অভিযোগ নিয়ে ভাবছেন না আল-আমিন

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:০৫ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭

 

খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ম্যাচের ১৫তম ওভারটি করেছিলেন বাংলাদেশি পেসার আল-আমিন হোসেন। ওভারের দ্বিতীয় বলে ডিপ মিড উইকেটে ধরা পড়েন খুলনার ব্যাটসম্যান আরিফুল হক। সেই বলটিতে অভিযোগ উঠেছে চাকিং করার। আল-আমিন অবশ্য এখন এটা নিয়ে কিছুই ভাবছে না বলেই সাংবাদিকদের জানালেন।

সন্দেহজনক অ্যাকশনের অভিযোগ নিয়ে না ভেবে তিনি এখন বিপিএলেই ফোকাস করছেন বলে জানিয়েছেন। আল আমিন বলেন, ‘আসলে আমি এখন এটা নিয়ে চিন্তা করছি না। কারণ বিপিএল খেলাটা তো প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই এটা নিয়েই চিন্তা করছি। যখন যে সমস্যা, সেটা নিয়ে চিন্তা করছি।’

দ্বিতীয় দফায় আবার অভিযুক্ত হওয়ায় অবাক হননি আল-আমিন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আসলে ক্রিকেট খেলায় অবাক হওয়ার মত কিছু নেই। কারণ, কখনও ভাল সিদ্ধান্ত বলেন কিংবা খারাপ সিদ্ধান্ত- তা থাকবেই। কখনো আমার অনুকুলে যাবে আবার কখনও প্রতিকুলে যাবে। তো যখন যে বাধাটা আসবে সেটা মাথা ঠাণ্ডা করে ভালভাবে পার হওয়াটাই চ্যালেঞ্জ ভাল ক্রিকেটারদের।’

যদি পরীক্ষা দেয়ার দরকার হয়ে তবে এটা কবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আল আমিন বলেন, ‘আমি যতুটুকু কথা বলেছি, তা হল বিপিএল এর পরে। কারণ, বিপিএল এর ভিতরে কখনো হবে না। আমাদের টেকনিক্যাল যে আছেন, নাসির ভাই, ওনার সাথে কথা হইছে। তো হয়তো বিপিএলের পর হতে পারে। আসলে এর আগে যখন হয়েছিল, সেটা ছিলো ২০১৪তে। তাও সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। এরপর পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কোন কিছু হয়নি। সবকিছু ঠিক ছিলো। তবে অন্য যে সমস্যাগুলা ছিলো, যেমন অন্যদের বোলিংয়ের ধরণ কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে; কিন্তু আমারটা করতে হয়নি। তাই আমি ওভাবেই বোলিং করছি। এখন তারা আবার ধরছে যদি কিছু পায়। তখন হয়তো পরিবর্তন করতে হবে। আর না হলে আগের মতই থাকবে।’

তবে সবচেয়ে মজার বিষয়, আল-আমিনের কোন বল নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে সেটা তিনি জেনেছেন, পত্রিকা পড়ে। খুব স্বাভাবিক কণ্ঠে এ প্রসঙ্গে আল আমিন বলেন, ‘আমাকে ওভাবে বলেনি। নিউজে পড়েছি যে, সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। সেটা হচ্ছে ১৫.২ নং বলটা। এখন ওই বলটা ওরা দেখবে। তারা যদি সমস্যা মনে করে তাহলে পরীক্ষা নিবে। নয়ত নিবে না। আসলে ওই বলটা দেখতে চায় তারা। সাধারণত সবাই ১৫ ডিগ্রি পায়। ওনারা শেটা দেখবে। দেখার পর যদি মনে করে যে ঠিক আছে, তাহলে পরীক্ষা নাও দেয়া লাগতে পারে। আর সমস্যা হলে দিতে হবে।’

শেষ চারের ম্যাচকে খুব সিরিয়াসলি নিচ্ছেন এই পেসার। তার মতে, ‘প্রতিটা ম্যাচ এ চ্যালেঞ্জ। এক একটা ম্যাচ করে টার্গেট করছি। দশটা ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এর মধ্যে আটটায় জিতছি। তো গ্রুপ পর্ব আমরা পার হয়ে গেছি। শেষ চারে গেছি। এখন শেষ চারে তো ডু অর ডাই ম্যাচ। কারণ এখানে যে চারটা টিম আছে সবাই ভাল টিম। যে যেদিন ভাল ক্রিকেট খেলবে সে সেদিন জিতবে। তো আমরা চেষ্টা করব, যেভাবে ভাল করছি সেভাবে ভাল করার।’

এমএএন/আইএইচএস/আইআই

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]