মুমিনের বিশেষ আমলে কাটুক জুমআর দিন

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৪২ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০২০

বৈশ্বিক মহামারি করোনা আক্রান্ত পুরো বিশ্ব। কোভিড-১৯ এ বিপর্যস্ত মানুষ ঘরবন্দি। ঘরের অবসর সময় হয়ে ওঠুক আমল-ইবাদতের জন্য উপযুক্ত সময়। মুমিন মুসলমানের সপ্তাহিক ইবাদতের দিনটি কাটুক বিশেষ আমলে। যে আমলে রয়েছে গোনাহ মাফের হাতছানি।

জুমআর দিনের ফজিলত ও আমল সম্পর্কে রয়েছে হাদিসের অনেক নির্দেশনা। সে কারণে জুমআর দিনে রয়েছে বিশেষ কিছু করণীয়। হাদিসে এসেছে-
রাসলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো পুরুষ যখন জুমআর দিন গোসল করে, সাধ্যমতো পবিত্রতা অর্জন করে, ঘরে যে সুগন্ধি আছে বা তেল আছে তা ব্যবহার করে, তারপর (জুমআ’র জন্য) বের হয় এবং (বসার জন্য) দুই জনকে আলাদা করে না, এরপর সাধ্যমত নামাজ পড়ে এবং ইমাম যখন কথা বলে তখন চুপ থাকে, তাহলে এক জুমআ থেকে অন্য জুমআ পর্যন্ত তার (গোনাহ) মাফ করা হয়।’ (বুখারি)

মহামারি করোনার কারণে দেশের সব মসজিদে জুমআ অনুষ্ঠিত হওয়ার ওপর রয়েছে সীমাবদ্ধতা। তা সত্ত্বেও যদি জুমআর দিন জোহরের প্রস্তুতিতেও উল্লেখিত আমলগুলো করা হয় তাতে পাওয়া যাবে এ সাওয়াব। এ ফজিলত ও সাওয়াবগুলো জুমআর দিনের জন্য নির্ধারিত।

জুমআ অনুষ্ঠিত না হলে এ সময়ে নামাজের অপেক্ষা এবং ধর্মীয় বিষয় নিয়ে পড়াশোনা, কুরআন তেলাওয়াত এবং অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগিতেও পাওয়া যাবে ফজিলত।

এ ছাড়াও জুমআর দিনে রয়েছে বিশেষ ৩টি আমল। এ আমলে আল্লাহ তাআলা বান্দার গোনাহ মাফ করে দেন। আর যার গোনাহ মাফ করা হয় তার জন্য থাকে না কোনো মহামারি কিংবা বিপদ।

জুমআর দিনের বিশেষ ৩ আমল
মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের এ অবসর সময়ে মুসলিম উম্মাহর জন্য জুমআর দিনের বিশেষ আমলগুলো পালন করা সহজ ও সময়ের দাবি। আর তাহলো-

>> সুরা কাহফ তেলাওয়াত
কুরআনুল কারিমের ১৮তম সুরা এটি। মক্কায় অবতীর্ণ ১২ রুকুর ১১০ আয়াত বিশিষ্ট সুরা কাহফ। জুমআর দিন এ সুরাটি তেলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত। হাদিসে এসেছে-
- হজরত সাহাল ইবনে মুআয রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম ও শেষ আয়াতগুলো পাঠ করবে; তার পা থেকে মাথা পর্যন্ত একটি নূর হয়ে যায়। আর যে পূর্ণ সুরা তেলাওয়াত করে তার জন্য জমিন থেকে আসমান পর্যন্ত নূর হয়ে যায়। (মুসনাদে আহমদ)

- হজরত আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যে সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্ত করবে; সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। অন্য রেওয়ায়েতে শেষ ১০ আয়াতের ব্যাপারে উল্লিখিত ফজিলতের বর্ণনা রয়েছে। (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ ও মুসনাদে আহমদ)

- হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহফ পাঠ করবে তার জন্য এক জুমআ থেকে অপর (পরবর্তী) জুমআ পর্যন্ত নূর হবে।

- হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, সে আটদিন পর্যন্ত সর্বপ্রকার ফেতনা থেকে মুক্ত থাকবে। যদি দাজ্জাল বের হয় তবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকেও মুক্ত থাকবে।

- অন্য রেওয়ায়েতে আছে এক জুমআ থেকে অপর জুমআ পর্যন্ত তার সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। তবে উল্লিখিত গুনাহ মাফ হওয়ার দ্বারা সগিরা গুনাহ উদ্দেশ্য। কারণ ওলামায়ে কেরামের ঐকমত্য হচ্ছে যে, কবিরা গোনাহ তওবা করা ছাড়া ক্ষমা হয় না।

সুতরাং জুমআর দিন সুরা কাহফ তেলাওয়াত করে মহান আল্লাহর কাছে তাওবাহ করে ছোট-বড় সব গোনাহ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করে গোনাহমুক্ত জীবন লাভ করা যেতে পারে। এর মাধ্যম বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার প্রার্থনাও আল্লাহ কবুল করে নিতে পারেন।

>> বিশ্বনবির প্রতি বেশি বেশি দরূদ পড়া
জুমআর দিনে বেশি বেশি দরূদ পাঠ করা উত্তম ও ফজিলতপূর্ণ। যদি কোনো ব্যক্তি একবার দরূদ পড়ে তবে তার প্রতি ১০টি রহমত নাজিল হয়। ৮০ বছরের গোনাহ মাফ হবে এবং ৮০ বছর ইবাদতের সওয়াব তার আমলনামায় লেখা হয়। হাদিসে এসেছে-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি জুমআর দিন আসরের নামাজের পর নিজ স্থান থেকে ওঠার আগে ৮০ বার এ দরূদ পাঠ করে-
اَللَّهُمَّ صَلِّى عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الْاُمِّىِّ وَ ألَ ألِهِ وَ سَلِّم تَسْلِيْمًا
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আ’লা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আ’লা আলিহি ওয়া সাল্লিম তাসলিমা।’

তার ৮০ বছরের পাপ ক্ষমা হয়ে যায় এবং ৮০ বছরের ইবাদতের সওয়াব তার আমলনামায় লেখা হয়।’ (আফজালুস সালাওয়াত)

>> দোয়া কবুলের বিশেষ সময়
জুমআর দিন দোয়া কবুলের জন্য রয়েছে বিশেষ সময় বা বিশেষ একটা মুহূর্ত। এ সময় আল্লাহর কাছে বান্দা যা চায় আল্লাহ বান্দাকে তাই দিয়ে দেন। অনেকে এ সময়টিকে বলেছেন আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়। আবার কেউ কেউ খোতবার মুহূর্তকেও ইঙ্গিত করেছেন।

মহামারি করোনার কারণে ঘরে অবস্থানকালে অবসরের এ সময়ে ইবাদত-বন্দেগিতে ব্যয় করে মহামারি ও রোগ-ব্যধি থেকে মুক্ত থাকতে এ দোয়া করা যেতে পারে।

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমআর দিনের কথা আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন- ‘এদিনে একটা সময় আছে, মুসলিম বান্দা একাগ্র হয়ে নাছোড়বান্দার মতো, আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করতে থাকলে, তিনি তাকে (যা চান তাই) দিয়ে দেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একথা বলার পর, হাত দিয়ে ইশারা দিয়ে বুঝিয়েছেন, দোয়া কবুলের সেই সময়টা খুব দীর্ঘ নয়। স্বল্পমেয়াদী।’ (বুখারি)

তাহলে সময়টা কখন?
এ সময়ে ব্যাপারে জানার জন্য সাহাবায়ে কেরামের মধ্যেও ছিল কৌতূহল ছিল। এ সময়টি নিয়ে অনুসন্ধান করেছেন অনেক বড় বড় সাহাবি। হাদিসে কয়েকটা সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

