৬ মাস লকডাউনে ৭০ লাখ অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের শঙ্কা

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০৫ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২০

করোনাভাইরাসের থাবায় বিপর্যস্ত গোটা দুনিয়া। এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দেশে দেশে চলছে লকডাউন-কারফিউ। মুখ থুবড়ে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। ঘরবন্দী হওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে মানুষ। উদ্ভূত এ পরিস্থিতিতে নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়বে। ঝুঁকিতে পড়বে নারী ও মেয়েশিশুর প্রজননস্বাস্থ্য। এছাড়াও এ লকডাউন ছয় মাস অব্যাহত থাকলে ৭০ লাখ অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) এক বৈশ্বিক প্রতিবেদনে এ আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে ‘ইমপ্যাক্ট অব দ্য কোভিড ১৯ পেনডেমিক অন ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যান্ড এনডিং জেন্ডার বেজড ভায়োলেন্স ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন অ্যান্ড চাইল্ড ম্যারেজ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কোভিড-১৯ এর কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ১১৪টি দেশে প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ নারী আধুনিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ এবং অনিরাপদ গর্ভপাতের হার বাড়বে। ধারণা করা হচ্ছে, করোনাভাইরাস বিস্তার ঠেকাতে বিভিন্ন দেশের বিদ্যমান লকডাউন ছয় মাস অব্যাহত থাকলে বিশ্বে অতিরিক্ত ৭০ লাখ অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ এবং অতিরিক্ত ৩ কোটি ১০ লাখ সহিংসতার ঘটনা ঘটবে।

ইউএনএফপিএ বলছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে পরিবার পরিকল্পনার চাহিদা পূরণে বাধা, স্বাস্থ্যকর্মীদের সংকট বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে যথাযথ সেবাদানে বিঘ্ন ঘটতে পারে। অন্যদিকে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে সেবা নিতে যাওয়া নারীর সংখ্যাও কমে যাচ্ছে।

ইউএনএফপিএর হেলথ সিস্টেম স্পেশালিস্ট দেওয়ান মো. ইমদাদুল হক বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে মোট জনসংখ্যার ২৫ শতাংশ প্রজননক্ষম (১৫-৪৯ বছর) জনসংখ্যা। এই জনসংখ্যার মধ্যে গর্ভধারণ করে ১৫ শতাংশ। এদের মধ্যে গর্ভকালীন জটিলতায় অস্ত্রোপচারে সন্তান জন্ম দিতে হয় ৫ থেকে ১৫ শতাংশকে। তবে দেশের এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে গর্ভকালীন, প্রসবকালীন এবং প্রসব পরবর্তী সেবা নেয়ার হার কমবে। মায়েরা সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে চাইছেন না। আবার যে নারী কোভিড-১৯ আক্রান্ত, তাকে সেবা দেয়া নিয়েও জটিলতা দেখা দিচ্ছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে কি না, তা নিয়ে এখনো তেমন কোনো গবেষণা হয়নি। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর এলাকায় গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ দিনে ধর্ষণ, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন ও অপহরণের ২৮টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে নয়টি ধর্ষণের, আটটি যৌতুকের জন্য নির্যাতন, পাঁচটি অপহরণ ও ছয়টি যৌন নিপীড়নের মামলা।

ব্র্যাকের নারী নির্যাতন প্রতিরোধ উদ্যোগের পরিচালক নবনীতা চৌধুরী বলেন, ‘এই সময়ে বিশেষভাবে নারীর অবস্থা বুঝতে যে জরিপ চালিয়েছি সেখানে দেখেছি, মাস্ক এমনকি সাবানের ব্যবহারেও নারী সমান অধিকার পাচ্ছেন না। ৭০ শতাংশ পুরুষ যেখানে মাস্ক ব্যবহার করছেন, নারীর ক্ষেত্রে তা ৩৫ শতাংশ। অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে, তাই মেয়ের ওপর বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার চাপ বেড়েছে।’ ব্র্যাকের জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৩২ শতাংশ বলেছেন, এই সময়ে পরিবারে এবং পাড়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা আরও বেড়েছে।

