বিদেশফেরত দুই লক্ষাধিক যাত্রী নিয়ে দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্য বিভাগ

মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল
মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল , বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১০:১৬ পিএম, ১৩ মার্চ ২০২০

>> ২১ জানুয়ারি থেকে বিদেশফেরত যাত্রীর সংখ্যা ৫ লাখ ৮১ হাজার ১১৫
>> ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত ফিরেছে ৪ লাখ ৪৮৭ হাজার ৯০৯
>> বিদেশফেরত যাত্রীদের অনেকে সেলফ কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন না
>> বিমানবন্দরে জোরদার থাকলেও স্থলবন্দরগুলোতে নজরদারি ছিল কম

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে চীনের উহান প্রদেশে নোভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের পর মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগটি প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গত ২১ জানুয়ারি থেকে হযরত শাহজালালসহ তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপাসহ আগাম সতর্কতামূলক বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

পরবর্তীতে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বেনাপোলসহ সকল স্থলবন্দর, দুটি সমুদ্রবন্দর ও ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশন দিয়ে বিদেশফেরত যাত্রীদের থার্মাল ও হ্যান্ড ইনফ্রারেড থার্মোমিটারে জ্বর মাপাসহ হেলথ স্ক্রিনিং, হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণসহ নানা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।

korna

রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায়ের হাসপাতালে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখাসহ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের নেতৃত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নেতৃত্বে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়। স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে জড়িতদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিদেশি দাতা সংস্থার মাধ্যমে দেশেই পারসোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ ও সরবরাহ করা হচ্ছে। জনসচেতনতা সৃষ্টিতে রোগতত্ত্ববিদদের পরামর্শে করোনামুক্ত থাকতে কী কী করতে হবে সে সম্পর্কে গণমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি সচেতনতামূলক লিফলেট বিলি করা হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে গত ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো ইতালি ফেরত দুই বাংলাদেশি এবং তাদের একজনের সংস্পর্শে আসা এক নারীর লালার নমুনায় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। পরবর্তীতে আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে ওঠেন। তাদের একজন বাড়িও ফিরে গেছেন। আরেকজন সুস্থ হয়ে উঠলেও ব্যক্তিগত কারণে আপাতত হাসপাতালে অবস্থান করছেন।

দেশে মাত্র তিন রোগী শনাক্ত হলেও স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটই এর মূল কারণ। বিশ্বের শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটির সংক্রমণে (কোভিড-১৯) মারা গেছেন পাঁচ হাজার ৮০ জন। আক্রান্তের ঘটনা এক লাখ ৩৮ হাজার ১৫২টি। তবে আক্রান্তদের মধ্যে ৭০ হাজার ৭১৪ জন সুস্থ হয়েছেন। প্রকাশ্যে না বললেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে খোদ স্বাস্থ্য বিভাগও উদ্বিগ্ন।

korna

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে তারা প্রায় দুই মাস আগে থেকে সতর্কতামূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কিন্তু বিদেশফেরত যাত্রীদের ঢল ঠেকাতে পারেননি। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণে এসব যাত্রীই মুখ্য ভূমিকা রাখবেন— এটাই তাদের মধ্যে বড় আতঙ্কের কারণ।

তারা বলেন, করোনাভাইরাসের সুপ্তকাল দুই থেকে ১৪ দিন। বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্যানার ও হ্যান্ড ইনফ্রারেড মেশিনে জ্বর মাপা হলেও অধিকাংশ যাত্রীর তাৎক্ষণিকভাবে জ্বর ধরা না পরাটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে সেলফ কোয়ারেন্টাইন ইজ দি বেস্ট ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু আমরা যত দূর জেনেছি, বিদেশফেরত যাত্রীরা তা মানছেন না। তাদের অনেকেই গণপরিবহনে চড়ছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করছেন। এতে ঝুঁকি বাড়ছে।

