ধানের ২ ধরনের ফড়িং দমনের উপায়

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:১৯ পিএম, ৩০ জুন ২০২২

আমাদের কৃষি প্রধান দেশে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ জমিতে ধান চাষ করা হয়। এখনও দেশের অনেক পরিবার শুধু ধান চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করছে। তবে দেশের কৃষকরা ধান চাষ করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। এর মধ্যে আঁকাবাঁকা পাতা ফড়িং এবং সবুজপাতা ফড়িং অন্যতম। এরা ধান গাছের পাতা থেকে রস শুষে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে।

সবুজপাতা ফড়িং: পূর্ণবয়স্ক ও বাচ্চা সবুজপাতা ফড়িং ধান গাছের পাতা থেকে রস শুষে খায়। এরা বেটে ধান, ক্ষণস্থায়ী হলদে রোগ, টুংরো এবং হলুদ বেটে নামক ভাইরাস রোগ ছড়ায়।

ক্ষতির ধরণ: টুংরো রোগ বেশি ছড়ায়। পূর্ণবয়স্ক সবুজপাতা ফড়িং ৩-৫ মিলিমিটার লম্বা এবং গায়ে উজ্জ্বল সবুজ রঙের সঙ্গে বিভিন্ন কালো দাগ থাকে। এরা পাতার মধ্য শিরায় বা পাতার খোলে ডিম পাড়ে। এদের বাচ্চাগুলো পাঁচবার খোলস বদলায় এবং এদের গায়ে বিভিন্ন ধরনের দাগ রয়েছে ।

আঁকাবাঁকা পাতা ফড়িং: এরা বেটে গল, টুংরো এবং কমলা পাতা নামক ভাইরাস রোগ ছড়ায় এবং পাতার রস শুষে খায়। পূর্ণবয়স্ক ফড়িংয়ের পাখায় আঁকাবাঁকা দাগ আছে। বাচ্চাগুলো হলদে ধূসর রঙের।

ধান ক্ষেত হতে ২০০ থেকে ৩০০ মিটার দূরে আলোক ফাঁদে সবুজ পাতাফড়িং এবং আঁকাবাঁকা পাতা ফড়িংকে আকৃষ্ট করে মেরে ফেললে এদের সংখ্যা অনেক কমিয়ে ফেলা যায়। হাতজাল দিয়েও পোকা ধরে মেরে ফেলা যায়।

সবুজপাতা ফড়িং ও টুংরো রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ধানের জাতের চাষ করা। হাতজালের প্রতি টানে যদি একটি সবুজপাতা ফড়িং পাওয়া যায় এবং আশেপাশে টুংরো রোগাক্রান্ত গাছ থাকে তাহলে বীজতলা ও ধানের জমিতে অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে।

তথ্য সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস

এমএমএফ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]