‘ড. মালিহা-নুরুল ট্রাস্ট ফান্ড’ বৃত্তি পেলেন ঢাবির ২২ শিক্ষার্থী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান, গণিত ও রসায়ন বিভাগের বিভিন্ন সেশনের ২২ শিক্ষার্থীকে ‘ড. মালিহা খাতুন-মুহাম্মদ নুরুল হুদা ট্রাস্ট ফান্ড’ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তার সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফরিদা বেগম, গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাপলা শিরিন, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী হানিয়াম মারিয়া, ট্রাস্ট ফান্ডের দাতা মুহাম্মদ নুরুল হুদা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় এই তিন বিভাগের ২০১৯-২০২০, ২০২০-২০২১, ২০২১-২০২২ এবং ২০২২-২০২৩ সেশনের প্রথম বর্ষ সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থী এককালীন ১২ হাজার টাকা করে পেয়েছেন।
বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন- পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের মো. ফয়সাল, সুমাইয়া শারমিন যুথি, শোভন মন্ডল, ফাহমিদা আক্তার সিনহা, উম্মে মুমতাহানা বিনতে তাহের, মো. মিরাজ মোর্শেদ, মো. নূরনবী ও মো. রাইসুল হাসান।
গণিত বিভাগের রাবেয়া আক্তার দিবা, মো. মাসুম রানা, সুমন ফকির, শ্রাবণী রানী আচার্য, মোছা. নিশি খাতুন, শারমিন পারভীন, মো. আতোয়ার হোসেন ও তাহমিনা সুলতানা।
রসায়ন বিভাগের নুরে আলম রায়হান, মো. ইব্রাহিম হোসেন, মো. আ. রকি, স্বাধীন কর্মকার, মো. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন ও সাদাত হোসেন রানা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যের স্বীকৃতি দিতে বিভিন্ন ট্রাস্ট ফান্ড ও বৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে এবং তাদের আরও ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহ জোগায়।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা যখন শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এগিয়ে আসেন, তখন তা শুধু আর্থিক সহায়তা নয় বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তাদের ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ।
তিনি দাতা পরিবারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের এই অবদান শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পুরস্কারের অর্থমূল্যের চেয়ে এর স্বীকৃতি ও সম্মান অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একজন শিক্ষার্থী যখন তার মেধা ও সাফল্যের জন্য স্বীকৃতি পায়, তখন তা তাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার প্রেরণা দেয়।
এফএআর/বিএ