ঢাবিতে গেস্টরুম-গণরুমে নির্যাতনের বিচার দাবি ছাত্রদলের

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ঢাবি
প্রকাশিত: ০২:৫৩ পিএম, ০৫ মে ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন/ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অতীতে গেস্টরুম ও গণরুমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো নির্যাতনের বিচার এবং আবাসন সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রদল।

ঢাবি ছাত্রদল এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৫ মে) উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। পরে সংবাদ সম্মেলন করেন সংগঠনের নেতারা।

ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন জানান, অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গেস্টরুম ও গণরুমের মাধ্যমে ভিন্নমতের শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। এতে অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়েছে এবং অনেকে পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি। এসব ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়েও আগের প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দাবি জানিয়েছি, কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। বর্তমান প্রশাসনের কাছে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানাই।’

শিপন অভিযোগ করেন, ‘ছাত্রশিবির অতীতে গেস্টরুম ও গণরুমের নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত থাকলেও বর্তমানে তা অস্বীকার করে উল্টো ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ বিষয়ে আমাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে।’

আবাসন সংকট প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঢাবি পুরোপুরি আবাসিক না হওয়ায় প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শয্যা দেওয়া কেন্দ্র করে অতীতে গেস্টরুম ও গণরুম সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। তাই প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শয্যা দিতে হবে এবং যাদের দেওয়া সম্ভব নয়, তাদের জন্য আবাসনবৃত্তি সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের ঢাবি সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় বলেন, গেস্টরুম ও গণরুমের নামে অতীতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালানো হতো, যা তাদের জীবনে বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে। এই সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি হবে না বলে তিনি আশ্বাস দেন।

তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে হবে এবং কোনো সংগঠনের কর্মকাণ্ড যেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

এফএআর/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।