যেভাবে ব্যবহার করলে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে ইয়ারফোন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:০৩ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
একটু যত্ন নিলেই অনেকদিন এক ইয়ারফোন ব্যবহার করতে পারবেন

ইয়ারফোন বা হেডফোন ব্যবহার করা এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ। গান শোনা হোক, পডকাস্ট বা মিটিং সব সময়ই এগুলো আমাদের সঙ্গী। কিন্তু অনেক সময় আমরা হঠাৎ করে এগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যায় পড়ি। তাই ইয়ারফোন দীর্ঘদিন ধরে ঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য কিছু খুঁটিনাটি বিষয় জানা প্রয়োজন।

প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে ইয়ারফোন কোথায় এবং কীভাবে রাখা হচ্ছে। ব্যবহার না করার সময় এটি আলাদা পাউচ বা ব্যাগে রাখা সবচেয়ে ভালো। এতে ইয়ারফোন জড়িয়ে বা পেঁচিয়ে যাবে না। যদি কখনও জড়িয়ে যায়, তবে সেটার জট খুলতে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে। অতি জোরে টানলে তার তার ভেঙে যেতে পারে।

অন্য কারও সঙ্গে ইয়ারফোন শেয়ার করাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। যদি শেয়ার করার প্রয়োজন হয়, তাহলে ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ইয়ারফোন পরিষ্কার করতে হবে। নাহলে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। তাই ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্যই এগুলো রাখা নিরাপদ।

নিয়মিতভাবে ইয়ারফোন পরিষ্কার করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইয়ারবাডসের মাথা তুলো দিয়ে মৃদু পরিষ্কার করতে পারেন এবং সামান্য স্পিরিট বা নেলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করলে ভালো হয়। তবে খুব বেশি পরিমাণে স্পিরিট ব্যবহার করা ঠিক নয়, তা ইয়ারফোনের অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এছাড়া ধুলা বা ময়লা জমে গেলে মাইক্রোফোন বা স্পিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

অতিরিক্ত আওয়াজে ইয়ারফোন ব্যবহার করাও ক্ষতির কারণ হতে পারে। খুব বেশি ভলিউমে গান বা অন্যান্য অডিও বাজালে স্পিকার ফেটে যেতে পারে, যা ডিভাইসকে দ্রুত নষ্ট করে। তাই যতটা সম্ভব মাঝারি বা নিরাপদ ভলিউমে ব্যবহার করা ভালো।

বর্তমান বাজারে নানা ধরনের ইয়ারফোন পাওয়া যায় ওয়্যারড, ওয়্যারলেস, ব্লুটুথ হেডসেট, ইয়ারবাডস ইত্যাদি। সব ধরনের ইয়ারফোনই যদি সাবধানে রাখা হয় এবং কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে ব্যবহার করা হয়, তবে এগুলো দীর্ঘদিন ভালোভাবে কাজ করবে।

আরও পড়ুন
এক গ্যাজেটেই পাবেন একাধিক ফিচার
১০ মিনিট চার্জে ৪ ঘণ্টা চলবে এই ইয়ারবাড

কেএসকে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।