১ কেজি পাবদা মাছ ৩৬০ টাকা, বাড়ছে চাষির সংখ্যা

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশিত: ০১:১৭ পিএম, ০৫ মার্চ ২০২০

ঝিনাইদহের মহেশপুরে পাবদা মাছ চাষ করে সফল হয়েছেন ১৫ জন। গতবছর ৫ কোটি টাকারও বেশি পাবদা মাছ ভারতে রফতানি করা হয়েছে। এ বছর ৮ কোটি টাকারও বেশি মাছ ভারতে রফতানি করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। পান্তাপাড়া ও বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের ২৫ হেক্টর জলাশয়ে এ মাছ চাষ করা হয়। তাদের সফলতা দেখে গতবছরের তুলনায় এবার মাছ চাষির সংখ্যা বেড়েছে।

চাষিরা হলেন- উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের আনোয়ার পারভেজ, আক্তার ও সালাম। বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের জাহেদ আলী, নয়ন, খোকন, শাহাবুদ্দীন, মোসলেম, মজনু ও ওসমান। নস্তি গ্রামের নিত্যপদ, শ্রীপুরের সাইফুল, জাগুসা গ্রামের নুর হোসেন ও মহেশপুরের রবীন্দ্রনাথ হালদার।

বাগান মাঠ গ্রামের জাহেদ আলী বলেন, ‘প্রথমে আমরা ৩ জন পাবদা মাছের চাষ করি। আমাদের চাষ করা মাছ ভারতের বনগাঁ ও বারাসাতে রফতানি করি। গতবছর ২৫ হেক্টর জলাশয়ে ১৫ জন মাছ চাষ করেছিলাম। তা থেকে ৩৬০ টাকা দরে ১৩০ মেট্রিক টন মাছ ভারতে রফতানি করি। এ বছর চাষির সংখ্যা বাড়ায় ৮ কোটি টাকারও বেশি মাছ ভারতে রফতানি করা সম্ভব।’

আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘প্রতি পিস পাবদা মাছের পোনা ৯০ পয়সা থেকে ১ টাকা ২০ পয়সা দরে ময়মনসিংহ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে কিনে আনা হয়। ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ তাদের গাড়িতে করে আমাদের পুকুর পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। ৬-৮ মাস পরিচর্যায় মাছগুলো বড় হয়ে বিক্রির উপযোগী হয়।

তিনি বলেন, ‘ভারতের মাছ ব্যবসায়ীরা আমাদের পুকুরে এসে প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৩৬০ টাকা দরে কিনে নিয়ে যান। মাছ বিক্রিতে আমাদের কোনো কষ্ট কিংবা খরচ করতে হয় না।’

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গতবছরের তুলনায় এ বছর আরও বেশি জলাশয়ে পাবদা মাছ চাষ করা হয়েছে। আমরা সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছি। এ বছর মাছ চাষির সংখ্যা বেড়েছে। এতে দেশের বেকারত্ব ঘোচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

এসইউ/পিআর