বিচারপ্রার্থী সবার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় উন্মুক্ত

মুহাম্মদ ফজলুল হক
মুহাম্মদ ফজলুল হক মুহাম্মদ ফজলুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৫২ এএম, ১৭ অক্টোবর ২০২০

আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন (এ এম আমিন উদ্দিন)। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ১৫তম অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মারা যাওয়ার পর তার পদে গত ৮ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের এ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। ১৯৮৯ সালের ২৮ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়া মৌলভীবাজারের সন্তান আমিন উদ্দিন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা পদে দায়িত্ব পাওয়ার আগে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৬-২০০৮ সাল পর্যন্ত পরপর দুবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০১৯-২০২০ সেশন এবং ২০২০-২০২১ সেশনেও সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন আমিন উদ্দিন।

১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এ এম আমিন উদ্দিন তার কর্মপরিকল্পনার কথা বলেছেন জাগো নিউজকে। তিনি বলেন, সরকারের আস্থা ধরে রেখে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে দুর্নীতি রোধে কাজ করে যাবেন। বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন। বিচারপ্রার্থী যে কেউ যে কোনো সময় তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহাম্মদ ফজলুল হক

জাগো নিউজ : রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন, কী ভাবছেন?

আমিন উদ্দিন : আমাকে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সরকার আমার ওপর যে আস্থা রেখেছে, আমি চেষ্টা করব তার উত্তম প্রতিদান দেয়ার। প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম স্যার যেভাবে কাজ করে গেছেন, সে আলোকে তার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার চেষ্টা করব। এজন্য আমি দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।

জাগো নিউজ : বিচারপ্রার্থীদের জন্য কীভাবে কাজ করবেন?

আমিন উদ্দিন : বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে সচেষ্ট থাকব। বিচারপ্রার্থী যে কেউ যে কোনো সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

জাগো নিউজ : আপনি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দিনই দু’জন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। এটি আপনার কাজে কোনো বাধা হবে কিনা?

আমিন উদ্দিন : দু’জন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন তাদের একান্ত ব্যক্তিগত কারণে। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে তারা সবসময় কাজের মধ্যেই থেকেছেন। অনেক দিন কাজ করেছেন, ব্যক্তিগত কোনো সমস্যার কারণে তারা হয়তো আর থাকছেন না। আমার সাথে তাদের কথা হয়নি। সরকার যদি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন তাহলে সরকার অবশ্যই আরও দুজন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেবেন।

জাগো নিউজ : সাম্প্রতিক সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের খবর বেশি পাওয়া যাচ্ছে...

আমিন উদ্দিন : নারী ও শিশু নির্যাতনের কথা যদি বলেন, সরকার কিন্তু বিষয়টা ক্যাবিনেট মিটিংয়ে তুলবে। ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে দেয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড করার পর আমার মনে হয় যারা এ ধরনের অপরাধ করে তারা সাবধান হবে। এ অপরাধ করতে অনেকবার ভাববে। আমার মনে হয় সরকারের এই উদ্যোগে এটা অনেকখানি কমে যাবে।

জাগো নিউজ : ধর্ষণসহ আরও নানা অভিযোগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলা পেন্ডিং আছে। এসব মামলা নিষ্পত্তিতে কোনো উদ্যোগ নেবেন কিনা?

আমিন উদ্দিন : আমার জানা মতে আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল কোর্ট প্রায় চার হাজার মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। আপিল বিভাগ কিন্তু পুরনো মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে এবং আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবে আমি মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করব, হাইকোর্টেও যেসব পুরনো মামলা রয়েছে, সেগুলো নিষ্পত্তির জন্য বেঞ্চগুলোকে যেন বিশেষ নির্দেশনা তিনি দেন।

Amin-Uddin-1

তাছাড়া আমি চেষ্টা করব, বিভিন্ন জেলায় যারা পাবলিক প্রসিকিউটর আছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনসহ বিচারাধীন যেসব মামলা স্থগিত হয়ে আছে, সেগুলো দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নিতে।

আমি তো কেবল দায়িত্ব গ্রহণ করে বসলাম। তাদের (ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের) সাথে বসে দেখব কত মামলা পেন্ডিং আছে। সেখান থেকে কিছু মামলা রিভিশনের কারণে বন্ধ হয়ে আছে। সেগুলো খুঁজে বের করে সচল করার চেষ্টা করব। আর যেগুলো আপিলে আছে, সেগুলো শুনানি করে নিষ্পত্তির চেষ্টা করব।

জাগো নিউজ : ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেবেন কি?

