রাবিতে যত্রতত্র আবর্জনা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা


প্রকাশিত: ১০:৫৩ এএম, ১২ মে ২০১৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিভিন্ন জায়গায় দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। সময়মতো পরিষ্কার না করায় এগুলো থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আর যাতে করে ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের মাঝমাঝি স্থানে একটা নর্দমা রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখা হয়েছে। ফলে এখানে জমে থাকা পানি থেকে প্রচুর পরিমাণে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। এতে করে ভবনের পাশ দিয়ে দিয়ে চলাফেরা করার সময় ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীসহ সবাই। আর এর পাশেই রয়েছে একটি চায়ের দোকান। যেখানে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার ফাঁকে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প, আড্ডাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করে থাকে। কিন্তু এই নর্দমার দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা আবর্জনার কারণে তাদের এখানে বসে থাকতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শফী মাহমুদ বলেন, আমরা ক্লাস শেষে বা ক্লাসের ফাঁকে এই চা স্টলে বসে একটু বিশ্রাম নেই। কিন্তু এখান থেকে তীব্র গন্ধ বের হওয়ায় আমরা এখানে আর বসতে পারি না।
একই কথা বলেন সিরাজুচ সালেকীন নামের আরেক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, আমরা আমাদের ক্যাম্পাস পরিষ্কার পরিছন্ন হিসেবে দেখতে চাই। এ সময় তিনি ক্যাম্পাসে পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বিষয়গুলোতে খেয়াল করার জন্য প্রশাসনের নিকট আহ্বান জানান। শুধু এখানে নয় এই একই রুপ চোখে পড়ে ক্যাম্পাসের পুরাতন ফোকলোর চত্বর সংলগ্ন পুকুর, বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন ডোবা নালার মতো ছোটোখাটো বিভিন্ন জায়গায়। এই ময়লা আবর্জনাপূর্ণ ডোবা-নর্দমা শুধু পরিবেশই নষ্ট করছে না, ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রবও বাড়াচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরান খান নাহিদ বলেন, এই নর্দমার কারণে ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে আমাদের মশার কামড়ে ম্যালেরিয়ার মতো বিভিন্ন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।
 
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুয়ার্ড শাখা সহকারী রেজিস্ট্রার মো. নূরল হক বলেন, আসলে সবকিছু ঠিকমতোই পরিষ্কার করা হয়। কিন্তু বর্তমানে আমাদের ম্যান পাওয়ার কম থাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাজে বিঘ্ন ঘটেছে। যতো দ্রুত সম্ভব এই জায়গাগুলো পরিষ্কার করে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. ছাদেকুল আরেফিন মাতিন বলেন, ‘আমি অতি শীঘ্রই এ বিষয়টি দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জানাবো। তারা অতি দ্রুত এই আবর্জনাগুলো পরিষ্কার করবে।’

রাশেদ রিন্টু/এআরএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।