জাগো নিউজের অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ২১ জানুয়ারি থেকে আজ (১৩ মার্চ) পর্যন্ত দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বেনাপোলসহ সকল স্থলবন্দর, দুটি সমুদ্রবন্দর ও ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশন দিয়ে করোনা আক্রান্তসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সর্বমোট পাঁচ লাখ ৮১ হাজার ১১৫ জন নাগরিক (দেশি-বিদেশি) দেশে ফিরেছেন।

korna

গত এক মাসে (১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত) এ সংখ্যা চার লাখ ৪৭ হাজার ৯০৯ জন। আর গত ১৫ দিনে বাংলাদেশে এসেছেন দুই লাখ ১৪ হাজারের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যে বিমানবন্দর ও স্থলবন্দর দিয়েই বেশি এসেছেন। তিনটি বন্দর দিয়ে আগত যাত্রীদের মধ্যে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যেভাবে নজরদারি করা হয়েছে অন্য কোথাও সেভাবে করা হয়নি।

গত ১৫ দিনে বিদেশফেরত দুই লাখ ১৪ হাজার যাত্রীর করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে কি-না, এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদেশফেরত বিশেষ করে আক্রান্ত দেশ থেকে ফেরত আসা যাত্রীদের মাধ্যমে সংক্রমণের ঝুঁকি তো রয়েছেই। তবে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে।

korna

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস রোগটি উচ্চমাত্রার ছোঁয়াচে হলেও এতে মৃত্যুঝুঁকি কম। বয়োবৃদ্ধ কিংবা বিভিন্ন অসংক্রামক ব্যাধিতে আগে থেকে আক্রান্ত বয়স্কদের এ রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুঝুঁকি বেশি। এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে- মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, বিদেশফেরত যাত্রীরা দুই সপ্তাহ ঘরে নির্বাসনে থাকলে তার পরিবার, দেশ ও জাতি বেঁচে যাবে। বারবার বলার পরও বিদেশফেরত যাত্রীরা নিজ গৃহে নির্বাসনে না থাকার বিষয়টি দুঃখজনক।

অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাদের (বিদেশফেরত) ঘরে রাখার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি এবং আইনের ভয়ও দেখাতে হচ্ছে। এ রোগ প্রতিরোধে আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে দেশবাসীকে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। আক্রান্ত হলে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে- জানান তিনি।

