করোনায় জামাআত-জুমআ নিয়ে দেশের শীর্ষ আলেমরা যা বললেন

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:২৬ পিএম, ০৭ এপ্রিল ২০২০

বৈশ্বিক মহামারি করোনায় বিশ্বের অনেকে দেশের মসজিদে জামাআত বন্ধ রয়েছে। মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে বাংলাদেশের মসজিদগুলোতে জামাআত ও জুমআ আদায়ে করণীয় ঠিক করতে ধর্মমন্ত্রণালয় আলেম-ওলামাদের পরামর্শ গ্রহণ করে। পরামর্শক্রমে মন্ত্রণালয় মসজিদের পাঞ্জেগানা জামাআতে ৫ জন এবং জুমআ জামাআতে ১০ জনকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম। তাদের সে বক্তব্যগুলো তুলে ধরা হলো-

আল্লামা শাহ আহমদ শফী
করোনায় মসজিদে জামাআত ও জুমআয় উপস্থিতি সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তকে তিনি যথার্থ ও সঠিক বলেছেন। তিনি কুরআন-সুন্নাহর বিবৃতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন-
- আল্লাহ তাআলা কুরআন মাজিদে ঘোষণা করেন-
وَلاتَقْتُلُواأَنفُسَكُمْ إنَّ للَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا
তোমরা নিজেরা নিজেদের হত্যা করো না। নিশ্চিত জেন রেখো, আল্লাহ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু।' (সুরা নিসা : আয়াত ২৯)

- অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা উল্লেখ করেন-
ولاتُلْقُوابأيْدِيكُم إلى التهْلُكة
তোমরা নিজ হাতে নিজেদেরকে ধ্বংসে নিক্ষেপ করো না।' (সুরা বাকারা : আয়াত ১৯৫)
- আল্লাহ তাআলা আরও ইরশাদ করেন-
يَاأَيُّهَاالَّذِينَ آَمَنُواخُذُواحِذْرَكُمْ
হে ঈমানদাররা! তোমরা (শত্রুর সাথে লড়াইকালে) আত্মরক্ষার উপকরণ নিজেদের সাথে রাখো।' অর্থাৎ আত্মরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করো।' (সুরা নিসা : আয়াত ৭১)

অতপর তিনি দেশের মানুষের উদ্দেশ্যে নসহিত তুলে ধরেন-
তিনি বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুরো বিশ্ব। আমাদের দেশও বর্তমানে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। করোনাভাইরাসের বর্তমান চিত্র খুবই ভয়াবহরূপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে এ ভাইরাস আমাদের দেশেও মহামারি আকার ধারণ করছে। সর্বত্র দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। আক্রান্তদের অনেকেই মৃত্যুবরণ করছেন। এ মুহূর্তে আল্লাহর কাছে দোয়া এবং শরিয়তের আলোকে সতর্কতা অবলম্বন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যে যেকোনো ধরনের বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আদেশ দিয়েছে। নামাজের জামাআত ও জুমআর উপস্থিতিও সীমিত রাখার আদেশ জারি করেছে। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতেও এসব সতর্কতামূলক নির্দেশনা সঠিক ও যথার্থ।

সরকার কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশনাকে মূল্যায়ন করা এবং তা উত্তমরূপে গ্রহণ ও পালন করা মানবতার কল্যাণে আমাদের অপরিহার্য কর্তব্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শুধু সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণই আমাদের একমাত্র কাজ নয়, দাবি করে তিনি নসিহত পেশ করে বলেন-
আমাদের কৃতপাপ ও অন্যায়সমূহ থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। আল্লাহর রহমত তথা অনুগ্রহ লাভে সব অপরাধ থেকে বিরত থাকার নিয়তে খাঁটি তাওবা করতে হবে।

ঘরে বসে দোয়া, ইসতেগফার, নফল ইবাদত-বন্দেগিতে নিজেদের নিয়োজিত করতে হবে। যেন আল্লাহ তাআলা অনতিবিলম্বে আমাদের থেকে বৈশ্বিক এ মহামারি তুলে নেন। নিরাপদে জীবন যাপন করার তওফিক দান করেন। আমাদেরসহ সারাবিশ্বকে এ মহামারি থেকে মুক্তি দেন।

মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ
মহামারি করোনার ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে মসজিদে জামাআত ও জুমআ আদায়ের সরকারি সিন্ধান্ত ঘোষণার পর এক ভিডিও বক্তব্যে মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ এ আয়াত দিয়ে তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন-

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ أَطِيعُواْ اللّهَ وَأَطِيعُواْ الرَّسُولَ وَأُوْلِي الأَمْرِ مِنكُمْ فَإِن تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللّهِ وَالرَّسُولِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلاً
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোনো বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।' (সুরা নিসা : আয়াত ৫৯)

তিনি বলেন, মসজিদে নামাজ আদায় কালে যদি যথাযথ দূরত্ব বজায় না রাখা যায় তবে তা সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। আর ধর্মীয় কাজে মসজিদ থেকে যদি তা সংক্রমণ হয় তবে এ বিষয়টি প্রচার প্রচারণায় ব্যাপক আকার ধারণ করবে। সুতরাং করোনার এ কঠিন মূহূর্তে তা থেকে উত্তরণ একমাত্র উপায় হলো রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা জারি করা।

তিনি আরও বলেন, সরকার যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, আর তা যদি শরিয়তের আলোকে হয় তবে ওলামায়ে কেরাম তা মেনে নিতে পারে। কিছু কিছুবিষয় এমন আছে যেগুলো ফিকহি ফতোয়ার নীতিমালা তথা মাসআলা। সরকার যদি সে নীতিমালা গ্রহন করে তবে তা শরিয়তেও গ্রহণযোগ্য হয়। সব কিছু ওলামায়ে কেরাম, মুফতিদের ওপর নির্ভর নয়, বরং সরকারকেই শরিয়তের আলোকে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়।

তিনি বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ২৯ মার্চের বৈঠকের আলোচনায় আমরা বেশ কিছু লোককে মসজিদে যেতে নিষেধ করেছি এবং কিছু সংখ্যক লোককে শর্ত সাপেক্ষে আমরা মসজিদে যেতে উৎসাহিত করেছি।

সরকারের ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন-
‌মসজিদে নির্দিষ্ট সংখ্যক লোককে মসজিদে আসার ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেয়া কোনো সাধারণ নিয়মে আসে না। তবে কোনো মুসলিম রাষ্ট্রের প্রধান বা দায়িত্বশীল যদি জনগণের কল্যাণে দেশ ও জাতীর কল্যাণে মসজিদে মুসল্লির উপস্থিতির ব্যাপারে সীমিত সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়, তখন সেটা শরিয়তের আলোকে গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়।

তিনি বলেন, বিষয়টি অনেকের না জানা কারণে এ নির্দেশনার ব্যাপারে নানা মন্তব্য করে থাকেন। সুতরাং ধর্মমন্ত্রণালয় থেকে যে নোটিশ এসেছে তা মেনে পাঞ্জেগানা মসজিদে ৫ জন এবং জুমআ মসজিদে ১০ জন নামাজ পড়বে। এ বিষয়টি আমরা আগেও বলেছি সরকার যদি সিদ্ধান্ত নেয় তবে তা পালনে কোনো শরিয়তে বিরোধ নেই।

তিনি আরও বলেন, আবেগে চলার কোনো বিষয় নয় বরং ইসলাম হচ্ছে সহজ। দ্বীন মেনে সহজ জীবন যাপন করাই শ্রেয়। এ প্রসঙ্গে কুরআন-সুন্নাহর অনেক নির্দেশনা রয়েছে। সুতরাং সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ঘরে নামাজ আদায় করতে এবং মসজিদে পাঞ্জেগানায় ৫ জন এবং জুমআয় ১০ জনের উপস্থিতিতে নামাজ আদায়ের প্রতিও তিনি আহ্বান জানান।

মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন
মহামারি করোনার ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে মসজিদে জামাআত ও জুমআ আদায়ের সরকারি সিন্ধান্ত ঘোষণার পর এক ভিডিও বক্তব্যে মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ এ আয়াত দিয়ে তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن مَّنَعَ مَسَاجِدَ اللّهِ أَن يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا أُوْلَـئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَن يَدْخُلُوهَا إِلاَّ خَآئِفِينَ لهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ
যে ব্যাক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় করতে চেষ্টা করে, তার চাইতে বড় যালেম আর কে? এদের পক্ষে মসজিদসমূহে প্রবেশ করা বিধেয় নয়, অবশ্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায়। ওদের জন্য ইহকালে লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে।' (সুরা বাকারা : আয়াত ১১৪)

গত ২৯ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আয়োজিত ধর্মমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ বৈঠকে গৃহীত মসজিদে জামাআত ও জুমআ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মসজিদে নামাজের আবাদ অব্যাহত রাখা ফরজে কেফায়া। মসজিদে জামাআত পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না। তবে ফরজে কেফায়া আদায়ের লক্ষ্যে যে কয়জন মানুষের প্রয়োজন তাদের নিয়ে জামাআত আদায় অব্যাহত রাখতে হবে।
web.facebook.com/mdhfan/videos

তিনি বলেন, মসজিদে পাঞ্জেগানা নামাজে ইমাম ছাড়া ২ জন ব্যক্তি উপস্থিত থাকলে এবং জুমআয় ইমাম ছাড়া ৩ জন উপস্থিত হল ফরজে কেফায় আদায় হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে মসজিদে মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ পাঞ্জেগানায় ৩ জন এবং জুমআয় ৪ জন হলেই জামাআত আদায় হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকার যদি মসজিদে নামাজ সংক্ষিপ্ত আকারে জমাআত ও জুমআ সম্পাদনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয় তাতে শরিয়তে কোনো বাধা নেই।

তিনি আরও বলেন, ‌করোনার মুসিবত থেকে মুক্তি পেতে সব অবাধ্যতা ফিরে এসে আল্লাহর কাছে তাওবা ও ইসতেগফার কথাও বলেন।

উল্লেখ্য, ধর্মমন্ত্রণালয় দেশের প্রখ্যাত আলেম-ওলামাদের নিয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক দেশের সব মসজিদে পাঞ্জেগানায় ৫ জন এবং জুমআ মসজিদে ১০ জনের উপস্থিতিতে নামাজ পড়ার ঘোষণা দেয়। ইসলামি শরিয়তের আলোকে তা আদায়ে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই।

এমএমএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,৩৮,৪৪,১৭৮
আক্রান্ত

১০,১২,৬৫৯
মৃত

২,৫১,৪৮,৪০৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৬২,০৪৩ ৫,২১৯ ২,৭৩,৬৯৮
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭৪,০৬,১৪৬ ২,১০,৭৮৫ ৪৬,৪৮,৬৮৩
ভারত ৬২,২৫,৭৬৩ ৯৭,৫২৯ ৫১,৮৭,৮২৫
ব্রাজিল ৪৭,৮০,৩১৭ ১,৪৩,০১০ ৪১,৩৫,০৮৮
রাশিয়া ১১,৬৭,৮০৫ ২০,৫৪৫ ৯,৫২,৩৯৯
কলম্বিয়া ৮,২৪,০৪২ ২৫,৮২৮ ৭,৩৪,১৫৪
পেরু ৮,১১,৭৬৮ ৩২,৩৯৬ ৬,৭৬,৯২৫
স্পেন ৭,৫৮,১৭২ ৩১,৬১৪ ১,৯৬,৯৫৮
মেক্সিকো ৭,৩৮,১৬৩ ৭৭,১৬৩ ৫,৩০,৯৪৫
১০ আর্জেন্টিনা ৭,৩৬,৬০৯ ১৬,৫১৯ ৫,৮৫,৮৫৭
১১ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৭২,৫৭২ ১৬,৬৬৭ ৬,০৬,৫২০
১২ ফ্রান্স ৫,৫০,৬৯০ ৩১,৮৯৩ ৯৬,৩২৭
১৩ চিলি ৪,৬১,৩০০ ১২,৭২৫ ৪,৩৪,৭৯৪
১৪ ইরান ৪,৫৩,৬৩৭ ২৫,৯৮৬ ৩,৭৮,৭২৭
১৫ যুক্তরাজ্য ৪,৪৬,১৫৬ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ ইরাক ৩,৫৮,২৯০ ৯,১২২ ২,৮৮,৮১২
১৭ সৌদি আরব ৩,৩৪,১৮৭ ৪,৭৩৯ ৩,১৮,৫৪২
১৮ তুরস্ক ৩,১৭,২৭২ ৮,১৩০ ২,৭৮,৫০৪
১৯ ইতালি ৩,১৩,০১১ ৩৫,৮৭৫ ২,২৬,৫০৬
২০ পাকিস্তান ৩,১২,২৬৩ ৬,৪৭৯ ২,৯৬,৮৮১
২১ ফিলিপাইন ৩,০৯,৩০৩ ৫,৪৪৮ ২,৫২,৯৩০
২২ জার্মানি ২,৯০,৪৬৬ ৯,৫৫৬ ২,৫৪,২০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৮২,৭২৪ ১০,৬০১ ২,১০,৪৩৭
২৪ ইসরায়েল ২,৩৬,৯২৬ ১,৫২৮ ১,৬৭,৮০৪
২৫ ইউক্রেন ২,০৪,৯৩২ ৪,০৬৫ ৯০,২৫০
২৬ কানাডা ১,৫৬,৯৬১ ৯,২৯১ ১,৩৩,৭৩৭
২৭ ইকুয়েডর ১,৩৫,৭৪৯ ১১,৩১২ ১,১২,২৯৬
২৮ বলিভিয়া ১,৩৪,৬৪১ ৭,৯৩১ ৯৪,৮৯৫
২৯ কাতার ১,২৫,৫৩৩ ২১৪ ১,২২,৪৪৮
৩০ রোমানিয়া ১,২৫,৪১৪ ৪,৭৯২ ১,০০,৬৩৬
৩১ মরক্কো ১,২১,১৮৩ ২,১৫২ ১,০০,২৫৩
৩২ নেদারল্যান্ডস ১,১৭,৫৫১ ৬,৩৯৩ ২৫০
৩৩ বেলজিয়াম ১,১৭,১১৫ ১০,০০১ ১৯,৩৮৬
৩৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,১১,৯০০ ২,১০১ ৮৬,৯৯৮
৩৫ পানামা ১,১১,৮৫৩ ২,৩৬৪ ৮৮,২০২
৩৬ কাজাখস্তান ১,০৭,৯০৮ ১,৭২৫ ১,০২,৮৭৪
৩৭ কুয়েত ১,০৪,৫৬৮ ৬০৭ ৯৬,০৪৯
৩৮ মিসর ১,০৩,০৭৯ ৫,৯১৪ ৯৬,০৯৪
৩৯ ওমান ৯৮,৫৮৫ ৯৩৫ ৮৮,৫২৮
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৯৩,০৯০ ৪১৬ ৮২,৫৩৮
৪১ সুইডেন ৯২,৪৬৬ ৫,৮৯০ ৪,৯৭১
৪২ গুয়াতেমালা ৯০,৯৬৮ ৩,২৩৮ ৭৯,৬৫৪
৪৩ পোল্যান্ড ৮৯,৯৬২ ২,৪৮৩ ৬৮,৯৫৫
৪৪ চীন ৮৫,৪০৩ ৪,৬৩৪ ৮০,৫৭৮
৪৫ জাপান ৮২,৪৯৪ ১,৫৫৭ ৭৫,৪৫৯
৪৬ বেলারুশ ৭৮,২৬০ ৮২৮ ৭৪,৩২০
