ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ডি-রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫৮ এএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঘরে বসেই ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটটি ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন

ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে এখন চাইলেই যে কোনো ফোন ব্যবহার করা যাবে না। তা হতে হবে নিবন্ধিত। সেটা হোক বাংলাদেশ থেকে কিনেছেন কিংবা বিদেশ থেকে এনেছেন নিবন্ধন ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। ১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

এবার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হস্তান্তর বা বিক্রির আগে নিবন্ধন বাতিল করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অথবা অন্য কারও ব্যবহারের জন্য হস্তান্তরের পূর্বে অথবা বিক্রয়ের পূর্বে আবশ্যিকভাবে ডি-রেজিস্ট্রেশন (এনআইডি থেকে হ্যান্ডসেটটির নিবন্ধন/রেজিস্ট্রেশন বাতিল/অবমুক্ত) করতে হবে। এক্ষেত্রে, সিম ক্রয়ের সময় ব্যবহৃত ডকুমেন্ট (এনআইডি অথবা পাসপোর্ট নাম্বার)-এর শেষ ৪টি সংখ্যার প্রয়োজন হবে।

আসুন কীভাবে ঘরে বসে আপনার ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটটি বিক্রির আগে ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন দেখে নিন-
১. প্রথমে সিটিজেন পোর্টাল neir.btrc.gov.bd
২. মোবাইল অপারেটরদের (এমএনও) পোর্টাল
৩. মোবাইল অ্যাপ
৪. ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)

ডি-রেজিস্ট্রেশন করার শর্তসমূহ
১. ডি-রেজিস্ট্রেশন করার জন্য গ্রাহকের হ্যান্ডসেটে/মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত সিমটি অবশ্যই নিজ এনআইডি তে নিবন্ধিত হতে হবে।
২. ক্লোন/ডুপ্লিকেট আইএমইআই(IMEI) -সম্বলিত হ্যান্ডসেটটি ডি-রেজিস্ট্রেশন করার সময় অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর প্রদান করতে হবে।

আরও পড়ুন
এআইতে ঝুঁকছে মেটা, এক হাজারের বেশি কর্মী ছাঁটাই
ফোনের স্ক্রিন মাঝে মাঝেই সাদা-কালো হচ্ছে, যা করবেন

কেএসকে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।