এমইউ/এমএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,৭৮,৯০৫
আক্রান্ত

৩১,৭৬৭
মৃত

১,৪৬,৩১৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৮ ১৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,২৩,৭৮১ ২,২২৯ ৩,২৩৮
ইতালি ৯২,৪৭২ ১০,০২৩ ১২,৩৮৪
চীন ৮১,৪৩৯ ৩,৩০০ ৭৫,৪৪৮
স্পেন ৭৮,৭৯৭ ৬,৫২৮ ১৪,৭০৯
জার্মানি ৫৮,২৪৭ ৪৫৫ ৮,৪৮১
ইরান ৩৮,৩০৯ ২,৬৪০ ১২,৩৯১
ফ্রান্স ৩৭,৫৭৫ ২,৩১৪ ৫,৭০০
যুক্তরাজ্য ১৭,০৮৯ ১,০১৯ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৪,৩৫২ ২৮২ ১,৫৯৫
১১ বেলজিয়াম ১০,৮৩৬ ৪৩১ ১,৩৫৯
১২ নেদারল্যান্ডস ৯,৭৬২ ৬৩৯
১৩ দক্ষিণ কোরিয়া ৯,৫৮৩ ১৫২ ৫,০৩৩
১৪ অস্ট্রিয়া ৮,৪৫০ ৮৬ ৪৭৯
১৫ তুরস্ক ৭,৪০২ ১০৮ ৭০
১৬ পর্তুগাল ৫,৯৬২ ১১৯ ৪৩
১৭ কানাডা ৫,৬৫৫ ৬০ ৫০৮
১৮ নরওয়ে ৪,২১৩ ২৩
১৯ অস্ট্রেলিয়া ৩,৯৬৯ ১৬ ২২৬
২০ ব্রাজিল ৩,৯০৪ ১১৪
২১ ইসরায়েল ৩,৮৬৫ ১৩ ৮৯
২২ সুইডেন ৩,৪৪৭ ১০৫ ১৬
২৩ মালয়েশিয়া ২,৪৭০ ৩৪ ৩৮৮
২৪ আয়ারল্যান্ড ২,৪১৫ ৩৬
২৫ ডেনমার্ক ২,৩৯৫ ৭২
২৬ চিলি ১,৯০৯ ৬১
২৭ লুক্সেমবার্গ ১,৮৩১ ১৮ ৪০
২৮ ইকুয়েডর ১,৮২৩ ৪৮
২৯ রোমানিয়া ১,৭৬০ ৪০ ১৬৯
৩০ পোল্যান্ড ১,৭১৭ ১৯
৩১ জাপান ১,৬৯৩ ৫২ ৪০৪
৩২ রাশিয়া ১,৫৩৪ ৬৪
৩৩ পাকিস্তান ১,৫২৬ ১৩ ২৯
৩৪ ফিলিপাইন ১,৪১৮ ৭১ ৪২
৩৫ থাইল্যান্ড ১,৩৮৮ ৯৭
৩৬ ইন্দোনেশিয়া ১,২৮৫ ১১৪ ৬৪
৩৭ ফিনল্যাণ্ড ১,২২১ ১০
৩৮ সৌদি আরব ১,২০৩ ৩৭
৩৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,১৮৭ ৩১
৪০ গ্রীস ১,০৬১ ৩২ ৫২
৪১ ভারত ৯৮৭ ২৫ ৮৭
৪২ আইসল্যান্ড ৯৬৩ ১১৪
৪৩ পানামা ৯০১ ১৭
৪৪ মেক্সিকো ৮৪৮ ১৬
৪৫ সিঙ্গাপুর ৮০২ ১৯৮
৪৬ আর্জেন্টিনা ৭৪৫ ১৯ ৭২
৪৭ স্লোভেনিয়া ৭৩০ ১১ ১০
৪৮ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৭১৯ ২৮
৪৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১০ ৫৯৭
৫০ এস্তোনিয়া ৬৭৯ ২০
৫১ পেরু ৬৭১ ১৬ ১৬
৫২ সার্বিয়া ৬৫৯ ১১ ৪২
৫৩ ক্রোয়েশিয়া ৬৫৭ ৪৫
৫৪ কলম্বিয়া ৬০৮ ১০
৫৫ কলম্বিয়া ৬০৮ ১০
৫৬ কাতার ৫৯০ ৪৫
৫৭ হংকং ৫৮২ ১১২
৫৮ মিসর ৫৭৬ ৩৬ ১২১
৫৯ ইরাক ৫৪৭ ৪২ ১৪৩
৬০ নিউজিল্যান্ড ৫১৪ ৫৬
৬১ বাহরাইন ৪৯৯ ২৭২
৬২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪৬৮ ৫৫
৬৩ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৬৪ আলজেরিয়া ৪৫৪ ২৯ ৩১
৬৫ লেবানন ৪৩৮ ১০ ৩০
৬৬ মরক্কো ৪৩৭ ২৬ ১২
৬৭ লিথুনিয়া ৪৩৭
৬৮ আর্মেনিয়া ৪২৪ ৩০
৬৯ ইউক্রেন ৪১৮
৭০ হাঙ্গেরি ৪০৮ ১৩ ৩৪
৭১ লাটভিয়া ৩৪৭
৭২ বুলগেরিয়া ৩৩৮ ১১
৭৩ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩২৩
৭৪ স্লোভাকিয়া ৩১৪
৭৫ এনডোরা ৩০৮
৭৬ উরুগুয়ে ৩০৪
৭৭ তাইওয়ান ২৯৮ ৩৯
৭৮ কোস্টারিকা ২৯৫
