করোনায় আজান-জামাআত-জুমআ নিয়ে ইসলাম কী বলে?

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৩২ পিএম, ২৫ মার্চ ২০২০

প্রাণঘাতি মহামারি করোনাভাইরাস তথা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৫৯৫ জন। এতে মারা গেছে ১৯ হাজার ৬০৩ জন। মহামারিতে আক্রান্ত ও মৃতের এ সংখ্যা বেশি নয়। কারণ ইতিহাসে এর চেয়েও ভয়ংকর মহামারি সংঘটিত হয়েছিল। সে সময়ও আজানে পরিবর্তন হয়েছিল বন্ধ হয়েছিল জুমআ। পথে-ঘটে ছিল মানুষের লাশের সারি। ইতিহাসের বড় সে মহামারির নাম ছিল ‘আল-মাউতুল আসওয়াদ বা কালো মড়ক’।

বিশ্বজুড়ে আলাচিত বড় এ মহামারি শুরু হয়েছিল ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দে। ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল সে মহামারি। তাতে আক্রান্ত হয়ে দামস্কে একদিনে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৭০ হাজারের মতো।

আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, ‘আল-মাউতুল আসওয়াদ’ নামক মহামারির সূচনাও হয়েছিল চীন থেকে। তাতে বর্তমান সময়ের মতো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ইউরোপ। যেমনটি ঘটছে এবারের কোভি-১৯ এ।

করোনাভাইরাসে চীনে আক্রান্ত হয়েছে ৮১ হাজার ২১৮ জন। আর তাতে মারা গেছে ৩ হাজার ২৮১। অথচ ইউরোপের দেশ ইতালি ও স্পেন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। শুধু ইতালিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৯ হাজার ১৭৬ জন হলেও তাদের দেশে মারা গেছে ৬ হাজার ৮২০ জন। আর স্পেনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ হাজার ৬১০ হলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৩৪ জনে।

১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দের সে মহামারিতে মিসরের আলেক্সান্ডারে একদিনে মারা গিয়েছিল ২০ হাজার মানুষ। তথ্য প্রযুক্তির এ যুগের মতো সে সময় আধুনিক জরিপ না থাকলে ঐতিহাসিক তথ্য মতে ‘আল-মাউতুল আসওয়াদ’ নামক মহামারিতে সে সময় পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল বলে ধারণা করা হয়।

‘আল-মাউতুল আসওয়াদ’ নিয়ে ‘বাযলুল মাউন ফি ফাজলিত তাউন’ নামক একটি বিখ্যাত কিতাব লিখেছেন বিখ্যাত ইসলামিক ব্যক্তিত্ব আল্লামা হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি। সে মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে তার ২ কন্যাও মারা গিয়েছিল।

তাই মহামারি কোভিড-১৯ নিয়ে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ এ মহামারি যে দীর্ঘদিন ব্যাপী হবে না এ নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। কারণ যেখানে এর প্রতিষেধক তৈরিতে সময় লাগবে প্রায় এক বছর বলে জানা যায়।

সুতরাং করোনাভাইস সম্পর্কে সচেতন হওয়া খুবই জরুরি। আর তাতে আজান ও নামাজ আদায়ে অনুসরণ করতে হবে ইসলামের দিক নির্দশনা। যে নির্দেশনা এসেছে বিশ্বনবির হাদিস ও ইসলামিক স্কলারদের বক্তব্যে।

বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহামারির (প্লেগ) কারণে ‘লকডাউন’ ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন-

‘তোমরা যখন কোনো এলাকায় মহামারি প্লেগের বিস্তারের কথা শুনো, তখন সেখানে প্রবেশ করো না। আর যদি কোনো এলাকায় এর প্রাদুর্ভাব নেমে আসে, আর তোমরা সেখানে থাকো, তাহলে সেখান থেকে বেরিয়েও যেও না।’ (বুখারি)

হাদিসের নির্দেশনা মেনে বর্তমান সময়ে মহামারি করোনায় সতর্কতাবশতঃ সবার যেমন এদিক-সেদিক অবাধ যাতায়াত করা কোনোভাবেই ঠিক নয় তেমনি মহামারির সময় নামাজের জামাআত, জুমআ এবং আজানের ব্যাপারেও হাদিসের নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি।

ইসলামি শরিয়তে দৃষ্টিতে মহামারি আক্রান্ত অঞ্চলে আজান ও নামাজের ব্যাপারে শরিয়তের নির্দেশনা মানুষকে সুস্পষ্টভাবে জানানো খুবই জরুরি। এ নিয়ে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।

কেননা দামেস্কের মতো বর্তমানে বাংলাদেশ কিংবা অন্য কোনো দেশে যদি একদিনে ২০ হাজার কিংবা ৭০ হাজার মানুষ মারা যায় তবে তা সামাল দেবে কে?