৪৭ নেপাল ৭৬,২৫৮ ৪৯১ ৫৫,৩৭১
৪৮ হন্ডুরাস ৭৬,০৯৮ ২,৩২৩ ২৭,৩৮৩
৪৯ পর্তুগাল ৭৪,৭১৭ ১,৯৬৩ ৪৮,১৯৩
৫০ কোস্টারিকা ৭৪,৬০৪ ৮৮০ ৩০,৭০৩
৫১ ইথিওপিয়া ৭৪,৫৮৪ ১,১৯১ ৩০,৯৫২
৫২ ভেনেজুয়েলা ৭৪,৩৬৩ ৬২১ ৬৪,২০০
৫৩ বাহরাইন ৭০,৪২২ ২৪৬ ৬৪,২৬৭
৫৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৬৭,৮৪৩ ৬৩৬ ৩২,৭৫৯
৫৫ নাইজেরিয়া ৫৮,৬৪৭ ১,১১১ ৪৯,৯৩৭
৫৬ সিঙ্গাপুর ৫৭,৭৪২ ২৭ ৫৭,৪৬৬
৫৭ উজবেকিস্তান ৫৬,৩৫৪ ৪৬৬ ৫২,৯৭০
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৫২,৮৭১ ২,০৬৯ ৪২,৭০০
৫৯ মলদোভা ৫২,০২৯ ১,৩১০ ৩৮,৫৭৯
৬০ আলজেরিয়া ৫১,৩৬৮ ১,৭২৬ ৩৬,০৬৩
৬১ আর্মেনিয়া ৪৯,৯০১ ৯৫৮ ৪৩,৮৪৯
৬২ কিরগিজস্তান ৪৬,৬৬৯ ১,৪৯৮ ৪২,৮৭৯
৬৩ ঘানা ৪৬,৪৮২ ৩০১ ৪৫,৬৫১
৬৪ অস্ট্রিয়া ৪৪,০৪১ ৭৯৬ ৩৪,৯১৬
৬৫ আজারবাইজান ৪০,১১৯ ৫৯০ ৩৭,৮২৭
৬৬ প্যারাগুয়ে ৪০,১০১ ৮৪১ ২৩,৭৪৮
৬৭ ফিলিস্তিন ৩৯,৫৪১ ৩০৬ ৩১,০৪৭
৬৮ আফগানিস্তান ৩৯,২৫৪ ১,৪৫৮ ৩২,৭৪৬
৬৯ কেনিয়া ৩৮,৩৭৮ ৭০৭ ২৪,৭৪০
৭০ লেবানন ৩৮,৩৭৭ ৩৬১ ১৭,১১০
৭১ আয়ারল্যান্ড ৩৫,৭৪০ ১,৮০৩ ২৩,৩৬৪
৭২ লিবিয়া ৩৪,০১৪ ৫৪০ ১৮,৯০২
৭৩ সার্বিয়া ৩৩,৪৭৯ ৭৪৯ ৩১,৫৩৬
৭৪ এল সালভাদর ২৮,৯৮১ ৮৩৯ ২৩,৬৮৫
৭৫ ডেনমার্ক ২৭,৪৬৪ ৬৫০ ২০,৩২০
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৭,২২৬ ৮৪৩ ২০,৩২২
৭৭ অস্ট্রেলিয়া ২৭,০৭৮ ৮৮৬ ২৪,৭১৮
৭৮ হাঙ্গেরি ২৫,৫৬৭ ৭৫৭ ৫,১৭৩
৭৯ দক্ষিণ কোরিয়া ২৩,৮১২ ৪১৩ ২১,৫৯০
৮০ ক্যামেরুন ২০,৮৩৮ ৪১৮ ১৯,৪৪০
৮১ বুলগেরিয়া ২০,৫৪৭ ৮১৩ ১৪,৪৮৯
৮২ আইভরি কোস্ট ১৯,৬৬৯ ১২০ ১৯,২৪১
৮৩ গ্রীস ১৮,১২৩ ৩৮৮ ৯,৯৮৯
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৭,৭৮৬ ৭৩৭ ১৪,৮০১
৮৫ তিউনিশিয়া ১৭,৪০৫ ২৪৬ ৫,০৩২
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৬,৩৮০ ২৭৫ ১৪,৯৪৭
৮৭ মাদাগাস্কার ১৬,৩৭৭ ২২৯ ১৫,১৩৯
৮৮ সেনেগাল ১৪,৯৪৫ ৩১০ ১২,৩৩৫
৮৯ জাম্বিয়া ১৪,৭১৫ ৩৩২ ১৩,৯৩৭
৯০ নরওয়ে ১৩,৯১৫ ২৭৪ ১১,১৯০
৯১ সুদান ১৩,৬৪০ ৮৩৬ ৬,৭৬৪
৯২ আলবেনিয়া ১৩,৫১৮ ৩৮৪ ৭,৭৩২
৯৩ মায়ানমার ১২,৪২৫ ২৮৪ ৩,৩৯১
৯৪ নামিবিয়া ১১,১৪০ ১২১ ৮,৯৩৭
৯৫ মালয়েশিয়া ১১,১৩৫ ১৩৪ ৯,৯৩৯
৯৬ গিনি ১০,৬৩৪ ৬৬ ৯,৯৬০
৯৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৬৩১ ২৭২ ১০,১২৯
৯৮ মন্টিনিগ্রো ১০,৫৭৫ ১৬৪ ৭,০০২
৯৯ মালদ্বীপ ১০,১৯৪ ৩৪ ৯,০৩৭
১০০ জর্ডান ১০,০৪৯ ৫৭ ৪,৪৯৬
