ফিফার আয়োজক হতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্র দুর্নীতি খুঁজছে : ওয়ার্নার
২০২২ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্র দুর্নীতির বিভিন্ন ঘটনা খুঁজে বের করছে বলে মন্তব্য করেছেন ফিফার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জ্যাক ওয়ার্নার। ত্রিনিদাদ এ্যান্ড টোব্যাগোতে নিজের মালিকানাধীন সংবাদপত্রে লেখা এক কলামে তিনি অভিযোগ করেন।
ওয়ার্নার নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফিফার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের মনগড়া। তিনিসহ অন্যান্য ফিফা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্র তা পুরোপুরি পক্ষপাতমূলক।
উল্টো তিনি অভিযোগ করছেন যে, ২০২২ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হতে ব্যর্থ হবার কারণেই যুক্তরাষ্ট্র এখন দুর্নীতির বিভিন্ন ঘটনা খুঁজে বের করছে।
গত দু’সপ্তাহ ধরে ফিফাকে ঘিরে ধারাবাহিকভাবে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। সর্বশেষ ওয়ার্নারের বিরুদ্ধে সাতশো’ পঞ্চাশ হাজার মার্কিন ডলারের তহবিল তসরুফের অভিযোগ তদন্ত শুরু করে মার্কিন গোয়েন্দারা।
তদন্ত কর্মকর্তাদের অভিযোগ ২০১০ সালে হাইতির ভূমিকম্পের পর গঠিত তহবিলের অর্থ নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক এ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেছেন ওয়ার্নার।
ক্যারিবিয় ফুটবলের সবচেয়ে ক্ষমতাধর এই ব্যক্তি এখনও সেই অর্থ ফেরত দেননি বলে অভিযোগ তদন্ত কর্মকর্তাদের। তবে, সে অর্থ আর কখনো ফিরে পাওয়া যাবে না বলেও অনেকের অভিমত।
ত্রিনিদাদ এ্যান্ড টোব্যাগোর এ্যাটর্নী জেনারেল গারভিন নিকোলাস বলেছেন, আমার বিশ্বাস ওয়ার্নার হাইতিকে সহায়তার তহবিল তসরুফ করেছেন, এবং এটি একটি জঘন্য অপরাধ।
আমি আশা করি, ঐ চুরি করা অর্থ ফেরত পেতে কর্তৃপক্ষ, যা যা করা প্রয়োজন সবই করবেন। এবং এক্ষেত্রে তারা আমার পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন।
নিজের মালিকানাধীন একটি পত্রিকায় কলাম লিখে, ওয়ার্নার আরো অভিযোগ করছেন যে, ২০১০ সালে বিশ্বকাপের আয়োজক হবার জন্য, দক্ষিণ আফ্রিকা ফিফাকে ঘুষ দিয়েছিল, এমন অভিযোগ এনে যুক্তরাষ্ট্র আসলে, দেশটির কিংবদন্তী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাকে অপমান করছে।
এসকেডি/এমএস