ইউএনএফপিএর প্রতিবেদনে বলা হয়, বাল্যবিবাহ বন্ধের পরিকল্পিত চেষ্টা বিঘ্নিত হবে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উপপরিচালক সাবিরা নূপুর জানান, করোনাভাইরাসের বিস্তার থামলে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দেখা যাবে মেয়ে শিশুদের স্কুলে উপস্থিতি ছেলে শিশুদের চেয়ে কমে গেছে। এরপর যেকোনো উপায়েই হোক মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। ওয়ার্ল্ড ভিশনের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে ২১টি বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে।

অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ, গর্ভপাত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের পরিচালক চিকিৎসক মোহাম্মদ শরীফ বলেন, এখন স্বাস্থ্যকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা দেয়ার যে কার্যক্রম, তা কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। মানুষ অলস সময় কাটাচ্ছে বলে নারীদের গর্ভধারণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টি সেক্টরাল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবুল হোসেন বলেন, সরকারের হেল্পলাইন ১০৯ নম্বরে গত ২৬ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত কল এসেছে ৭০ হাজার। তবে বেশির ভাগ ফোন দিচ্ছেন করোনাভাইরাস সম্পর্কে জানার জন্য।

তিনি বলেন, বর্তমানে মানুষের কাজ নেই, হাতে টাকাপয়সা নেই, সেই অবস্থায় ঘরের ভেতরে পারিবারিক নির্যাতন বাড়ার একটা আশঙ্কা আছে।