১০১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৯২৯ ৬৬ ৯,৫৬৯
১০২ ফিনল্যাণ্ড ৯,৮৯২ ৩৪৫ ৭,৮৫০
১০৩ তাজিকিস্তান ৯,৭২৬ ৭৫ ৮,৫৩১
১০৪ স্লোভাকিয়া ৯,৫৭৪ ৪৫ ৪,৩২৯
১০৫ গ্যাবন ৮,৭৫২ ৫৪ ৭,৯৫৫
১০৬ হাইতি ৮,৭৪০ ২২৭ ৬,৭৫৭
১০৭ মোজাম্বিক ৮,৫৫৬ ৫৯ ৫,২০৫
১০৮ লুক্সেমবার্গ ৮,৪৩১ ১২৪ ৭,১৪০
১০৯ উগান্ডা ৮,০১৭ ৭৫ ৪,০৩৩
১১০ জিম্বাবুয়ে ৭,৮৩৭ ২২৮ ৬,১২২
১১১ মৌরিতানিয়া ৭,৪৮৮ ১৬১ ৭,১১১
১১২ জ্যামাইকা ৬,৪০৮ ১০১ ১,৭৭০
১১৩ কেপ ভার্দে ৫,৯০০ ৫৯ ৫,২২৮
১১৪ জর্জিয়া ৫,৮৬৬ ৩৬ ২,৩২৪
১১৫ মালাউই ৫,৭৭২ ১৭৯ ৪,২৪৫
১১৬ কিউবা ৫,৫৩১ ১২২ ৪,৮৬৬
১১৭ স্লোভেনিয়া ৫,৪৮৭ ১৪৯ ৩,৬৮২
১১৮ ইসওয়াতিনি ৫,৪৬২ ১০৮ ৪,৮৫৯
১১৯ জিবুতি ৫,৪১৬ ৬১ ৫,৩৪৪
১২০ নিকারাগুয়া ৫,১৭০ ১৫১ ২,৯১৩
১২১ হংকং ৫,০৮০ ১০৫ ৪,৮০৭
১২২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৩০ ৮৩ ৪,৭৬৯
১২৩ কঙ্গো ৫,০০৮ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২৪ অ্যাঙ্গোলা ৪,৯০৫ ১৭৯ ১,৮৩৩
১২৫ সুরিনাম ৪,৮৬৩ ১০৪ ৪,৬৭৬
১২৬ রুয়ান্ডা ৪,৮৩৬ ২৯ ৩,১২৫
১২৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮০৬ ৬২ ১,৮৪০
১২৮ লিথুনিয়া ৪,৫৮৭ ৯২ ২,৩৪৯
১২৯ গুয়াদেলৌপ ৪,৪৮৭ ৪২ ২,১৯৯
১৩০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪,৪৬৩ ৭৪ ২,৪৫৪
১৩১ সিরিয়া ৪,১৪৮ ১৯৭ ১,০৮৮
১৩২ আরুবা ৩,৯৩৪ ২৬ ৩,১৮১
১৩৩ বাহামা ৩,৯০৩ ৯১ ২,০৭২
১৩৪ রিইউনিয়ন ৩,৮৮২ ১৫ ২,৮১৯
১৩৫ সোমালিয়া ৩,৫৮৮ ৯৯ ২,৯৪৬
১৩৬ গাম্বিয়া ৩,৫৭৯ ১১২ ২,১৬১
১৩৭ থাইল্যান্ড ৩,৫৬৪ ৫৯ ৩,৩৭৪
১৩৮ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩৯ শ্রীলংকা ৩,৩৭৪ ১৩ ৩,২৩০
১৪০ এস্তোনিয়া ৩,৩১৫ ৬৯ ২,৫৬৪
১৪১ বতসোয়ানা ৩,১৭২ ১৬ ৭১০
১৪২ মালি ৩,১০১ ১৩১ ২,৪৪৩
১৪৩ মালটা ৩,০৩৫ ৩৪ ২,৪৮৪
১৪৪ গায়ানা ২,৮৪৬ ৭৮ ১,৬৪৪
১৪৫ দক্ষিণ সুদান ২,৭০০ ৪৯ ১,২৯০
১৪৬ আইসল্যান্ড ২,৬৯৫ ১০ ২,১৬১
১৪৭ বেনিন ২,৩৪০ ৪০ ১,৯৬০
১৪৮ গিনি বিসাউ ২,৩২৪ ৩৯ ১,৫৪৯
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,২২২ ৭২ ১,৬৮৫
১৫০ উরুগুয়ে ২,০৩৩ ৪৮ ১,৭৭১
১৫১ বুর্কিনা ফাঁসো ২,০৩২ ৫৮ ১,৩০৯
১৫২ ইয়েমেন ২,০৩১ ৫৮৭ ১,২৭৫
১৫৩ এনডোরা ১,৯৬৬ ৫৩ ১,২৬৫
১৫৪ বেলিজ ১,৯৪৩ ২৬ ১,২২৫
১৫৫ নিউজিল্যান্ড ১,৮৩৬ ২৫ ১,৭৬৭
১৫৬ টোগো ১,৭৫৯ ৪৮ ১,৩৪১
১৫৭ সাইপ্রাস ১,৭৪৩ ২২ ১,৩৬৯
১৫৮ লাটভিয়া ১,৭২৯ ৩৭ ১,৩০৭
