রাজবাড়ীতে বেড়েছে হলুদের আবাদ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
প্রকাশিত: ০১:০৫ পিএম, ০৩ জানুয়ারি ২০১৯

চাহিদা অনুযায়ী বাজারে দাম না পেলেও খুশি মনেই হলুদ চাষ করছেন রাজবাড়ীর চাষিরা। প্রায় বছর মেয়াদী সময়ে হলুদ আবাদ হয়ে থাকে। জেলায় সাধারণত আদা কাঠি, হরিন পালিয়া ও ডিমলা জাতের হলুদের আবাদ বেশি হয়।

জেলার প্রতিটি উপজেলায় কমবেশি হলুদের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে রাজবাড়ী সদর ও বালিয়াকান্দি উপজেলায় বেশি। প্রতি বিঘা জমিতে কীটনাশক প্রয়োগসহ হলুদ চাষ শুরু থেকে তোলা পর্যন্ত চাষিদের খরচ হয় ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৪৫ থেকে ৫০ মণ পর্যন্ত হলুদ উৎপাদন হয়ে থাকে। তবে এ বছর প্রতি বিঘায় ৩৫ থেকে ৪০ মণ উৎপাদন হয়েছে এবং কাঁচা হলুদের বাজার দরও গত বছরের চেয়ে কম।

গত বছর চাষিরা ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা মণ বিক্রি করলেও এ বছর বিক্রি করছেন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে। তবে দাম একটু কম হলেও লোকসান হচ্ছে না হলুদ চাষিদের।

এ বছর জেলায় হলুদের আবাদ হয়েছে ১৩২৫ হেক্টর জমিতে আর গত বছর আবাদ হয়েছিল ১৩১০ হেক্টর জমিতে। যা গত বছরের তুলনায় ১৫ হেক্টর বেশি। এ বছর প্রতি মণ শুকনা হলুদ বাজারে ৫ হাজর টাকা থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

RAJBARI-HOLUD

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী এ বছর ৫৮০০ মেট্রিক টন শুকনা হলুদ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৫৪০০ মেট্রিক টন। শুকনা হলুদের বাজার দর অনুযায়ী রাজবাড়ীতে প্রায় ২৯ কোটি টাকার হলুদ উৎপাদন ও বাজারজাত করা হবে।

হলুদ চাষিরা জানান, গত বছর চাষিরা যে দাম পেয়েছেন এ বছর সেটি পাচ্ছেন না। দাম একটু কম পেলেও লোকসান হচ্ছে না তাদের।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. ফজলুর রহমান জানান, জেলার পাঁচটির উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হলুদের আবাদ হয়ে থাকে বালিয়াকান্দি ও সদর উপজেলায়। হলুদ বছরব্যাপী ফসল হওয়ায় সাথী ফসল হিসেবে কৃষকেরা এর আবাদ করে থাকেন। হলুদে তেমন কোনো রোগবালাই নাই বললেই চলে।

রুবেলুর রহমান/এফএ/পিআর