‘বিশ্বকাপের মানের প্রোডাকশন করা হচ্ছে বিপিএলে’

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৪২ এএম, ১২ জানুয়ারি ২০১৯

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি আসর শুরুর আগেই জানা গিয়েছিল এবারের আসরে বেশ কিছু নতুন ও উন্নত প্রযুক্তি যোগ হতে যাচ্ছে টিভি প্রোডাকশনে। যেই কথা সেই কাজ- টুর্নামেন্টের প্রথম দিন থেকেই দেখা গিয়েছে স্পাইডার ক্যামেরা ও ড্রোন ক্যামেরার ব্যবহার। ব্যবহৃত হয়েছে আম্পায়ার ক্যামেরাও।

তবু ছিলো না রিভিউ সিস্টেমের জন্য ব্যবহৃত আল্ট্রাএজ কিংবা স্নিকোমিটার। ফলে টুর্নামেন্টের প্রথম চারদিন রিভিউয়ের সিদ্ধান্ত জানাতে গিয়ে বিপাকেই পড়তে হয়েছে আম্পায়ারদের। শুক্রবার সে ঝামেলাও দূর করে দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। রিভিউ সিস্টেমে ব্যবহৃত হচ্ছে আল্ট্রাএজ।

কিন্তু এতে করে বিপিএলের ব্যবহৃত প্রযুক্তির ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলেও, টিভি প্রোডাকশনের মান বাড়েনি। টুর্নামেন্টের একদম শুরুর দিন থেকেই বেশ কিছু ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে টিভি সম্প্রচারে। যা অব্যাহত ছিলো শুক্রবারের ম্যাচেও।

তবে শুক্রবার বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানান বিপিএলের টিভি প্রোডাকশন নিয়ে খারাপ কিছু দেখছেন না তারা। বিশ্বকাপে আইসিসি যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে, বিপিএলেও সেসব ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শুক্রবার দিনের প্রথম ম্যাচের পরে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে মল্লিক বলেন, ‘কিছু প্রশ্ন এসেছে আমাদের প্রোডাকশন নিয়ে। এবার প্রোডাকশন আমরা বিসিবি নিজেরা করেছি। অন্যতম সেরা প্রোডাকশনের অভিপ্রায়ে শুরু করেছি। বিশ্বকাপ, আইপিএলের সেমিফাইনাল-ফাইনালে যে মানের প্রোডাকশন হয়, মিরপুরে সেটি করা হচ্ছে। সিলেটে স্পাই ক্যাম থাকবে না, সেখানে সেই অবকাঠামো নেই। এবার ড্রোন, স্পাইডার ক্যামসহ ৩৫টি কামেরায় প্রোডাকশন হচ্ছে, যেটি আমাদের দেশে আগে কখনও হয়নি।’

প্রোডাকশনের মান নিয়ে মল্লিকের সন্দেহ না থাকলেও, গ্রাফিকসের ভুলের কথা স্বীকার করে নেন তিনি। তবে আশাবাদী বক্তব্যে তিনি জানান সামনেই ড্যারিল কালিনান, ড্যানি মরিসনের মতো ধারাভাষ্যকাররা আসবে। ক্রমাগত ভুল করে যাওয়া ধারাভাষ্যকারদেরও রাখা হবে না প্যানেল।

মল্লিকের ভাষ্যে, ‘গ্রাফিকসে যে ভুলগুলি আছে, আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি। চেষ্টা করব ঠিক করার। ধারভাষ্যকার প্যানেলে আমরা পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। সামনে ড্যারিল কালিনান, ড্যানি মরিসন আসবে। যারা বারবার ভুল করবে, তারা থাকবে না প্যানেলে। কিছু ধারাভাষ্যকার আসলে আমাদের বিভিন্ন বোর্ডের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কারণে এসেছে।’

এসএএস/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :