দেওবন্দের জনপ্রিয় শিক্ষক মাওলানা খলিল আমিনীর ইন্তেকাল

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৩৩ পিএম, ০৪ মে ২০২১

ভারতের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের জনপ্রিয় ওস্তাদ আরবি সাহিত্য বিশারদ মাওলানা নুর আলম খলিল আমিনী (৭৮) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মাওলানা নুর আলম খলিল আমিনী হিন্দুস্থান থেকে প্রকাশিত আরবি সাহিত্য ম্যাগাজিন আদ-দাঈ-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন। তার মৃত্যুতে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপালসহ আরববিশ্ব ও ইউরোপের অনেকে দেশে শোকের ছায়া নেমে আসে। কারণ আরবি ও উর্দুতে লিখিত তার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কিতাব রয়েছে। যে কিতাবগুলোর কয়েকটি এসব দেশের মাদরাসাগুলো সিলেবাস হিসেবে পড়ানো হতো।

মাওলানা নুর আলম খলিল আমিনী ১৯৫২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিহারের সীতামরাহী জেলার রায়পুর গ্রামের জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট অফ অনার লাভ করেন।

মাওলানা আমিনী গত ১৫ দিন ধরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শ্বাসকষ্টে অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল। গত দুইদিন আগে তিনি অনেকটাই সুস্থ হয়ে দেওবন্দে ফিরে আসেন। অবশেষে ২০ রমজান (৩ মে) সোমবার রাত ৩টা ১৫ মিনিটে দেওবন্দে নিজের বিশ্রামাগারে ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, কন্যা, ৩ ছেলেসহ দেশ-বিদেশে অসংখ্য গুনগ্রাহী ছাত্র-শিক্ষক রেখে গেছেন।

দেওবন্দের আরবি সাহিত্যের জনপ্রিয় শিক্ষক আহলে ইলেমদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। তার লিখিত বই গুলোর মধ্যে একটি ‘فلسطین في انتظار صلاح دين’ (ফিলিস্তিন ফি ইন্তিজারি সালাহিদিন) আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণার অর্ন্তভুক্ত ছিল। আর مفتاح العربية (মিফতাহুল আরব) বইটি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মাদরাসায় দরস নিজামির সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত।

আল্লাহ তাআলা মরহুম মাওলানা খলিল আমিনীকে ক্ষমা করে দিন। জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।

এমএমএস/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]