এমএফ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৫,৮২,৩৮১
আক্রান্ত

৩,৪৭,৫৬৩
মৃত

২৩,৬১,০৪৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩৫,৫৮৫ ৫০১ ৭,৩৩৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭,০৬,১৬৮ ৯৯,৮০৪ ৪,৬২,৭৬৯
ব্রাজিল ৩,৭৪,৮৯৮ ২৩,৪৭৩ ১,৫৩,৮৩৩
রাশিয়া ৩,৫৩,৪২৭ ৩,৬৩৩ ১,১৮,৭৯৮
স্পেন ২,৮২,৮৫২ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৬১,১৮৪ ৩৬,৯১৪ ৩৪৪
ইতালি ২,৩০,১৫৮ ৩২,৮৭৭ ১,৪১,৯৮১
ফ্রান্স ১,৮২,৯৪২ ২৮,৪৩২ ৬৫,১৯৯
জার্মানি ১,৮০,৭৮৯ ৮,৪২৮ ১,৬১,২০০
১০ তুরস্ক ১,৫৭,৮১৪ ৪,৩৬৯ ১,২০,০১৫
১১ ভারত ১,৪৪,৯৫০ ৪,১৭২ ৬০,৭০৬
১২ ইরান ১,৩৭,৭২৪ ৭,৪৫১ ১,০৭,৭১৩
১৩ পেরু ১,২৩,৯৭৯ ৩,৬২৯ ৫০,৯৪৯
১৪ কানাডা ৮৫,৭১১ ৬,৫৪৫ ৪৪,৬৩৮
১৫ চীন ৮২,৯৮৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৬৮
১৬ সৌদি আরব ৭৪,৭৯৫ ৩৯৯ ৪৫,৬৬৮
১৭ চিলি ৭৩,৯৯৭ ৭৬১ ২৯,৩০২
১৮ মেক্সিকো ৬৮,৬২০ ৭,৩৯৪ ৪৭,৪২৪
১৯ বেলজিয়াম ৫৭,৩৪২ ৯,৩১২ ১৫,২৯৭
২০ পাকিস্তান ৫৬,৩৪৯ ১,১৬৭ ১৭,৪৮২
২১ কাতার ৪৫,৪৬৫ ২৬ ১০,৩৬৩
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৫,৪৪৫ ৫,৮৩০ ২৫০
২৩ ইকুয়েডর ৩৭,৩৫৫ ৩,২০৩ ১৮,০০৩
২৪ বেলারুশ ৩৭,১৪৪ ২০৪ ১৪,৪৪৯
২৫ সুইডেন ৩৩,৮৪৩ ৪,০২৯ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩১,৯৬০ ২৩ ১৫,৭৩৮
২৭ পর্তুগাল ৩০,৭৮৮ ১,৩৩০ ১৭,৮২২
২৮ সুইজারল্যান্ড ৩০,৭৪৬ ১,৯১৩ ২৮,২০০
২৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩০,৩০৭ ২৪৮ ১৫,৬৫৭
৩০ আয়ারল্যান্ড ২৪,৬৯৮ ১,৬০৮ ২১,০৬০
৩১ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩,৬১৫ ৪৮১ ১১,৯১৭
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২২,৭৫০ ১,৩৯১ ৫,৬৪২
৩৩ কলম্বিয়া ২১,৯৮১ ৭৫০ ৫,২৬৫
৩৪ কুয়েত ২১,৯৬৭ ১৬৫ ৬,৬২১
৩৫ পোল্যান্ড ২১,৬৩১ ১,০০৭ ৯,২৭৬
৩৬ ইউক্রেন ২১,২৪৫ ৬২৩ ৭,২৩৪
৩৭ রোমানিয়া ১৮,২৮৩ ১,২০৫ ১১,৬৩০
৩৮ মিসর ১৭,৯৬৭ ৭৮৩ ৪,৯০০
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৭৩৪ ২৮১ ১৪,৩০৭
৪০ জাপান ১৬,৫৮১ ৮৩০ ১৩,৬১২
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৫৩৯ ৬৪১ ১৫,১৩৮
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৫,০৭৩ ৪৬০ ৮,২৮৫
৪৩ ফিলিপাইন ১৪,৩১৯ ৮৭৩ ৩,৩২৩
৪৪ আর্জেন্টিনা ১২,৬২৮ ৪৬৭ ৩,৯৯৯
৪৫ ডেনমার্ক ১১,৩৮৭ ৫৬৩ ৯,৯৬৪
৪৬ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,২০৬ ২৬৭ ১০,২২৬
৪৭ সার্বিয়া ১১,১৯৩ ২৩৯ ৫,৯২০
৪৮ পানামা ১১,১৮৩ ৩১০ ৬,২৭৯
৪৯ আফগানিস্তান ১১,১৭৩ ২১৯ ১,০৯৭
৫০ বাহরাইন ৯,১৭১ ১৪ ৪,৭৫৩
৫১ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,০০২ ৩১৭ ৬,১৮২
৫২ কাজাখস্তান ৮,৫৩১ ৪৮৯ ৪,৫১৫
৫৩ আলজেরিয়া ৮,৫০৩ ৬০৯ ৪,৭৮৪
৫৪ নরওয়ে ৮,৩৬৪ ২৩৫ ৭,৭২৭
৫৫ নাইজেরিয়া ৮,০৬৮ ২৩৩ ২,৩১১