আমিন উদ্দিন : রিভিউ যেহেতু আপিল বিভাগে পেন্ডিং আছে, তারা যেদিন তারিখ ঠিক করবেন, শুনানির জন্য এলে আমি চেষ্টা করব দ্রুত শেষ করার।

জাগো নিউজ : আইনজীবীদের অদক্ষতায় যদি কোনো মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হেরে যায়, আর তাতে যদি রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়, সেক্ষেত্রে আপনার ভূমিকা কী হবে?

আমিন উদ্দিন : সেক্ষেত্রে বিষয়টি আমি সরকারের দৃষ্টিতে নিয়ে আসব। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তখন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

জাগো নিউজ : অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি— দুটি পদেই দায়িত্ব পালন করবেন?

আমিন উদ্দিন : সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল— দুটি পদে দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই। বারের যে কোনো মেম্বার বারের সভাপতি হতে পারেন, সে হিসাবে দুটি দায়িত্ব পালনে কোনো সমস্যা নেই।

Amin-Uddin-2

দুটি পদ সমন্বয় করে চালানো অসম্ভব নয়; বরং আমার জন্য সুবিধা হবে। বারের সঙ্গে সরকারের কোনো বিষয় নিয়ে সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করে সমাধানের উপায় বের করা যাবে।

জাগো নিউজ : দায়িত্ব গ্রহণের পর আপনার কাজের প্রক্রিয়া কী হতে পারে?

আমিন উদ্দিন : প্রথম চ্যালেঞ্জ হবে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় সম্পর্কে আমার জানা। সেখানে বর্তমানে কী অবস্থা। দুই যুগ আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত আমি অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সঙ্গে ছিলাম। সে সময় এক পরিস্থিতি ছিল, এখন অন্য পরিস্থিতি। এখন কোর্ট ও মামলার সংখ্যা অনেক বেশি। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি থাকলে চিহ্নিত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুরো অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসকে সুশৃঙ্খলভাবে ঢেলে সাজাতে চাই।

জাগো নিউজ : বর্তমান পরিস্থিতিতে উচ্চ আদালতে স্থগিত থাকা নারী নির্যাতন ও চাঞ্চল্যকর মামলা চালু করতে আপনার উদ্যোগ কী হবে?

আমিন উদ্দিন : বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারী নির্যাতন মামলাগুলো সামনে চলে আসছে। আমি মনে করি, নারী নির্যাতনসহ অন্যান্য চাঞ্চল্যকর যেসব মামলা স্থগিত করে রাখা হয়েছে, সেগুলো বাছাই করে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে মামলাগুলো পর্যায়ক্রমে চালু করতে হবে। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে। এছাড়া সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলা আছে, যেগুলো বিভিন্ন কারণে উচ্চ আদালতে স্থগিত করে রাখা হয়েছে, দিনের পর দিন লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গেছে— সেগুলো দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেব। এসব মামলা শুনানির পর সরকার জয়লাভ করলে পুনরায় চালু হবে। দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভালো ভালো মামলা যেন নষ্ট হয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা হবে।

প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এসব মামলা দ্রুত শুনানির জন্য চেষ্টা করেছেন, আমিও চেষ্টা করব। প্রয়োজনে আমরা পিপিদের চিঠি দেব যে আপনাদের এখানে কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ মামলা উচ্চ আদালতে স্থগিত আছে, তার তালিকা চাইব।

জাগো নিউজ : উচ্চ আদালতে দুর্নীতি প্রতিরোধে আপনার ভূমিকা কী হবে?

আমিন উদ্দিন : দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে সব সময় আমাদের অভিযান চলে। সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমি এ ব্যাপারে কাজ শুরু করি, যা এখনও অব্যাহত আছে। করোনার সময় উচ্চ আদালতে ভার্চুয়াল কোর্ট শুরুর দিকে আমরা একটি অনিয়মের খবর পেলাম, এরপর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সঙ্গে বারের আইনজীবীরা বসেন। দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়। এতে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সেকশনে শৃঙ্খলা ফিরে আসছে। এফিডেভিট ও ফাইলিং শাখায় শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে।

Amin-Uddin-3

সুপ্রিম কোর্ট বার, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস মিলে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করছি। বারে ওকালতনামায় অনিয়ম ধরা পড়ার পর পদক্ষেপ নিয়েছি। দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে কারও সঙ্গে আমরা আপস করিনি, ভবিষ্যতেও করা হবে না। অন্যায় ও অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আদালতের কোথাও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করব।

জাগো নিউজ : সরকার ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবনের পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড করেছে। এ ব্যাপারে আপনার মত কী?

