খেলার সঙ্গে মিলেমিশে যিনি
বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক শ্রদ্বাভাজন কামরুজ্জামান ক্রীড়া জগতে অতি পরিচিত প্রিয় মুখ। সদা অমায়িক, বন্ধুসুলভ, বিনয়ী ক্রীড়া সাংবাদিক কামরুজ্জামান শুধু আমার নয় লেখালেখির জগতে অনেকের কাছেই ছিলেন যেন আদর্শ।
কামরুজ্জামান ১৯৬৭ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ছিলেন দৈনিক বাংলার ক্রীড়া সম্পাদক। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছেন। আজও লিখে চলেছেন নিজের মতো করে। বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সাবলীল ভঙ্গিতে প্রেস বক্সে হাজির ৭৫ বয়সী কামরুজ্জামান। খেলা দেখছেন কথা বলছেন নিজের মতো করে। এরই এক ফাঁকে কথা হলো তার সঙ্গে।
কথা বললেন নিজের সম্পর্কে, এদেশের ক্রীড়াঙ্গন, খেলোয়াড়, সংবাদপত্র নিয়ে। আইনজীবী পরিবারের সন্তান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন আইন বিষয়ে। কিন্তু খেলাধুলা যার মনে সে কি করে আইন নিয়ে থাকেন, ফ্যামিলির অমতে চলে আসলেন সেই ক্রীড়া সাংবাদিকতায়।
ক্রীড়া সাংবাদিকতায় তার আবির্ভাবটা খুব সুখের ছিল না। নানা চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে। ওই সময় সংবাদপত্রের কোথাও ক্রীড়া নিয়ে এক কলামের বেশি লেখা হতো না। শুরু করলেন ক্রীড়া সাংবাদিকতা নিয়ে নতুন যুদ্ধ। আর ওই যুদ্ধে তিনি সফল।
তিনি শুধু সাংবাদিক হিসেবেই নন খেলোয়াড় হিসেবেও সফল। টানা ২৬ বছর ন্যাশনাল স্পোর্টিংয়ের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। শুধু ক্রিকেটই নয় খেলেছেন ফুটবলও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে খেলেছেন পাকিস্তান ন্যাশনাল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। এছাড়া আজাদ স্পোর্টিংয়ের অধিনায়কও ছিলেন।
সাংবাদিক হিসেবে দেখেছেন অনেক ম্যাচ। তবে এর মধ্যে তার দেখা সেরা ম্যাচ হল ২০০০ সালে বাংলাদেশ-ভারতের টেস্ট ম্যাচ।
৯০-এর দশকের সঙ্গে বর্তমান সময়ের খেলোয়াড়দের তুলনা করলে তিনি বলেন, দুই সময়ের প্রেক্ষাপট ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তবে বর্তমান সময়ের খেলোয়াড়রা আগের তুলনায় অনেক মেধাবী। আর বর্তমান সময়ের খেলোয়াড়দের মধ্যে সাকিব, তামিম আর মুশফিকের খেলা ভালো লাগে। তবে নতুনদের মধ্যে সাব্বিরের খেলা দেখতে বেশি ভালো লাগে।
এসএ/বিএ/এমএস