৫৬ ওমান ৭,৭৭০ ৩৭ ১,৯৩৩
৫৭ মরক্কো ৭,৫৩২ ২০০ ৪,৭৭৪
৫৮ মালয়েশিয়া ৭,৪১৭ ১১৫ ৫,৯৭৯
৫৯ মলদোভা ৭,১৪৭ ২৬১ ৩,৮০২
৬০ অস্ট্রেলিয়া ৭,১১৮ ১০২ ৬,৫৩১
৬১ আর্মেনিয়া ৭,১১৩ ৮৭ ৩,১৪৫
৬২ ঘানা ৬,৮০৮ ৩২ ২,০৭০
৬৩ ফিনল্যাণ্ড ৬,৫৯৯ ৩০৮ ৫,১০০
৬৪ বলিভিয়া ৬,২৬৩ ২৫০ ৬২৯
৬৫ ক্যামেরুন ৪,৮৯০ ১৬৫ ১,৮৬৫
৬৬ ইরাক ৪,৬৩২ ১৬৩ ২,৮১১
৬৭ আজারবাইজান ৪,২৭১ ৫১ ২,৭৪১
৬৮ লুক্সেমবার্গ ৩,৯৯৩ ১১০ ৩,৭৮১
৬৯ হন্ডুরাস ৩,৯৫০ ১৮০ ৪৬৮
৭০ সুদান ৩,৮২০ ১৬৫ ৪৫৮
৭১ হাঙ্গেরি ৩,৭৫৬ ৪৯১ ১,৭১১
৭২ গুয়াতেমালা ৩,৪২৪ ৫৮ ২৫৮
৭৩ গিনি ৩,২৭৫ ২০ ১,৬৭৩
৭৪ উজবেকিস্তান ৩,১৮৯ ১৩ ২,৬০৭
৭৫ সেনেগাল ৩,১৩০ ৩৫ ১,৫১৫
৭৬ তাজিকিস্তান ৩,১০০ ৪৬ ১,৩৯৫
৭৭ থাইল্যান্ড ৩,০৪২ ৫৭ ২,৯২৮
৭৮ গ্রীস ২,৮৮২ ১৭২ ১,৩৭৪
৭৯ জিবুতি ২,৪৬৮ ১৪ ১,০৭৯
৮০ বুলগেরিয়া ২,৪৩৩ ১৩০ ৮৬২
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৪২৩ ৩০ ১,২৫৭
৮২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪০৬ ১৪৬ ১,৬৯৬
৮৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,২৯৭ ৬৭ ৩৩৭
৮৪ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৪ ১০০ ২,০৩৫
৮৫ গ্যাবন ২,১৩৫ ১৪ ৫৬২
৮৬ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৯৯৯ ১১৩ ১,৪৩৯
৮৭ এল সালভাদর ১,৯৮৩ ৩৫ ৬৯৮
৮৮ কিউবা ১,৯৪৭ ৮২ ১,৭০৪
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮২৪ ৬৫ ১,৫৩৮
৯০ আইসল্যান্ড ১,৮০৪ ১০ ১,৭৯১
৯১ সোমালিয়া ১,৬৮৯ ৬৬ ২৩৫
৯২ লিথুনিয়া ১,৬৩৫ ৬৩ ১,১৩৮
৯৩ মায়োত্তে ১,৬০৯ ২০ ৮৯৪
৯৪ স্লোভাকিয়া ১,৫১১ ২৮ ১,৩০৭
৯৫ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২১ ১,৪৫৬
৯৬ স্লোভেনিয়া ১,৪৬৯ ১০৭ ১,৩৪৬
৯৭ কিরগিজস্তান ১,৪৩৩ ১৬ ৯৯২
৯৮ মালদ্বীপ ১,৩৯৫ ১৫৫
৯৯ কেনিয়া ১,২৮৬ ৫২ ৪০২
১০০ শ্রীলংকা ১,১৮২ ১০ ৬৯৫
১০১ গিনি বিসাউ ১,১৭৮ ৪২
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,১২১ ১৬ ২৬২
১০৩ লেবানন ১,১১৯ ২৬ ৬৮৮
১০৪ হংকং ১,০৬৬ ১,০৩০
১০৫ মালি ১,০৫৯ ৬৭ ৬০৪
১০৬ তিউনিশিয়া ১,০৫১ ৪৮ ৯১৯
১০৭ লাটভিয়া ১,০৪৯ ২২ ৭১২
১০৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,০৪৩ ১২ ১৬৫
১০৯ আলবেনিয়া ১,০০৪ ৩২ ৭৯৫
১১০ হাইতি ৯৫৮ ২৭ ২৯
১১১ কোস্টারিকা ৯৫১ ১০ ৬২৮
১১২ নাইজার ৯৫১ ৬২ ৭৮৬
১১৩ সাইপ্রাস ৯৩৭ ১৭ ৫৯৪
১১৪ জাম্বিয়া ৯২০ ৩৩৬
১১৫ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬২৯
১১৬ প্যারাগুয়ে ৮৬৫ ১১ ৩৪৪
১১৭ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৩২ ৫২ ৬৭২
১১৮ দক্ষিণ সুদান ৮০৬
১১৯ এনডোরা ৭৬৩ ৫১ ৬৬৩
১২০ সিয়েরা লিওন ৭৩৫ ৪২ ২৯৩
১২১ জর্জিয়া ৭৩১ ১২ ৫২৬
১২২ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২৩ জর্ডান ৭১১ ৪৭৯
১২৪ চাদ ৬৮৭ ৬১ ২৪৪
১২৫ নেপাল ৬৮২ ১১২
১২৬ সান ম্যারিনো ৬৬৬ ৪২ ২৭০