মহামারি সম্পর্কে ইবনে বতুতার বর্ণনা
বিশ্ববিখ্যাত দেশ ভ্রমণকারী ইবনে বতুতা সাড়ে ৭শ হিজরি সালে সংঘটিত মহামারি ‘আল-মাউতুল আসওয়াদ’ সম্পর্কে বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন-
‘সে সময় মহামারি আক্রান্ত হয়ে পথে-ঘাটে মানুষের মরা দেহ পড়ে ছিল। আকাশে শকুন দলবদ্ধ হয়ে উড়েছিল। বড় বড় গর্ত করে এসব লাশ দাফন করা হয়েছিল। সে সময় মুসলমানরা কুরআন হাতে পথে বেরিয়ে পড়েছিল। মহামারি আক্রান্ত অঞ্চলে একাধারে তারা ৩দিন রোজা পালন করেছিল ‘

আবার খ্রিস্টনরা বাইবেল হাতে, ইয়াহুদিরা তাওরাত হাতে পথে নেমে এসেছিল। সম্মিলিতভাবে সবাই মহান প্রভুর কাছে মহামারি থেকে মুক্তি প্রার্থণা করেছিল। অবশেষে আল্লাহ তাআলা রহম করেন।

সে কারণে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক হয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করা ও ইসলামি শরিয়তের দিকনির্দেশনা মেনে চলে মহামারি থেকে আত্মরক্ষা করা জরুরি। এসব ক্ষেত্রে কোনো বক্তা বা আলোচকের কথা বা ব্যক্তিগত একক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা কোনোভাবেই উচিত হবে না।

সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদ, বিশ্বের অনেক বড় বড় ইসলামিক স্কলার ও দাঈগণ নামাজ ও মসজিদে জুমআ ও জামাআতের ব্যাপারে দিয়েছেন দিকনির্দেশনা। অনেকে আবার রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। যা বাংলাদেশের জন্যও অনেক বেশি প্রযোজ্য।

কারণ, উন্নত বিশ্বে প্রচুর চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জমাদি থাকার পরেও ক্ষমতাধর শক্তিশালী রাষ্ট্র চীন, ইতালি, ইরান, স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ এ ভাইরাস প্রতিরোধে বেসামাল। সে তুলনায় প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ ততটা শক্তিশালী নয়।

এ পরিস্থিতিতে মসজিদে নামাজের জামাআত, জুমআ আদায় নিয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কিংবা বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে মসজিদে জামাআত ও ব্যাপক উপস্থিতি রোধ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক ও গরম বক্তব্য দেয়া খুবই হাস্যকর ব্যাপার। বরং এ থেকে সাধারণ মানুষকে বুঝানো ও সতর্ক করাই আলেম-ওলামাদের একান্ত দায়িত্ব ও ঈমানি কর্তব্য।

মহামারিতে আজান, জামাআত ও জুমআয় ইসলামের দিক নির্দেশনা
ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে মহামারি আক্রান্ত অঞ্চলে আজান দেয়া, নামাজের জামাআত অনুষ্ঠিত হওয়া কিংবা জুমআ অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে করণীয় কী হতে পারে? এ সব ক্ষেত্রে নির্দেশনাই বা কী?

সম্প্রতি সময়ে সর্ব প্রথম কুয়েতের মসজিদে আজানের শব্দ পরিবর্তন করে ঘরে নামাজ পড়ার কথা বলা হয়েছে। তারপর আরব আমিরত অতপর সৌদি আরও একই পথ অনুসরণ করেছে।

এ দেশগুলো আজানের ‘হাইয়্যা আলাস-সালহ’ এর পরিবর্তে দুইটি শব্দ ব্যবহার করেছে। কেউ বলেছেন- আসালাতু ফি বুয়ুতিকুম, আবার কেউ বলেছে ‘সাল্লু ফি রিহালিকুম’ শব্দগুলোর অর্থ হলো বাড়িতে অবস্থান করে নামাজ পড়ুন।

