বন্ধ ক্যাম্পাসে গণ‌ইফতারের ঘোষণা শেকৃবি প্রশাসনের 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক শেকৃবি
প্রকাশিত: ০২:১৩ পিএম, ১২ মার্চ ২০২৬
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ফাইল ছবি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বন্ধ রয়েছে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) একাডেমিক কার্যক্রম। তবে বন্ধ থাকার মধ্যেই গণইফতার আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

গত ৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো: নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা এবং পবিত্র রমজান, লাইলাতুল কদর, জুমাতুল বিদা, ঈদুল ফিতর, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ৯ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামের পরীক্ষা বিশেষ ব্যবস্থাপনায় নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

এর মধ্যেই বুধবার (১১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো: নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আরেক নোটিশে গণইফতারের ঘোষণা দেওয়া হয়। 

নোটিশে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শেকৃবি টিএসসি অডিটোরিয়ামে শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার  উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়। 

এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৪ মার্চ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গণইফতার অনুষ্ঠিত হয়। তবে শেকৃবিতে ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণার পর ইফতার আয়োজন করায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক শিক্ষার্থী। এর আগেও ইফতার আয়োজনকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে পড়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই যখন ছুটিতে বাড়ি চলে গেছে, তখন সেই শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন কতটুকু শিক্ষার্থীবান্ধব তা বুঝতে পারছি না। গতবারের মতো নোটিশে ছাত্র-ছাত্রী শব্দটি না দিলেও পারতেন। ছুটির কারণে কি শিক্ষার্থীরা ইফতার ও ২৬ মার্চের ফিস্ট দুইটাই হারাল?’

ইফতার মাহফিল কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এ কে এম রুহুল আমিন বলেন, ‘আমাদের লাস্ট অফিস ডে ছিল ১২ তারিখ। ইফতার মাহফিলটি আগে থেকেই নির্ধারিত একটি কর্মসূচি ছিল। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ছুটিটি এগিয়ে এসেছে। যেহেতু এটি আগেই নির্ধারিত ছিল, তাই নির্ধারিত তারিখেই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

এমডি‌এস‌এ/এমএমএআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।