১২৭ ইথিওপিয়া ৬৫৫ ১৫৯
১২৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৬৫২ ২২
১২৯ মালটা ৬১১ ৪৮৫
১৩০ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৫৭
১৩১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৫৯ ৪৫ ৫১৭
১৩২ জ্যামাইকা ৫৫২ ২১১
১৩৩ মাদাগাস্কার ৫৪২ ১৪৭
১৩৪ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৫ কঙ্গো ৪৮৭ ১৬ ১৪৭
১৩৬ রিইউনিয়ন ৪৫৬ ৪১১
১৩৭ তাইওয়ান ৪৪১ ৪১৫
১৩৮ কেপ ভার্দে ৩৯০ ১৫৫
১৩৯ টোগো ৩৮৬ ১৩ ১৬১
১৪০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৩৫৩ ১৪৬
১৪১ বেনিন ৩৩৯ ৮৪
১৪২ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৫
১৪৩ রুয়ান্ডা ৩৩৬ ২৩৮
১৪৪ মরিশাস ৩৩৪ ১০ ৩২২
১৪৫ ভিয়েতনাম ৩২৬ ২৭২
১৪৬ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৭ নিকারাগুয়া ২৭৯ ১৭ ১৯৯
১৪৮ লাইবেরিয়া ২৬৫ ২৬ ১৪১
১৪৯ উগান্ডা ২৬৪ ৬৯
১৫০ মৌরিতানিয়া ২৬২ ১৫
১৫১ ইসওয়াতিনি ২৫৬ ১৫৮
১৫২ ইয়েমেন ২৩৩ ৪৪ ১১
১৫৩ মোজাম্বিক ২০৯ ৭১
১৫৪ মায়ানমার ২০৩ ১২৩
১৫৫ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৬ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৭ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৫৮ জিব্রাল্টার ১৫৪ ১৪৭
১৫৯ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৭
১৬০ মঙ্গোলিয়া ১৪১ ৩৩
১৬১ গায়ানা ১৩৭ ১১ ৬২
১৬২ কেম্যান আইল্যান্ড ১৩৪ ৬১
১৬৩ বারমুডা ১৩৩ ৮৯
১৬৪ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৬ সিরিয়া ১০৬ ৪১
১৬৭ আরুবা ১০১ ৯৫
১৬৮ মালাউই ১০১ ৩৩
১৬৯ বাহামা ১০০ ১১ ৪৬
১৭০ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭১ বার্বাডোস ৯২ ৭১
১৭২ কমোরস ৮৭ ২১
১৭৩ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৪ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৫৯
১৭৫ লিবিয়া ৭৫ ৪০
১৭৬ অ্যাঙ্গোলা ৬৯ ১৮
১৭৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৮ জিম্বাবুয়ে ৫৬ ২৫
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ১৯
১৮৫ ভুটান ২৭
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৭ গাম্বিয়া ২৫ ১৭
১৮৮ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৮৯ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯০ নামিবিয়া ২১ ১৪
১৯১ লাওস ১৯ ১৪
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮ ১৮
১৯৩ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৪ কিউরাসাও ১৮ ১৪
১৯৫ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১৮ ১৪
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১২ ১১
২০২ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৪ সুরিনাম ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।