কুয়েত কিংবা সৌদির আজানের শব্দে এ পরিবর্তন ইসলাম বিরোধী নয় বরং হাদিসের নির্দেশনারই অনুসরণ। এ ব্যাপারে হাদিসের নির্দেশনা হলো-
হজরত নাফি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন, প্রচণ্ড এক শীতের রাতে হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যাজনান নামক স্থানে আজান দিলেন। অতপর তিনি ঘোষণা করলেন- صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ
‘সাল্লু ফি রিহালিকুম’ অর্থাৎ তোমরা আবাস স্থলেই নামাজ আদায় করে নাও।’

পরে তিনি আমাদের জানালেন যে, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘লাইহি ওয়া সাল্লাম সফরের অবস্থায় বৃষ্টি অথবা তীব্র শীতের রাতে মুয়াজ্জিনকে আজান দিতে বললেন এবং সাথে সাথে এ কথাও ঘোষণা করতে বললেন যে, তোমরা নিজ বাসস্থলে সালাত আদায় কর।’ (বুখারি, মুসলিম, মুসনাদে আহমদ)

সব মাজহাবেই সমস্যার আলোকে আজানের শেষে কিংবা মাঝে শব্দ পরিবর্তন করে হাদিসের অনুসরণে আজান দেয়ায় কোনো সমস্যা নেই।

আবার দুর্যোগের কারণে মসজিদের জামাআতে নামাজ ত্যাগের যেমন অবকাশ আছে তেমনি প্রয়োজনে মসজিদে জুমআ বন্ধ রাখার নির্দেশ আসলেও সেটা পালনে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে তা অসম্ভব নয়।

আবার হানাফি মাজহাবে জুমআ আদায়ের জন্য যেমন মসজিদ শর্ত নয় আবার বড় জামাআতও শর্ত নয়। ইমাম আবু ইউসুফ রাহমাতুল্লাহি আলাইহির মতে, ইমাম ছাড়া ২ জন থাকলেই জুমআ আদায় করা যায়।

সুতরাং করোনায় খারাপ পরিস্থিতির শিকার হলে প্রত্যেকেই যার যার বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জুমআ আদায় করে নিতে পারবেন।

সতর্কতা
মসজিদে নামাজের জামাআত কিংবা জুমআ আদায় নিয়ে এসবই ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই বলা। রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘লকডাউন’ কিংবা মসজিদে ব্যাপক উপস্থিতির ব্যাপারে দিকনির্দেশনা আসলে তা পালনই হবে একান্ত জরুরি।

সুতরাং বাংলাদেশে যদি মহামারি করোনা ব্যাপক আকার ধারণ করে কিংরা রাষ্ট্রীয়ভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে কিংবা করোনা প্রতিরোধে আজান, মসজিদে জামাআত কিংবা জুমআ আদায়ের ব্যাপারে কোনো দিকনির্দেশনা দেয়, তা নিয়ে বিতর্ক না করে সরকারের সিদ্ধান্তে সহযোগিতা হবে কল্যাণকর কাজ। আর তা হবে হাদিসের দিক-নির্দেশনারও অনুসরণ।

কেননা মহামারি করোনা যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় আর তা চীন, ইতালি, স্পেন, ইরান, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্রে মতো অবস্থায় গিয়ে দাঁড়ায় তবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যেমন দুষ্কর হয়ে যাবে আর তখন সতর্কতা অবলম্বনও কোনো কাজে আসবে না।

সুতরাং আজানের শব্দ পরিবর্তন, মসজিদে জামাআত এবং জুমআ নিয়ে অযথা তর্ক-বিতর্ক নয় বরং মহামারি করোনায় রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত যথাযথ মেনে জনসমাগম এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর বেশি বেশি আল্লাহমুখী হওয়া, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং পাপাচার ও অন্যায় বন্ধ করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসাই মুমিন মুসলমানের একান্ত করণীয় কাজ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে করোনা প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় সব সিদ্ধান্তের আলোকে ইসলামের নির্দেশনাগুলো যথাযথ পালনের মাধ্যমে মহামারি থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৭,৩৮,৫৬২
আক্রান্ত

