া ১০৯ ২৫
১১৭ মায়োত্তে ৯৪ ১০
১১৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৮৯
১১৯ রুয়ান্ডা ৭৫
১২০ প্যারাগুয়ে ৬৯
১২১ জিব্রাল্টার ৬৯ ৩৪
১২২ লিচেনস্টেইন ৬৮
১২৩ কেনিয়া ৫৯
১২৪ আরুবা ৫৫
১২৫ মোনাকো ৫২
১২৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫১ ১৫
১২৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫১ ১৫
১২৮ ম্যাকাও ৪১ ১০
১২৯ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১৩০ গুয়াতেমালা ৩৮ ১২
১৩১ জ্যামাইকা ৩৮
১৩২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩৭
১৩৩ টোগো ৩৪ ১০
১৩৪ নাইজার ৩৪
১৩৫ বার্বাডোস ৩৪
১৩৬ গুয়াম ৩২
১৩৭ ইথিওপিয়া ২৯
১৩৮ গিনি ২২
১৩৯ কঙ্গো ১৯
১৪০ তানজানিয়া ১৯
১৪১ মালদ্বীপ ১৮ ১৩
১৪২ গ্যাবন ১৮
১৪৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৫
১৪৪ বাহামা ১৫
১৪৫ মঙ্গোলিয়া ১৪
১৪৬ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪
১৪৭ সেন্ট লুসিয়া ১৩
১৪৮ গায়ানা ১২
১৪৯ ডোমিনিকা ১২
১৫০ নামিবিয়া ১১
১৫১ সুরিনাম ১০
১৫২ সিসিলি ১০
১৫৩ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৫৪ বেনিন
১৫৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৬ সুদান
১৫৭ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৮ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৯ মৌরিতানিয়া
১৬০ ভ্যাটিকান সিটি
১৬১ নেপাল
১৬২ মন্টসেরাট
১৬৩ সোমালিয়া
১৬৪ ভুটান
১৬৫ গাম্বিয়া
১৬৬ তাজিকিস্তান
১৬৭ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৮ লাইবেরিয়া
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭১ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১৭২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।