শিক্ষা অর্জনে কোনো ছাড় নেই : ফজলে হাসান বাদশা
রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হাসান বাদশা বলেছেন, বর্তমানে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তারা তাদের আসল কাজই ভুলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, যে যতো কাজই করুক না কেনো নিজের অ্যাকাডেমিক শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই।
শুক্রবার বিকেল ৫টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ডিন্স কমপ্লেক্স ভবনে ইউনাইটেড নেশন্স ইয়ুথ অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউনিস্যাব)-এর এক বছর পূর্তি ও তাদের তৃতীয় নবীণবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে আর হেয় করার কোনো কারণ নেই। আজ সারা বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
তিনি তার বক্তব্যে এই সংগঠনটির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসা করেন এবং আরো কিছু কাজ করার আহ্বান জানান। এর মধ্যে রয়েছে নিজের অ্যাকাডেমিক পড়াশোনা যথাযথ রাখা, ধূমপানমুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে এখানে সিগারেট বিক্রয় বন্ধ করা, নারীদের সম্মান করা ও নেপালের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া প্রভৃতি।
ইউনিস্যাবের সদস্য জাবাদ আমিন ও রুপাইয়া খান অনামিকার পরিচালনায় এসময় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি রাবি উপাচার্য প্রফেসর মুহম্মদ মিজানউদ্দিন ও ইউনিস্যাবের সভাপতি মামুন মিয়া।
প্রফেসর মুহম্মদ মিজানউদ্দিন বলেন, আামাদের ছাত্রসমাজ থেকে ধীরে ধীরে নেতৃত্ব দেয়ার অভিজ্ঞতা হারিয়ে যাচ্ছে। এই ইউনিস্যাব সংগঠনটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো মানুষ তৈরি করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এসময় তিনি সংগঠনের সকল সদস্যদের শুভকামনা জানান।
অনুষ্ঠানে এই সংগঠনটির গত এক বছরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যাবলী বর্ণনা করেন সংগঠনের সদস্য কাজী মামুন দ্বীপ ও রাশেদ মোল্লা।
এসময় গত এক বছরে সংগঠনে সুদৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য এজাজুল হক লিমন, জেইন আল মাইন ও কাজী মামুন দ্বীপকে `বেস্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড-২০১৪` প্রদান করা হয়।
‘লিডার্সশিপ থ্রু ভলেনটিয়ারিজম’ স্লোগানে ইউনিস্যাব যাত্রা শুরু করে ২০১৪ সালের ৮ মে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বৃক্ষরোপণ, হতদরিদ্রদের সাহায্য প্রদান, পথ শিশুদের ঈদের কাপড় দান, পরিবেশের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার, পরিবেশ বান্ধব ডাস্টবিন স্থাপন প্রভৃতি। বর্তমানে রাজশাহী উইং এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ২০০জন।
এমজেড/আরআই