- প্রথম সময়
হজরত ইবনে ওমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে দেখা হলো হজরত আবু বুরদার। জানতে চাইলেন, আপনার বাবা (আবু মুসা আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জুমআর দিনের বিশেষ সময় সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন?
(আবু দাদরা বললেন) জি, শুনেছি। বাবা বলেছেন, ‘আমি আল্লাহর রাসূলের কাছে শুনেছি, هِيَ مَا بَيْنَ أَنْ يَجْلِسَ الإِمَامُ إِلَى أَنْ تُقْضَى الصَّلاَةُ সে সময়টা হলো, ইমাম মিম্বরে বসার পর থেকে সালাত সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত।’ (মুসলিম)

- দ্বিতীয় সময়
জুমআর দিনের শেষ সময়। হজরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘জুমআর দিন বারো ঘণ্টা। (তার মধ্যে এমন বিশেষ এক ঘণ্টা বা মুহূর্ত আছে) তাতে কোনো মুসলিম বান্দা দোয়া করলে, আল্লাহ তায়ালা তা কবুল করেই নেন। তোমরা সে বিশেষ মুহূর্তকে, আসরের পরে (মাগরিবের আগে) শেষ সময়টাতে অনুসন্ধান কর।’ (আবু দাউদ)
- অন্য হাদিসে এসেছে, ‘সময়টা আসরের পর থেকে সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত।’

- যাদুল মাআ`দ গ্রন্থে এসেছে, ‘এ মর্যাদাবান মুহূর্তটি হলো- জুমআ`র দিন আছরের নামাজ আদায়ের পর (থেকে মাগরিব পর্যন্ত)।’ এ মতে পক্ষে হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণিত একটি দীর্ঘ হাদিস রয়েছে আর তা হলো-

জুমআর দিন সূর্য উদয় হওয়ার পর (দুনিয়ায়) মানুষ এবং জিন ব্যতিত প্রত্যেক প্রাণীই কেয়ামতের ভয়ে আতংকিত থাকে। জুমআর দিনে এমন একটি বরকতময় সময় আছে, যাতে মুসলিম বান্দা নামাজরত অবস্থায় আল্লাহর কাছে যা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ্ তাকে তা দান করবেন।

কা’ব বিন মালিক এ হাদিসের বর্ণনাকারী হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন, এটি কি প্রত্যেক বছরে হয়ে থাকে?

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, বরং তা (এ সময়টি) প্রত্যেক জুমআতেই রয়েছে। অতঃপর কা’ব বিন মালিক তাওরাত (কিতাব) খুলে পাঠ করলেন এবং বললেন, আল্লাহর রাসুল সত্য বলেছেন।

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, অতঃপর আমি (তাওরাত কিতাবের পারদর্শী) হজরত আব্দুল্লাহ বিন সালামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। এবং তাঁকে কা’ব বিন মালিকের সঙ্গে আমার বৈঠকের কথা জানাই। তখন তিনি (হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম) বললেন, আমি সেই সময়টি সম্পর্কেও অবগত আছি।

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তার কাছ থেকে সেই সময়টি সম্পর্কে জানতে চান। তিনি বলেন-
‘এটি (দোয়া কবুলের সেই সময়টি) হচ্ছে জুমআর দিনের শেষ মুহূর্ত।’

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এটি কি করে সম্ভব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো বলেছেন, ‘মুসলিম বান্দা তখন নামাজরত অবস্থায় আল্লাহর কাছে যা চাইবে আল্লাহ্ তাকে তা দান করবেন।’

আর (জুমআর) দিনের শেষ মুহূর্তের সময়টিতে নামাজ পড়া বৈধ নয় (আসর নামাযের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নামায পড়া নিষিদ্ধ)। সুতরাং উহা তো নামাজের সময় নয়।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম তখন বললেন-
‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি বলেন নি যে ব্যক্তি কোনো মজলিসে বসে নামাজের অপেক্ষায় থাকে সে ব্যক্তি নামাজ পড়া (নামাজের ওয়াক্ত হওয়া) পর্যন্ত নামাজেই মশগুল থাকে?

