ঢাবির শামসুন নাহার হলের দুই শিক্ষার্থীর স্বর্ণপদক ও ৩১ জনের বৃত্তি লাভ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ঢাবি
প্রকাশিত: ০৬:৩২ এএম, ০৭ মে ২০২৬
বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ২১ জন মেধাবৃত্তি এবং ১০ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শামসুন নাহার হলের ২ জন শিক্ষার্থী স্বর্ণপদক এবং ৩১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছেন। অসাধারণ একাডেমিক ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে শামসুন নাহার মাহমুদ ফাউন্ডেশন বৃত্তি তহবিলের আওতায় এ সম্মাননা দেওয়া হয়। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ২১ জন মেধাবৃত্তি এবং ১০ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় শামসুন নাহার হল মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের হাতে স্বর্ণপদক, বৃত্তির চেক ও সনদপত্র তুলে দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন শামসুন নাহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা। অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা দেন শামসুন নাহার মাহমুদের নাতনি ডা. যেবা মাহমুদ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বৃত্তি ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এ অর্জন তাদের মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি। তিনি শামসুন নাহার মাহমুদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আদর্শ অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।

স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন-অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের হাজিরা রহমান মিশি এবং সংগীত বিভাগের শেখ জেরিন শবনম।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- প্রজ্ঞা সাহা (ভাষাবিজ্ঞান), ঈশিতা খাতুন (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি), মায়িশা মেজবাহ (যোগাযোগ বৈকল্য), আতকিয়া তাবাসসুম (প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন), মোছা. সুমাইয়া ফারুকী (রসায়ন), হুমায়রা হাবিবা (প্রাণিবিদ্যা), উম্মে হাবিবা মারজান (ভূতত্ত্ব), নাইমা জিয়া (মার্কেটিং), মুসলিমা আক্তার আঁখি (অ্যাকাউন্টিং), মোসা. আয়শা নাজমিন (শিল্পকলার ইতিহাস), কামরুন্নাহার কলি (ফলিত পরিসংখ্যান), শান্তা আক্তার (ফারসি ভাষা ও সাহিত্য), অনন্যা দে (থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ), তাসনীম কাশফিয়া সুবাহ (লোক প্রশাসন), হৃদিয়া আফরোজ (উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ), নুসরাত জাহান (পরিসংখ্যান), চৈতালী বিশ্বাস (মৎস্যবিজ্ঞান), কায়সারি ফেরদৌস (ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং), মারজানা খাতুন (ফিন্যান্স), আনিলা আক্তার (আইন), ফায়রুজ আনিকা (পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান), নিশাত তাসনীম (লোক প্রশাসন), মোছা. জুলিও শারমিন (যোগাযোগ বৈকল্য), মনিরা ইয়াসমিন (মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ), দ্বীপান্বিতা রায় (ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট), উম্মে সুমাইয়া (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট), শাপলা সুলতানা (ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট), সামিয়া রাওজীন আশা (বাংলা), রিতা রানী সরকার (পালি অ্যান্ড বৌদ্ধিস্ট স্টাডিজ), জান্নাতুল ফেরদৌসী নীম (নৃবিজ্ঞান) এবং সুমাইয়া মোস্তারী রিন্তী (শিল্পকলার ইতিহাস)।

এফএআর/এএমএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।