৩৫,০০৬
মৃত

১,৫৬,৩১৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৯ ১৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৪২,৭৯৩ ২,৪৯০ ৪,৫৬২
ইতালি ৯৭,৬৮৯ ১০,৭৭৯ ১৩,০৩০
স্পেন ৮৫,১৯৫ ৭,৩৪০ ১৬,৭৮০
চীন ৮১,৪৭০ ৩,৩০৪ ৭৫,৭০০
জার্মানি ৬৩,০৭৯ ৫৪৫ ৯,২১১
ইরান ৪১,৪৯৫ ২,৭৫৭ ১৩,৯১১
ফ্রান্স ৪০,১৭৪ ২,৬০৬ ৭,২০২
যুক্তরাজ্য ১৯,৫২২ ১,২২৮ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৫,৪৭৫ ৩২৭ ১,৮২৩
১১ বেলজিয়াম ১১,৮৯৯ ৫১৩ ১,৫২৭
১২ নেদারল্যান্ডস ১১,৭৫০ ৮৬৪ ২৫০
১৩ দক্ষিণ কোরিয়া ৯,৬৬১ ১৫৮ ৫,২২৮
১৪ তুরস্ক ৯,২১৭ ১৩১ ১০৫
১৫ অস্ট্রিয়া ৯,২০০ ১০৮ ৬৩৬
১৬ পর্তুগাল ৬,৪০৮ ১৪০ ৪৩
১৭ কানাডা ৬,৩২০ ৬৫ ৫৭৩
১৮ নরওয়ে ৪,৩৯৩ ৩১ ১২
১৯ ইসরায়েল ৪,৩৪৭ ১৬ ১৩৪
২০ ব্রাজিল ৪,৩১৬ ১৩৯ ১২০
২১ অস্ট্রেলিয়া ৪,২৪৫ ১৮ ২৪৪
২২ সুইডেন ৪,০২৮ ১৪৬ ১৬
২৩ মালয়েশিয়া ২,৬২৬ ৩৭ ৪৭৯
২৪ আয়ারল্যান্ড ২,৬১৫ ৪৬
২৫ ডেনমার্ক ২,৫৫৫ ৭৭
২৬ চিলি ২,১৩৯ ৭৫
২৭ পোল্যান্ড ১,৯৮৪ ২৬
২৮ রোমানিয়া ১,৯৫২ ৪৬ ২০৬
২৯ লুক্সেমবার্গ ১,৯৫০ ২১ ৪০
৩০ ইকুয়েডর ১,৯২৪ ৫৮
৩১ জাপান ১,৮৬৬ ৫৪ ৪২৪
৩২ রাশিয়া ১,৮৩৬ ৬৬
৩৩ পাকিস্তান ১,৬২৫ ২০ ২৯
৩৪ ফিলিপাইন ১,৫৪৬ ৭৮ ৪২
৩৫ থাইল্যান্ড ১,৫২৪ ২২৯
৩৬ সৌদি আরব ১,৪৫৩ ৬৬
৩৭ ইন্দোনেশিয়া ১,৪১৪ ১২২ ৭৫
৩৮ ফিনল্যাণ্ড ১,৩৫২ ১৩ ১০
৩৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,২৮০ ৩১
৪০ গ্রীস ১,১৫৬ ৩৯ ৫২
৪১ ভারত ১,০৭১ ২৯ ১০০
৪২ আইসল্যান্ড ১,০২০ ১৩৫
৪৩ মেক্সিকো ৯৯৩ ২০ ৩৫
৪৪ পানামা ৯৮৯ ২৪
৪৫ সিঙ্গাপুর ৮৭৯ ২২৮
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৮৫৯ ৩৯
৪৭ পেরু ৮৫২ ১৮ ১৬
৪৮ আর্জেন্টিনা ৮২০ ২২ ৯১
৪৯ ক্রোয়েশিয়া ৭৯০ ৬৭
৫০ স্লোভেনিয়া ৭৫৬ ১১ ১০
৫১ সার্বিয়া ৭৪১ ১৫ ৪২
৫২ এস্তোনিয়া ৭১৫ ২০
৫৩ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১০ ৬০৩
৫৪ কলম্বিয়া ৭০২ ১০ ১০
৫৫ কলম্বিয়া ৭০২ ১০ ১০
৫৬ হংকং ৬৪২ ১১৮
৫৭ কাতার ৬৩৪ ৪৮
৫৮ মিসর ৬০৯ ৪০ ১৩২
৫৯ নিউজিল্যান্ড ৫৮৯ ৬৩
৬০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫৭০ ৫৮
৬১ ইরাক ৫৪৭ ৪২ ১৪৩
৬২ মরক্কো ৫১৬ ২৯ ১৪
৬৩ বাহরাইন ৫১৫ ২৭৯
৬৪ আলজেরিয়া ৫১১ ৩১ ৩১
৬৫ লিথুনিয়া ৪৮৪
৬৬ আর্মেনিয়া ৪৮২ ৩০
৬৭ ইউক্রেন ৪৮০ ১১
৬৮ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৬৯ হাঙ্গেরি ৪৪৭ ১৫ ৩৪
৭০ লেবানন ৪৪৬ ১১ ৩২
৭১ লাটভিয়া ৩৭৬
৭২ বুলগেরিয়া ৩৫৪ ১৫
৭৩ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩৫৪ ১৭
৭৪ স্লোভাকিয়া ৩৩৬
৭৫ এনডোরা ৩৩৪
৭৬ কোস্টারিকা ৩১৪
৭৭ তিউনিশিয়া ৩১২
৭৮ তাইওয়ান ৩০৬ ৩৯
৭৯ উরুগুয়ে ৩০৪
