ফসলের পাশাপাশি শাকসবজি ও ফলের উৎপাদন বাড়াতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:১৭ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০২০

ফসলের পাশাপাশি শাকসবজি ও দেশজ ফলের উৎপাদন বাড়াতে হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ‘মনিটরিং রিপোর্ট ২০২০ অব দ্য বাংলাদেশ সেকেন্ড কান্ট্রি ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান নিউট্রিশন-সেনসিটিভ ফুড সিস্টেম’ শীর্ষক অনলাইন সভায় খাদ্যমন্ত্রী এ কথা জানান। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রী তার মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম।

এফএও, ইউএইড এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষিজমি দিন দিন কমে যাচ্ছে। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত পড়ে না থাকে। প্রতিটা ইঞ্চি জমিকে উৎপাদনের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, এ জন্য সেচব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। বরেন্দ্র এলাকায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখা যায় না, এ এলাকায় ফসল উৎপাদনের জন্য কীভাবে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদিত ফসলের প্রাপ্যমূল্যের নিশ্চয়তা দিতে হবে। তাহলে কৃষক ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত হবে, নিরুৎসাহিত হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই করোনাকালীন বিভিন্ন ধরনের ফসলের পাশাপাশি সবজি ও নানা ধরনের দেশজ ফল চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। উৎপাদনের পর সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন করতে হবে। সবজি ও ফলমূলের ক্ষেত্রে কৃষকের চেয়ে মধ্যস্বত্বভোগীরা বেশি মুনাফা নিয়ে যায়, ফলে দিন দিন কৃষকের এ সেক্টরে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু শাকসবজি ও দেশজ ফল বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির অন্যতম উৎস।

করোনা মহামারির কারণে অনেক মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই করোনা থেকে কবে মুক্তি হবে তা এখনও কেউ জানে না, সে জন্য নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে কীভাবে এই করোনাকে মোকাবিলা করে দারিদ্র্যের হার কমানো যায়।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেকেই অসচেতন। এই কোভিডের সময়ও অনেকেই মাস্ক পরে না, এ জন্য আরও সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তেমনি খাদ্যেও অনেকে ভেজাল দেয়। এ জন্য আমরা জনসচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের মনকে ভেজালমুক্ত করতে না পারব, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ভেজালমুক্ত হতে পারব না।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ইউএসএইডের প্রাইভেট সেক্টর অ্যাডভাইজার অনিরুদ্ধ রায়, খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

আরএমএম/বিএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]