নতুন আইসিটি নীতিমালা অনুমোদন
তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা-২০১৫’-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রীসভা।
সোমবার মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠকে এ নীতিমালার অনুমোদন করা হয়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রীসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রীপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের একথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রযুক্তি নির্ভর মধ্যম আয়ের দেশ হবে বাংলাদেশ। আর ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হবে। তাই কীভাবে তথ্যপ্রযুক্তির আরও ব্যবহার করা যায় সেটি নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে নীতিমালায়।
সচিব জানান, ২০০৯ সালে প্রথম একটি নীতিমলা করা হয়। তবে এর পাঁচ বছর পেরিয়ে গেছে। তাই হালনাগাদ করার দরকার ছিল। প্রণীত নীতিমালাটি হালনাগাদ করে আইসিটি বিভাগ ২০১১ সালের ১১ মার্চ মন্ত্রীসভায় নিয়ে আসে। তাতে কিছু অনুশাসনও দিয়েছিল মন্ত্রীসভা। মন্ত্রীসভা নীতিমালা অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রীপরিষদ সচিব বলেন, ভিশন-২০২১ এ বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশের সান্নিধ্যে নিয়ে আসার জন্য কলাকৌশলের মধ্যে আইসিটির ব্যাপকতর ও গভীরতর ব্যবহার- এটি উন্নয়নের অন্যতম অবলম্বন।
নীতিমালায় আইসিটি কীভাবে, কী প্রক্রিয়ায়, কী অবয়বে ব্যবহার করা হবে তার দিক-নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, কারা কী কাজ করবে সেজন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও টাইমফ্রেম বেধে দেওয়া হয়েছে।
তিনটি ক্যাটাগরিতে কর্ম পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৬ সালের মধ্যে স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা, ২০১৮ সালের মধ্যমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে ২০২১ সালের মধ্যে।
নীতিমালায় একটি ভিশন থাকছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, বহুমুখি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ, দায়বদ্ধ এবং জবাবদিহিতামূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত করা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন নিশ্চিত করা, সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা বৃদ্ধি করা, সরকারি-বেসরকারি খাতে অংশীদারিত্বে জনসেবা নিশ্চিত করার প্রচেষ্ঠা থাবে।
ভিশনের আওতায় ১০টি উদ্দেশ্য, ৫৬টি কৌশলগত বিষয়বস্তু এবং ৩০৬টি করণীয় বিষয় রয়েছে।
মন্ত্রীপরিষদ সচিব বলেন, নীতিমালার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি করা।
এসএ/বিএ/এমএস