টুর্নামেন্ট সেরা ইমন বাবু


প্রকাশিত: ০৪:৫১ পিএম, ০৬ জুন ২০১৭

বিরতির বাঁশি বাজবে বাজবে অবস্থা। রেফারি মিজানুর রহমান বারবার দেখছিলেন হাতের ঘড়ি। এমন সময় মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে থ্রো পায় ঢাকা আবাহনী। রায়হান হাসানের করা লম্বা থ্রো চট্টগ্রাম আবাহনীর এক ডিফেন্ডার ফিরিয়ে দিলে বল চলে যায় বক্সের মাথায় দাঁড়ানো ইমন মাহমুদ বাবুর সামনে। কোনো সময় নেননি আবাহনীর এ মিডফিল্ডার-বা পায়ের দুর্দান্ত ভলি। দ্বিতীয়বারের মতো কাঁপে চট্টলার দলটির জাল। আবাহনী এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।

ইমন বাবুর কাজ ফরোয়ার্ডদের পায়ে বল যোগান দেয়া। পুরো টুর্নামেন্টে সে কাজটি ভালোভাবেই করেছেন তিনি। আবাহনীর ফেডারেশন কাপের ট্রফি ধরে রাখার মিশনে অনেক অবদান ছোটো-খাটো গড়নের এ মিডফিল্ডারের। ফাইনালের দর্শনীয় গোলটি তাকে ম্যাচ সেরা পুরস্কার এনে দিতে পারেনি। তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের গোল ও আগের চার ম্যাচে মাঝ মাঠে অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করার পুরস্কার ঠিকই পেয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছেন আবাহনীর এ মিডফিল্ডার।

ফাইনালে আবাহনীকে এগিয়ে দিয়েছিলেন নাবীব নেওয়াজ জীবন। ৩৬ মিনিটে তার গোলটিও ছিল দেখার মতো। আবাহনীর ফাইনাল জয়ের পেছনে অনেক পরিশ্রমও করেছেন তিনি। পুরস্কার হিসেবে হাতে উঠেছে ফাইনাল সেরা ট্রফি।

ফাইনালে আবাহনীর তিন গোলদাতাই পেয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন তিন পুরস্কার। শেষ গোলদাতা নাইজেরিয়ান এমেকা ডালিংটন। ৮০ মিনিটে বাম দিক থেকে ওয়ালি ফয়সালের ক্রসে চলন্ত বলেই পা চালিয়েছেন এ বছর শেখ জামাল ছেড়ে আবাহনীতে নাম লেখানো এ স্ট্রাইকার। ফাইনালের গোলটি ছিল ফেডারেশন কাপে এমেকার ষষ্ঠ গোল। ছয় গোল এমেকাকে এনে দিয়েছে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার।

চ্যাম্পিয়ন আবাহনী ট্রফির পাশপাশি পেয়েছে ছয় লাখ টাকা অর্থ পুরস্কার। প্রথমবারের মতো রানার্সআপ হওয়া চট্টগ্রাম আবাহনীর পুরস্কার ট্রফির সঙ্গে চার লাখ টাকা। ফেয়ার-প্লে পুরস্কার পেয়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।

আরআই/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।