৭৯ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৮০ তিউনিশিয়া ২৭৮
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৫৭
৮২ কুয়েত ২৫৫ ৬৭
৮৩ কাজাখস্তান ২৫১ ১৮
৮৪ জর্ডান ২৪৬ ১৮
৮৫ মলদোভা ২৩১
৮৬ সান ম্যারিনো ২২৪ ২২
৮৭ আলবেনিয়া ২১২ ১০ ৩৩
৮৮ বুর্কিনা ফাঁসো ২০৭ ১১ ২১
৮৯ রিইউনিয়ন ১৮৩
৯০ আজারবাইজান ১৮২ ১৫
৯১ ভিয়েতনাম ১৭৯ ২১
৯২ সাইপ্রাস ১৭৯ ১৫
৯৩ ওমান ১৬৭ ২৩
৯৪ ফারে আইল্যান্ড ১৫৯ ৭০
৯৫ মালটা ১৫১
৯৬ সেনেগাল ১৪২ ২৭
৯৭ ঘানা ১৪১
৯৮ আইভরি কোস্ট ১৪০
৯৯ উজবেকিস্তান ১৩৩
১০০ ব্রুনাই ১২৬ ৩৪
১০১ ভেনেজুয়েলা ১১৯ ৩৯
১০২ কিউবা ১১৯
১০৩ শ্রীলংকা ১১৫ ১০
১০৪ আফগানিস্তান ১১০
১০৫ হন্ডুরাস ১১০
১০৬ ফিলিস্তিন ১০৬ ১৮
১০৭ কম্বোডিয়া ১০৩ ২১
১০৮ গুয়াদেলৌপ ১০২ ১৭
১০৯ নাইজেরিয়া ৯৭
১১০ বেলারুশ ৯৪ ৩২
১১১ মার্টিনিক ৯৩
১১২ ক্যামেরুন ৯১
১১৩ জর্জিয়া ৯০ ১৮
১১৪ কিরগিজস্তান ৮৪
১১৫ মন্টিনিগ্রো ৮৪
১১৬ বলিভিয়া ৮১
১১৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭৬
১১৮ মায়োত্তে ৬৩
১১৯ রুয়ান্ডা ৬০
১২০ লিচেনস্টেইন ৫৬
১২১ প্যারাগুয়ে ৫৬
১২২ জিব্রাল্টার ৫৬ ১৪
১২৩ আরুবা ৪৬
১২৪ মোনাকো ৪৩
১২৫ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১২৬ কেনিয়া ৩৮
১২৭ ম্যাকাও ৩৪ ১০
১২৮ গুয়াতেমালা ৩৪ ১০
১২৯ গুয়াম ৩২
১৩০ জ্যামাইকা ৩২
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩০
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৩ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৪ বার্বাডোস ২৬
১৩৫ টোগো ২৫
১৩৬ ইথিওপিয়া ১৯
১৩৭ নাইজার ১৮
১৩৮ মালদ্বীপ ১৭ ১১
১৩৯ তানজানিয়া ১৪
১৪০ মঙ্গোলিয়া ১২
১৪১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২
১৪২ নামিবিয়া ১১
১৪৩ ডোমিনিকা ১১
১৪৪ বাহামা ১০
১৪৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৪৬ সুরিনাম
১৪৭ গিনি
১৪৮ সিসিলি
১৪৯ কেম্যান আইল্যান্ড
১৫০ গায়ানা
১৫১ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫২ গ্যাবন
১৫৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৪ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৫ বেনিন
১৫৬ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৭ নেপাল
১৫৮ মৌরিতানিয়া
১৫৯ সুদান
১৬০ মন্টসেরাট
১৬১ ভুটান
১৬২ কঙ্গো
১৬৩ তাজিকিস্তান
১৬৪ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৫ লাইবেরিয়া
১৬৬ সেন্ট লুসিয়া
১৬৭ গাম্বিয়া
১৬৮ সোমালিয়া
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭১ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১৭২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন