তৃণমূল থেকে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে আনবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’
তৃণমূল থেকে শিশু-কিশোর ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে আনতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে যাচ্ছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। দেশব্যাপী এ আয়োজন চলবে।
উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ঐতিহ্যবাহী ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানের অনুপ্রেরণায় এবার ক্রীড়াঙ্গনে সুসংগঠিতভাবে প্রতিভা খুঁজে বের করার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে।
শুক্রবার (১ মে) গণমাধ্যমে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, খেলাধুলা এখন আর শুধু বিনোদন নয়, এটি বিশ্বজুড়ে সম্মানজনক ও লাভজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ক্রীড়াকে মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে গড়ে তোলা এবং খেলোয়াড়দের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের মাধ্যমে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্যে থেকে সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করে তাদের জন্য টেকসই ও পেশাদার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি, সামাজিক অবক্ষয় ও অতিরিক্ত ডিভাইস-নির্ভরতা থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া চর্চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই আয়োজন শিশু-কিশোরদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দলগত চেতনা গড়ে তুলবে, যা একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র নির্মাণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য রাষ্ট্রীয় ক্রীড়াবৃত্তি, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) মাধ্যমে উন্নত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার এরই মধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে। এসবের লক্ষ্য হলো, তৃণমূল থেকে উঠে আসা প্রতিভাগুলোকে যথাযথ পরিচর্যা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রীড়া তারকায় পরিণত করা।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরবে।
সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ দেশের ক্রীড়াঙ্গনে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
কেএইচ/একিউএফ