সুতরাং জুমআর দিন ইবাদত-বন্দেগি, কুরআন তেলাওয়াত ও দরূদ পাঠের মাধ্যমে অতিবাহিতহ করা প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব।

মহামারি করোনার এ সময়ে বিশেষ আমলের মাধ্যমে দিনটি অতিবাহিত করে আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা এবং মহামারি থেকে মুক্তি লাভের প্রার্থনা করাই মুমিন একমাত্র কাজ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমআর দিনের বিশেষ এ আমলগুলো যথাযথভাবে আদায় করে ঘোষিত ফজিলত লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,৩২,৬২,৩৯০
আক্রান্ত

১১,৫৭,৭১৩
মৃত

৩,১৮,২৭,৬৪৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৯৮,৮১৫ ৫,৮০৩ ৩,১৫,১০৭
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮৮,৬৯,৮৩১ ২,৩০,২৮৩ ৫৭,৫৫,৭৯৪
ভারত ৭৯,০৯,০৪৯ ১,১৯,০৩০ ৭১,৩৩,৯৯৩
ব্রাজিল ৫৩,৮২,০৮৭ ১,৫৬,৯৫২ ৪৮,১৭,৮৯৮
রাশিয়া ১৫,১৩,৮৭৭ ২৬,০৫০ ১১,৩৮,৫২২
ফ্রান্স ১১,৩৮,৫০৭ ৩৪,৭৬১ ১,০৯,৪৮৬
স্পেন ১১,১০,৩৭২ ৩৪,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
আর্জেন্টিনা ১০,৮১,৩৩৬ ২৮,৬১৩ ৮,৮১,১১৩
কলম্বিয়া ১০,০৭,৭১১ ৩০,০০০ ৯,০৭,৩৭৯
১০ মেক্সিকো ৮,৮৬,৮০০ ৮৮,৭৪৩ ৬,৪৬,৭৩৯
১১ পেরু ৮,৮৬,২১৪ ৩৪,০৯৫ ৮,০৩,৮৪৬
১২ যুক্তরাজ্য ৮,৭৩,৮০০ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,১৫,৮৬৮ ১৮,৯৬৮ ৬,৪৬,১৭০
১৪ ইরান ৫,৬৮,৮৯৬ ৩২,৬১৬ ৪,৫৫,০৫৪
১৫ ইতালি ৫,২৫,৭৮২ ৩৭,৩৩৮ ২,৬৬,২০৩
১৬ চিলি ৫,০২,০৬৩ ১৩,৯৪৪ ৪,৭৮,২৫২
১৭ ইরাক ৪,৫১,৭০৭ ১০,৬২৩ ৩,৮১,৩৪৯
১৮ জার্মানি ৪,৩৭,১২১ ১০,১৩৮ ৩,১৭,০০০
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৩,৮৯,৭১২ ১৩,২৯৯ ৩,১৩,৭৬৪
২০ ফিলিপাইন ৩,৭০,০২৮ ৬,৯৭৭ ৩,২৮,০৩৬
২১ তুরস্ক ৩,৬১,৮০১ ৯,৭৯৯ ৩,১৪,৩৯০
২২ সৌদি আরব ৩,৪৪,৮৭৫ ৫,২৯৬ ৩,৩১,৩৩০
২৩ ইউক্রেন ৩,৪৩,৪৯৮ ৬,৩৯১ ১,৪১,৫০৮
২৪ পাকিস্তান ৩,২৭,৮৯৫ ৬,৭৩৬ ৩,১০,৪৯১
২৫ ইসরায়েল ৩,০৯,৪১৩ ২,৩৭২ ২,৯১,২০৬