১৫৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,৭২৮ ১,৪৩১
১৬০ লেসোথো ১,৫৭৬ ৩৫ ৮৭৩
১৬১ লাইবেরিয়া ১,৩৪৩ ৮২ ১,২২১
১৬২ মার্টিনিক ১,২৯০ ২০ ৯৮
১৬৩ নাইজার ১,১৯৬ ৬৯ ১,১১০
১৬৪ চাদ ১,১৯৩ ৮৫ ১,০০৭
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৯৪ ৩৫ ১,০০৭
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৭৬
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৮৬ ৬৪২
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৬৪ ৪৮ ৬০০
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৬৫৯ ২২ ৫৫৭
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৩৪ ৫১৬
১৭২ তাইওয়ান ৫১৩ ৪৮২
১৭৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৪ বুরুন্ডি ৫০৬ ৪৭২
১৭৫ কমোরস ৪৭৯ ৪৬৪
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৬৩ ৪২৮
১৭৭ জিব্রাল্টার ৩৯১ ৩৪২
১৭৮ সেন্ট মার্টিন ৩৮৩ ২৭৩
১৭৯ ইরিত্রিয়া ৩৭৫ ৩৪১
১৮০ কিউরাসাও ৩৭০ ১৫৭
১৮১ মরিশাস ৩৬৭ ১০ ৩৪৩
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩৪০ ২৪ ৩১৫
১৮৩ মঙ্গোলিয়া ৩১৩ ৩০৫
১৮৪ ভুটান ২৮১ ২১৯
১৮৫ কম্বোডিয়া ২৭৭ ২৭৫
১৮৬ মোনাকো ২১৪ ১৭৮
১৮৭ কেম্যান আইল্যান্ড ২১১ ২০৮
১৮৮ বার্বাডোস ১৯০ ১৭৮
১৮৯ বারমুডা ১৮১ ১৬৭
১৯০ ব্রুনাই ১৪৬ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪৩ ১৪০
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৮ ১১৩
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১০৬ ২৪
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১০১ ৯২
১৯৫ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৬৬
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৭ সেন্ট বারথেলিমি ৪৮ ২৫
১৯৮ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৯ ফিজি ৩২ ২৮
২০০ ডোমিনিকা ৩০ ২৪
২০১ পূর্ব তিমুর ২৮ ৩১
২০২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৬
২০৩ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৭
২০৪ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৫ লাওস ২৩ ২২
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৭
২০৭ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৯ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]