অংকের হিসাব সরিয়ে ওয়ানডেতে ‘হারানো গৌরব’ ফেরাতে চান সিমন্স

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৯ পিএম, ০৯ মার্চ ২০২৬

২০২৭ বিশ্বকাপের সরাসরি খেলার জন্য বাংলাদেশের সামনে এখন প্রত্যেকটা ওয়ানডে সিরিজই সমান গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১১ মার্চ পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে ৪ মাস পর ওয়ানডে ক্রিকেটে ফিরছে টাইগাররা। তবে বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের কাছে ক্যালকুলেটর হাতে পয়েন্ট মেলানোর চেয়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেই ‘হারানো ছন্দ’ ফিরে পাওয়াই মূল লক্ষ্য। মিরপুরে আজ সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স স্পষ্ট করেন, টেবিলে কত নম্বরে থাকা যাবে সেই চিন্তার চেয়েও জরুরি হলো মাঠে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী পারফর্ম করা।

বিগত পাঁচটি ওয়ানডে সিরিজের চারটিতেই হারের তেতো স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। একসময় যে ফরম্যাট ছিল টাইগারদের শক্তির জায়গা, সেখানেই এখন যাচ্ছেতাই দশা। সিমন্স আজ অকপটে স্বীকার করলেন, র‍্যাঙ্কিংয়ের চূড়ায় থাকার সময় দলে যে অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা ছিলেন, এখন হয়তো তারা নেই। তিনি বলেন, ‘আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ওয়ানডে ক্রিকেটে উন্নতি করা, শুধু কোয়ালিফিকেশনের অংকের দিকে মনোযোগ দেওয়া নয়। যদিও ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ যখন উপরের দিকে ছিল তখনকার তুলনায় বর্তমান দলে অভিজ্ঞতার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে, তবে আমাদের লক্ষ্য হলো বর্তমান প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে সেই মানে পৌঁছানো। বর্তমান কাজের উদ্দেশ্য হলো এটা নিশ্চিত করা যেন দল টেবিলের ওপরের দিকে আরোহণ করে। লক্ষ্যটা শুধু সেরা আটে থেকে সরাসরি কোয়ালিফাই করা নয়, বরং নিয়মিত ভালো ক্রিকেট খেলে ধারাবাহিকভাবে ওপরের দিকে উঠে আসা।’

এই সিরিজ থেকে তাদের মূল লক্ষ্য থাকবে গত বছরের অক্টোবরে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে যেখানে শেষ করেছিলেন সেখান থেকে শুরু করা। ওই সিরিজে টাইগাররা ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল। শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের শীর্ষ চার ব্যাটারের মধ্যে তিনজনই রানের দেখা পেয়েছিলেন। সিমন্স যদিও সেই পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি চান, তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ধুঁকতে থাকা মিডল অর্ডারের সমস্যাগুলো সম্পর্কেও অবগত আছেন।

সিমন্স বলেন, ‘লক্ষ্য হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সেই অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বিশেষভাবে বলতে গেলে, সেই সিরিজের শেষ ম্যাচে ব্যাটিংয়ে যে পারফরম্যান্স দেখা গিয়েছিল তা ধরে রাখার পাশাপাশি মিডল ওভারের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠে দলকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে হবে। মাঝের ওভারগুলোতে রান সংগ্রহের হার বাড়ানো এবং বোলিং ইউনিট যাতে ওই সময়ে আরও বেশি উইকেট শিকার করতে পারে, সেই প্রচেষ্টায় মনোযোগ দেওয়া হবে।’

আগামী বছর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৪ দলের ওয়ানডে বিশ্বকাপে পূর্ণ সদস্য আয়োজক দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে এবং ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটটি পূর্ণ সদস্য দেশ সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

এসকেডি/আইএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।