৮০ কাজাখস্তান ২৯৪ ২০
৮১ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৮৫ ১২
৮৩ আজারবাইজান ২৭৩ ২৬
৮৪ কুয়েত ২৬৬ ৭২
৮৫ মলদোভা ২৬৩ ১৩
৮৬ জর্ডান ২৫৯ ১৮
৮৭ সান ম্যারিনো ২৩০ ২৫ ১৩
৮৮ আলবেনিয়া ২২৩ ১১ ৪৪
৮৯ বুর্কিনা ফাঁসো ২২২ ১২ ২৩
৯০ সাইপ্রাস ২১৪ ১৫
৯১ ভিয়েতনাম ২০৩ ৫৫
৯২ রিইউনিয়ন ১৮৩
৯৩ ওমান ১৭৯ ২৯
৯৪ ফারে আইল্যান্ড ১৬৮ ৭০
৯৫ আইভরি কোস্ট ১৬৫
৯৬ সেনেগাল ১৬২ ২৭
৯৭ মালটা ১৫৬
৯৮ ঘানা ১৫২
৯৯ উজবেকিস্তান ১৪৯
১০০ ক্যামেরুন ১৩৯
১০১ হন্ডুরাস ১৩৯
১০২ কিউবা ১৩৯
১০৩ ব্রুনাই ১২৭ ৩৮
১০৪ শ্রীলংকা ১২২ ১৫
১০৫ আফগানিস্তান ১২০
১০৬ ভেনেজুয়েলা ১১৯ ৩৯
১০৭ ফিলিস্তিন ১১৫ ১৮
১০৮ নাইজেরিয়া ১১১
১০৯ কম্বোডিয়া ১০৭ ২১
১১০ গুয়াদেলৌপ ১০৬ ১৭
১১১ জর্জিয়া ৯৮ ১৮
১১২ বলিভিয়া ৯৬
১১৩ বেলারুশ ৯৪ ৩২
১১৪ কিরগিজস্তান ৯৪
১১৫ মার্টিনিক ৯৩
১১৬ মন্টিনিগ্রো ৯১
১১৭ মায়োত্তে ৮২ ১০
১১৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭৮
১১৯ রুয়ান্ডা ৭০
১২০ জিব্রাল্টার ৬৫ ১৪
১২১ প্যারাগুয়ে ৬৪
১২২ লিচেনস্টেইন ৬২
১২৩ কেনিয়া ৫০
১২৪ আরুবা ৫০
১২৫ মোনাকো ৪৬
১২৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩
১২৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩
১২৮ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১২৯ ম্যাকাও ৩৮ ১০
১৩০ গুয়াতেমালা ৩৬ ১০
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩৫
১৩২ জ্যামাইকা ৩৪
১৩৩ বার্বাডোস ৩৩
১৩৪ গুয়াম ৩২
১৩৫ টোগো ৩০
১৩৬ ইথিওপিয়া ২৩
১৩৭ নাইজার ২২
১৩৮ কঙ্গো ১৯
১৩৯ তানজানিয়া ১৯
১৪০ মালদ্বীপ ১৭ ১৩
১৪১ গিনি ১৬
১৪২ বাহামা ১৪
১৪৩ মঙ্গোলিয়া ১২
১৪৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২
১৪৫ কেম্যান আইল্যান্ড ১২
১৪৬ নামিবিয়া ১১
১৪৭ ডোমিনিকা ১১
১৪৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৪৯ সেন্ট লুসিয়া
১৫০ সুরিনাম
১৫১ সিসিলি
১৫২ গায়ানা
১৫৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৪ গ্যাবন
১৫৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৬ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৭ সুদান
১৫৮ বেনিন
১৫৯ ভ্যাটিকান সিটি
১৬০ নেপাল
১৬১ মৌরিতানিয়া
১৬২ মন্টসেরাট
১৬৩ ভুটান
১৬৪ গাম্বিয়া
১৬৫ তাজিকিস্তান
১৬৬ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৭ লাইবেরিয়া
১৬৮ সোমালিয়া
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭১ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১৭২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।