২৬ বেলজিয়াম ৩,০৫,৪০৯ ১০,৭৩৭ ২২,৮৭৮
২৭ নেদারল্যান্ডস ২,৯১,২৫৪ ৭,০৪৬ ২৫০
২৮ চেক প্রজাতন্ত্র ২,৫৫,৩৭৩ ২,১৬৭ ৯৭,২৮২
২৯ পোল্যান্ড ২,৫৩,৬৮৮ ৪,৪৩৮ ১,১২,৬১৯
৩০ কানাডা ২,১৬,০৪৪ ৯,৯৪৬ ১,৮১,৪১৪
৩১ রোমানিয়া ২,০৯,৬৪৮ ৬,৩৯১ ১,৪৯,৭৪১
৩২ মরক্কো ১,৯৭,৪৮১ ৩,৩০১ ১,৬৩,১৯৫
৩৩ ইকুয়েডর ১,৬১,৬৩৫ ১২,৫৫৩ ১,৪১,৭৫৯
৩৪ নেপাল ১,৫৮,০৮৯ ৮৪৭ ১,১১,৬৭০
৩৫ বলিভিয়া ১,৪০,৭৭৯ ৮,৬২৭ ১,০৮,০৬৭
৩৬ কাতার ১,৩১,১৭০ ২৩০ ১,২৮,০৯৯
৩৭ পানামা ১,২৮,৫১৫ ২,৬২৮ ১,০৪,৫৬২
৩৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,২৫,১২৩ ৪৭৭ ১,১৮,৯৩১
৩৯ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২৪,৫২৭ ২,২২৩ ১,০২,৬৫১
৪০ কুয়েত ১,২১,৬৩৫ ৭৪৬ ১,১২,৭৭১
৪১ পর্তুগাল ১,১৮,৬৮৬ ২,৩১৬ ৬৮,৮৭৭
৪২ ওমান ১,১২,৯৩২ ১,১৭৪ ৯৯,২৭৮
৪৩ সুইডেন ১,১০,৫৯৪ ৫,৯৩৩ ৪,৯৭১
৪৪ কাজাখস্তান ১,১০,৪০২ ১,৭৯৬ ১,০৫,৬১৮
৪৫ মিসর ১,০৬,৩৯৭ ৬,১৮৭ ৯৮,৮১৩
৪৬ গুয়াতেমালা ১,০৪,৬৩২ ৩,৬০৯ ৯৩,৮৮০
৪৭ সুইজারল্যান্ড ১,০৩,৬৫৩ ২,১৪৫ ৫৫,৮০০
৪৮ কোস্টারিকা ১,০৩,০৮৮ ১,২৮২ ৬২,০৩৭
৪৯ জাপান ৯৬,৫৩৪ ১,৭১১ ৮৯,২৮২
৫০ ইথিওপিয়া ৯২,৮৫৮ ১,৪১৯ ৪৬,৮৪২
৫১ বেলারুশ ৯২,৮২৩ ৯৫৭ ৮৩,২৩৭
৫২ হন্ডুরাস ৯২,৭২৪ ২,৬১৭ ৩৭,৮৬৬
৫৩ ভেনেজুয়েলা ৮৯,১৪২ ৭৭০ ৮৩,৪৪৩
৫৪ চীন ৮৫,৭৯০ ৪,৬৩৪ ৮০,৮৯১
৫৫ অস্ট্রিয়া ৮০,৮১১ ৯৭৯ ৫৭,৮৫৮
৫৬ বাহরাইন ৭৯,৯৭৫ ৩১২ ৭৬,৪৭৪
৫৭ আর্মেনিয়া ৭৭,৮৩৭ ১,১৮০ ৫০,৯০৮
৫৮ মলদোভা ৭১,৫০৩ ১,৬৮৫ ৫২,২৯০
৫৯ লেবানন ৬৯,৯০৬ ৫৬২ ৩৩,৪৩৮
৬০ উজবেকিস্তান ৬৫,৩০৭ ৫৪৯ ৬২,৫০৯
৬১ নাইজেরিয়া ৬১,৯৩০ ১,১২৯ ৫৭,২৮৫
৬২ হাঙ্গেরি ৫৯,২৪৭ ১,৪২৫ ১৬,২৪২
৬৩ প্যারাগুয়ে ৫৯,০৪৩ ১,২৯৩ ৩৯,২১৪
৬৪ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯৭০ ২৮ ৫৭,৮৫৮
৬৫ আয়ারল্যান্ড ৫৭,১২৮ ১,৮৮২ ২৩,৩৬৪
৬৬ লিবিয়া ৫৬,০১৩ ৭৯৫ ৩০,৭৩১
৬৭ আলজেরিয়া ৫৫,৮৮০ ১,৯০৭ ৩৮,৯৩২
৬৮ কিরগিজস্তান ৫৫,৭৫০ ১,৪৯৮ ৪৭,৬১৬
৬৯ জর্ডান ৫৩,০৮৭ ৫৭৯ ৭,৫০৮
৭০ ফিলিস্তিন ৫০,৪৪২ ৪৪৮ ৪৩,৫৯২
