বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড
ধীর খেলে আউট তামিম, ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারালো টাইগাররা
লক্ষ্য ১৮৩ রানের। ক্রমেই কঠিন হয়ে যাচ্ছে জয়ের পথে ছোটা। ১০ ওভার পেরিয়ে গেছে। ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।
রান তাড়ায় নেমে সাইফ হাসান আর তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। প্রথম ৫ ওভারে বিনা উইকেটেই তোলে ৪০ রান।
তবে ষষ্ঠ ওভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। ১৫ বলে ১৭ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। ওপেনিং জুটি ভাঙে ৪১ রানে।
লিটন দাস ভালো খেলছিলেন। কিন্তু ইশ সোধির ঘূর্ণি বুঝতে না পেরে তিনি বোল্ড হয়েছেন ১৫ বলে ২১ রানে। ৬৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
তানজিদ তামিম ঠিক তার মতো মারকুটে খেলতে পারেননি। ২৫ বলে ২০ রান করে সোধির দ্বিতীয় শিকার হন এই ওপেনার, ক্যাচ দেন লংঅফে।
আগে ব্যাটিং করে ক্যাটেনি ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেভারের সমান ৫১ রানের ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের বোর্ডে জমা হয়েছে ৬ উইকেটে ১৮২ রান।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই হৃদয়ের ডিরেক্ট হিটে রানআউট হয়ে মাঠ ছাড়লেন টিম রবিনসন রানের খাতা না খুলেই। তানজিম হাসান সাকিবের করা দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে প্রথম বল ফেইস করেই করেই রানআউট হন তিনি।
এরপর দুটো উইকেট তুলে নেন রিশাদ হোসেন। নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ক্লার্ক উইকেট গিফট করেন রিশাদকে। বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন তাওহিদ হৃদয়ের হাতে।
আউট হওয়ার আগে ৫১ রান করলেও উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন সদ্য ক্রিজে আসা ব্যাটারের মতো। ৭টি চার ও ১টি ছক্কা মেরেছেন নিজের ইনিংসে। ৯৯ রানে পতন হয় দ্বিতীয় উইকেটের। ভাঙে ক্লার্কের সঙ্গে গড়া ৮৮ রানের জুটি। এরপর ক্লার্ক সমান ৫১ রান করে রিশাদের বলেই সাজঘরে ফিরে যান দলীয় ১১০ রানে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে।
কিইউদের চতুর্থ উইকেট তুলে নেন তানজিম হাসান সাকিব। ১ রান করা বেভন জ্যাকব আউট হলে ১১৭ রান ৪ উইকেট হারায় ব্ল্যাকক্যাপসরা। ওয়ানডে সিরিজে দাপট দেখানে ডিন ফক্সক্রফট হতাশ করেন মাত্র ৩ রানে শেখ মেহেদীর বলে কাটা পড়ে। ১৩০ রানে ৫ উইকেট হারালেও অধিনায়ক নিক কেলির ২৭ বলে ৩৯ ও জশ ক্লার্কসনের অপরাজিত ১৪ বলে ২৭ রানে ৬ উইকেটে ১৮২ রান করে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় নিউজিল্যান্ড।
দুটি উইকেট পেয়েছেন রিশাদ হোসেন। সমান একটি করে শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব ও শেখ মেহেদীর। অভিষিক্ত রিপন মণ্ডল ৪ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে উইকেট পাননি।
এমএমআর