টেকসই উদ্ভাবনে প্রযুক্তির সঙ্গে নীতিমালা পরিবর্তনের তাগিদ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৫৪ এএম, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ব্রিজিং গ্যাপস ইন দ্য ইনোভেশন ইকোসিস্টেম: হোয়াট বাংলাদেশ নিডস টু ডু’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়

সঠিক সময়ে উপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার না করা হলে দেশে টেকসই উদ্ভাবন সংস্কৃতি গড়ে ওঠা দুরূহ। তাই প্রযুক্তি পরিবর্তনে গতির সঙ্গে নীতিমালা পরিবর্তনের তাগিদ দিয়েছেন ব্যবাসয়ী নেতারা।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত উদ্ভাবনের ইকোসিস্টেম তৈরিতে বাংলাদেশের করণীয় বিষয়ক সেমিনারে এসব পরামর্শ উঠে আসে। ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬-এর প্রথম দিন বিকেলে উইন্ডি টাউন হলে ‘ব্রিজিং গ্যাপস ইন দ্য ইনোভেশন ইকোসিস্টেম: হোয়াট বাংলাদেশ নিডস টু ডু’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবু সাঈদ, বুয়েটের অধ্যাপক ড. এ বি এম আলিম আল ইসলাম, বাক্কোর অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল হক, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি (এনসিএ)-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. তৈয়বুর রহমান, এটুআই প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রফিক, আইডিয়া প্রকল্প পরিচালক মুর্তুজা জুলকার নাঈন নোমান এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির জ্যেষ্ঠ সদস্য আতিক ই রাব্বানী।

ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয়ে অ্যাসোসিয়েশন সেতুবন্ধন রচনা করতে পারে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চতুর্থ বর্ষে অধ্যায়নরতদের জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে ফের ইন্টার্নশিপ চালু, বৈশ্বিক মান বজায় রাখতে উদ্ভবন থেকে শিল্প পর্যায়ে আইএসও মান অনুশীলনের তাগিদ দিয়েছেন বক্তারা।

সেমিনারে জানানো হয়, ডিজিটাল রূপান্তরে সরকারের পক্ষ থেকে অনেক কাজ করা হয়েছে। এখন এসব কাজের মধ্যে সমন্বয় দরকার। সে লক্ষ্যেই অন্তর্ভূক্তিমূলক ডিজিটাল উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ন্যাশনাল ডেটা গভর্নেন্স এজেন্সি অধ্যাদেশ এবং এআই ব্যবহার নিয়ে ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি অধ্যাদেশ প্রস্তুত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এখন নাগরিকের কাঙ্ক্ষিত সেবা পৌঁছে দিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের আওতায় থাকবে, যা দর্শনার্থীদের এই অত্যাধুনিক ইন্টারনেট প্রযুক্তি সরাসরি ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে।

আয়োজকরা জানান, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে প্রদর্শনী চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। প্রদর্শনীতে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ থাকলেও অনলাইনে অথবা স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে।

ইএইচটি/এএমএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।