৭১ আজারবাইজান ৪৯,৯৫৯ ৬৭১ ৪১,২৭৯
৭২ কেনিয়া ৪৯,৭২১ ৯০২ ৩৪,২০৯
৭৩ তিউনিশিয়া ৪৮,৭৯৯ ৮১৯ ৫,০৩২
৭৪ ঘানা ৪৭,৬৯০ ৩১৬ ৪৬,৮৮৭
৭৫ মায়ানমার ৪৪,৭৭৪ ১,০৯৫ ২৪,৯২০
৭৬ স্লোভাকিয়া ৪৩,৮৪৩ ১৫৯ ৯,৯৬০
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪০,৮৯৩ ১,০৮৬ ২৬,৪৫৯
৭৮ আফগানিস্তান ৪০,৮৩৩ ১,৫১৪ ৩৪,১২৯
৭৯ ডেনমার্ক ৪০,৩৫৬ ৭০২ ৩১,৯৮৫
৮০ সার্বিয়া ৩৯,৪৮৬ ৭৯২ ৩১,৫৩৬
৮১ বুলগেরিয়া ৩৭,৫৬২ ১,০৮৪ ১৮,২৩২
৮২ ক্রোয়েশিয়া ৩৬,৩৮০ ৪৩৭ ২৪,৭৯৯
৮৩ এল সালভাদর ৩২,৫৮৫ ৯৪৯ ২৮,২৫৮
৮৪ গ্রীস ৩০,৭৮২ ৫৭৪ ৯,৯৮৯
৮৫ জর্জিয়া ২৮,৪৩১ ২০১ ১০,৭৬৭
৮৬ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৫১৩ ৯০৫ ২৫,১৮১
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৬,৯৫৪ ৯১৯ ১৮,৬২৭
৮৮ মালয়েশিয়া ২৬,৫৬৫ ২২৯ ১৭,১৩৪
৮৯ দক্ষিণ কোরিয়া ২৫,৮৩৬ ৪৫৭ ২৩,৮৬৯
৯০ স্লোভেনিয়া ২২,৯৫২ ২৪০ ৮,৪২৪
৯১ ক্যামেরুন ২১,৫৭০ ৪২৫ ২০,১১৭
৯২ আইভরি কোস্ট ২০,৪৭০ ১২২ ২০,১৬৬
৯৩ আলবেনিয়া ১৯,১৫৭ ৪৭৭ ১০,৬৫৪
৯৪ নরওয়ে ১৭,৮৪৩ ২৭৯ ১১,৮৬৩
৯৫ মাদাগাস্কার ১৬,৯৬৮ ২৪৪ ১৬,৩০১
৯৬ মন্টিনিগ্রো ১৬,৬২৯ ২৬৩ ১২,৬০১
৯৭ জাম্বিয়া ১৬,১১৭ ৩৪৮ ১৫,১৭৯
৯৮ সেনেগাল ১৫,৫৫১ ৩২১ ১৪,২৫৪
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১৪,৮৪৮ ৩৫৫ ৯,৮০০
১০০ লুক্সেমবার্গ ১৪,২০৪ ১৪৫ ৯,০৮৫
১০১ সুদান ১৩,৭৪২ ৮৩৭ ৬,৭৬৪
১০২ নামিবিয়া ১২,৬৬০ ১৩৩ ১০,৭৭৯
১০৩ মোজাম্বিক ১১,৯৮৬ ৮৬ ৯,২৫৩
১০৪ গিনি ১১,৬৩৫ ৭১ ১০,৪৭৪
১০৫ মালদ্বীপ ১১,৫০৫ ৩৭ ১০,৫২৪
১০৬ উগান্ডা ১১,৪৪৩ ১০১ ৭,৩৫১
১০৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,১৪৩ ৩০৫ ১০,৪৬৭
১০৮ তাজিকিস্তান ১০,৭৭৬ ৮১ ৯,৮৮৯
১০৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,৩৭৬ ৬৯ ৯,৯৯৫
১১০ লিথুনিয়া ১০,১৮৪ ১৩৪ ৪,০৭৩
১১১ অ্যাঙ্গোলা ৯,০২৬ ২৬৭ ৩,৪৬১
১১২ হাইতি ৯,০১৫ ২৩১ ৭,৩৬১
১১৩ গ্যাবন ৮,৯১৯ ৫৪ ৮,৫১২
১১৪ জ্যামাইকা ৮,৭১৪ ১৮৮ ৪,২৮২
১১৫ কেপ ভার্দে ৮,৩২২ ৯৪ ৭,২৩৪
১১৬ জিম্বাবুয়ে ৮,২৭৬ ২৩৭ ৭,৭৯৭
১১৭ শ্রীলংকা ৭,৮৭২ ১৫ ৩,৮০৩
১১৮ মৌরিতানিয়া ৭,৬৬৩ ১৬৩ ৭,৩৭৮
১১৯ গুয়াদেলৌপ ৭,৩২৯ ১১৫ ২,১৯৯
১২০ কিউবা ৬,৫৬৬ ১২৮ ৫,৯৯৮
১২১ বাহামা ৬,৪১০ ১৩২ ৩,৯৪৮
১২২ বতসোয়ানা ৫,৯২৩ ২১ ৯২৭
১২৩ মালাউই ৫,৮৯০ ১৮৩ ৫,২৯১
১২৪ ইসওয়াতিনি ৫,৮৫৪ ১১৬ ৫,৫০২
১২৫ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৫,৭৯৭ ২০ ৩,৬২৩
১২৬ জিবুতি ৫,৫৩৬ ৬১ ৫,৪০২
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,৫০৩ ১০৫ ৪,০১৮
১২৮ মালটা ৫,৪৯৮ ৫১ ৩,৫৬৭
১২৯ নিকারাগুয়া ৫,৪৩৪ ১৫৫ ৪,২২৫
১৩০ সিরিয়া ৫,৪০৮ ২৬৯ ১,৭৫৩
১৩১ হংকং ৫,২৯৬ ১০৫ ৫,০৪৭
১৩২ কঙ্গো ৫,২৫৩ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩৩ সুরিনাম ৫,১৬৬ ১০৯ ৫,০১৬
১৩৪ রিইউনিয়ন ৫,১৪৯ ২০ ৪,৬৩০
১৩৫ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৭৯ ৮৩ ৪,৯৬২
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,০৬০ ৩৪ ৪,৮০৬
১৩৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৬২ ৬২ ১,৯২৪
১৩৮ লাটভিয়া ৪,৬৭৮ ৫৬ ১,৩৫৭
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,৪৪৮ ১১ ৩,৩৯৫
১৪০ আরুবা ৪,৪২০ ৩৬ ৪,২০৯
১৪১ এস্তোনিয়া ৪,৪১১ ৭৩ ৩,৪৫৭
১৪২ মায়োত্তে ৪,২৭৬ ৪৪ ২,৯৬৪
১৪৩ এনডোরা ৪,০৩৮ ৬৯ ২,৭২৯
১৪৪ গায়ানা ৩,৯৯৪ ১১৭ ২,৯৭০
১৪৫ সোমালিয়া ৩,৮৯৭ ১০২ ৩,১৬৬
১৪৬ থাইল্যান্ড ৩,৭৩৬ ৫৯ ৩,৫৩০
১৪৭ গাম্বিয়া ৩,৬৫৯ ১১৯ ২,৬৬০
১৪৮ মালি ৩,৪৭২ ১৩২ ২,৬৩৬
১৪৯ সাইপ্রাস ৩,৪৪৪ ২৫ ১,৮৮২
১৫০ বেলিজ ৩,১০৬ ৪৮ ১,৯২১
১৫১ দক্ষিণ সুদান ২,৮৮৩ ৫৬ ১,২৯০
১৫২ উরুগুয়ে ২,৮০৭ ৫৩ ২,৩০১
১৫৩ বেনিন ২,৫৫৭ ৪১ ২,৩৩০
১৫৪ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৪৪৪ ৬৫ ১,৯৯৭
১৫৫ গিনি বিসাউ ২,৪০৩ ৪১ ১,৮১৮
১৫৬ সিয়েরা লিওন ২,৩৪৬ ৭৪ ১,৭৮৭
১৫৭ মার্টিনিক ২,২৫৭ ২৪ ৯৮
১৫৮ টোগো ২,১৮৭ ৫২ ১,৫৯১
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৬০ ৫৯৯ ১,৩৬০
