মোবাইল ফোনের ওপর কর কমানোর অনুরোধ


প্রকাশিত: ১২:০১ পিএম, ২৩ জুন ২০১৫

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশের সর্বস্তরের জনগণের কাছে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে সরকারকে মোবাইল ফোনের ওপর কর কমানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ)। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ অনুরোধ জানান তারা।

সুষ্ঠু, সুন্দর ও দিকনির্দেশনাপূর্ণ বাজেট (২০১৫-১৬ অর্থবছর) পরিবেশনের জন্য সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এ ধরনের পরিকল্পিত বাজেটকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে এ বছরের বাজেটে দেশের মোবাইল হ্যান্ডসেট বাজারে স্বস্তিমূলক কোনও বার্তা আসেনি। বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর মতো এদেশেও মোবাইল হ্যান্ডসেটের ওপর কর, মূসক ও সারচার্জসহ ৫ থেকে ১০ শতাংশের মত সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি। যা বর্তমানে মোট ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ হিসেবে আরোপিত রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সর্বস্তরে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে স্মার্টফোনের বিকল্প নেই উল্লেখ করে দেশের মানুষের কাছে সব ধরনের ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দিতে মোবাইল হ্যান্ডসেটের উপরে আরোপিত কর সহনীয় পর্যায়ে রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর ঘোষণায় জনগণের আশার এক নতুন দ্বার উন্মোচন হয়েছে উল্লেখ করে জানানো হয়, নীতিমালার আলোকে বাংলাদেশে বর্তমানে ১২ কোটি ৩৩ লক্ষ মোবাইল গ্রাহক তথ্য প্রযুক্তির আওতায় এসেছে। এছাড়া বর্তমানে ৪ কোটিরও উপরে বাংলাদেশের মানুষ ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করছে। যার মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশি গ্রাহক মোবাইল এর মাধমে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। সরকারের ‘তথ্য বাতায়ন’ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে কেউ দেশের যে কোনো স্থানে বসে এ সেবা পেতে পারেন।

এই সেবাসমূহ দেশের জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সাশ্রয়ী স্মার্টফোন এবং মোবাইল অপারেটরদের দেয়া থ্রিজি ইন্টারনেট সেবা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মোবাইল ফোনের ওপর কর কমানোর অনুরোধ জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

আরএস/এসআরজে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।