‎জবিতে প্রথমবারের মতো গবেষণা পুরস্কার পেলেন চার শিক্ষক

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ১০:৫৫ এএম, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো চার শিক্ষককে গবেষণা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে/ছবি সংগৃহীত

‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথমবারের মতো গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ভাইস চ্যান্সেলর রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়েছে। ২০২৩-২০২৪ সেশনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অনুষদ থেকে চারজন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

‎বুধবার (৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে সনদপত্র, ক্রেস্ট ও সম্মাননা চেক তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন।।

পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বিজ্ঞান অনুষদের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দ আলম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. হাছিনা আক্তার।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাদের দায়িত্ব এখন আরও বেড়ে গেলো। শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষকদের গবেষণায় আগ্রহ আরও বাড়বে।

‎উপাচার্য বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিং উন্নয়নে গবেষণার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে শিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহ দিতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং উন্নয়নের জন্য ‘র‌্যাংকিং ডেভেলপমেন্ট কমিটি’ গঠনের কথাও জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সবাইকে ‘টিম জগন্নাথ’ হিসেবে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান উপাচার্য।

‎অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যানসহ শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

টিএইচকিউ/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।