আমিন উদ্দিন : সমাজের কিছু লোক গর্হিত এ অপরাধগুলো করছে। তাদের নিবৃত এবং ভয় দেখানোর জন্য কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা হয়েছে। এতে অন্যরা ভয় পাবে এবং পশুবৃত্তিটা কমে আসবে। এ ধরনের অপরাধ প্রমাণ হলে মৃত্যুদণ্ড হবে জানার পর যেন ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য এ বিধান করা হয়েছে। বর্তমান সমাজের জন্য এই বিধান অত্যন্ত উপযোগী।

জাগো নিউজ : উচ্চ আদালতে যেভাবে মামলা বাড়ছে, সে তুলনায় মামলা নিষ্পত্তিতে বিচারক নেই। সেক্ষেত্রে আপনার ভাবনা কী?

আমিন উদ্দিন : উচ্চ আদালতে বছরের পর বছর যে হারে মামলা বাড়ছে, তাতে অবশ্যই বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। যে পদ্ধতিতে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ হচ্ছে, সেটা অবশ্যই সঠিক প্রক্রিয়া। বারের সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিচারক নিয়োগ হচ্ছে। কারণ আমাদের বিচক্ষণ আইনমন্ত্রী, তিনি একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তিনি সবাইকে চেনেন। সে কারণে সাম্প্রতিককালে অভিজ্ঞ, দক্ষ ও যোগ্য আইনজীবীদের বিচারক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

Amin-Uddin-4

আদালতের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সুপ্রিম কোর্ট এনেক্স ভবনের পেছনের দিকে একটা ভবন তৈরি করা হচ্ছে। আদালত বাড়ানো হলে সরকার যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে অবশ্যই বিচারক নিয়োগ দেবে।

জাগো নিউজ : সরকারের সঙ্গে বিচার বিভাগের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত?

আমিন উদ্দিন : আপনারা জানেন, বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগ— দুটি আলাদা প্রতিষ্ঠান। দুটোই স্বাধীন। সংবিধান অনুযায়ী বিচার বিভাগ চলবে। সংবিধানের নির্দেশিত পথ অনুযায়ী রাষ্ট্রের বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও আইন বিভাগ তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে চলবে। আমি রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা হিসেবে সরকার ও বিচার বিভাগের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে একটা ব্রিজ (সেতুবন্ধন) হিসেবে কাজ করব।

জাগো নিউজ : অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কাজগুলো গুছিয়ে সহজ করতে আপনার বিশেষ পরিকল্পনা আছে কি?

আমিন উদ্দিন : সংবাদমাধ্যম পাশে থাকলে কাজ সহজ হয়ে যায়। সাংবাদিকদের মাধ্যমে যে খবর পাব, সে খবর যাচাই করে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে পারব। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে, সংবাদ যেন সত্যি হয়। অনেক সময় অনেক উড়ো খবর আসে। কোনো খবরে যেন মানুষ হয়রানির শিকার না হন।

আমাদের খেয়াল রাখতে হবে কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন হররানির শিকার না হন, আবার কোনো দোষী ব্যক্তিও যেন পার না পেয়ে যায়।

জাগো নিউজ : সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমিন উদ্দিন : জাগো নিউজ ও তার পাঠকদেরও ধন্যবাদ।

এফএইচ/এইচএ/এমএআর/পিআর

প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম যেভাবে কাজ করে গেছেন, সে আলোকে তার অসমাপ্ত কাজ শেষ করার চেষ্টা করব

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল— দুটি পদে দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই

দু’জন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন তাদের একান্ত ব্যক্তিগত কারণে

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনসহ বিচারাধীন যেসব মামলা স্থগিত হয়ে আছে, সেগুলো দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নিতে চেষ্টা করব

বিচারপ্রার্থী যে কেউ যে কোনো সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]