১৬০ লেসোথো ১,৯৪০ ৪৩ ৯৭০
১৬১ নিউজিল্যান্ড ১,৯৩৫ ২৫ ১,৮৪০
১৬২ চাদ ১,৪৩৭ ৯৬ ১,২৬৮
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৩৯৩ ৮২ ১,২৭৮
১৬৪ নাইজার ১,২১৫ ৬৯ ১,১২৮
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৬৮ ৩৫ ১,০৫৭
১৬৬ কিউরাসাও ৮৩৭ ৫৫৫
১৬৭ সান ম্যারিনো ৮১৯ ৪৫ ৭১৬
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ৭৯৫ ৪৮ ৬৭১
১৬৯ সিন্ট মার্টেন ৭৮০ ২২ ৭০৫
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭০১ ৬৮৯
১৭২ জিব্রাল্টার ৬৬৭ ৫১৬
১৭৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮৩ ৫৪৫
১৭৪ বুরুন্ডি ৫৫৭ ৫১১
১৭৫ তাইওয়ান ৫৫০ ৪৯৭
১৭৬ সেন্ট মার্টিন ৫৩৮ ৪২২
১৭৭ কমোরস ৫১৭ ৪৯৪
১৭৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৯০ ৪৭৮
১৮০ ইরিত্রিয়া ৪৬১ ৪০৫
১৮১ মরিশাস ৪৩৫ ১০ ৩৮৬
১৮২ লিচেনস্টেইন ৩৬৫ ১৭০
১৮৩ আইল অফ ম্যান ৩৪৮ ২৪ ৩২১
১৮৪ ভুটান ৩৪০ ৩০৬
১৮৫ মঙ্গোলিয়া ৩৩৮ ৩১২
১৮৬ মোনাকো ২৯৬ ২৪৪
১৮৭ কম্বোডিয়া ২৮৭ ২৮৩
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৯ ২১৫
১৮৯ বার্বাডোস ২২৭ ২০৮
১৯০ বারমুডা ১৯০ ১৭৫
১৯১ সিসিলি ১৫৩ ১৪৯
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫০ ১২১
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৮ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১২৪ ১০৮
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৭৭ ৬৬
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৩ ৬৫
১৯৭ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ৫৪ ২৭
১৯৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০০ ডোমিনিকা ৩৮ ২৯
২০১ ফিজি ৩৩ ৩০
২০২ পূর্ব তিমুর ২৯ ৩১
২০৩ গ্রেনাডা ২৮ ২৪
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৪ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৭ ১৬
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]