ভোলায় ক্ষতিগ্রস্তের তুলনায় ত্রাণ অপ্রতুল
ভোলায় ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ত্রাণ ব্যবস্থা অপ্রতুল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তারা ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবিও জানিয়েছেন।
সোমবার সকালে বাপ্তা এলাকায় ২শ পরিবারের মধ্যে চাল বিতরণ করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। এছাড়া, বিকেলে ইলিশা ও কাচিয়া এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
এসময় ত্রাণ বিতরণ পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী তোফায়েল হোসেন, জেরা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্তের তুলনায় ত্রাণ কম বলে অভিযোগ করেছেন তজুমদ্দিন উপজেলার শশিগঞ্জ এলাকার ক্ষতিগ্রস্তরা। ঝড়ের প্রথম দিনে যে একশ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, তারপর ৭ উপজেলার জন্য আর কোনো বরাদ্দ দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
এছাড়া ঘরবাড়ি হারিয়ে বহু পরিবার খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। অনেকের ঘর তোলার সামর্থ নেই।
ভোলার জেলা প্রশাসক মোহা. সেলিম উদ্দিন জানান, প্রথম দিনেই ৮ লাখ টাকা ও ১০০ মে. টন চাল উপজেলা অনুযায়ী বরাদ্দ দেয়া হয়। ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহতা দেখে আরো বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বুধবার ত্রাণমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিবদর্শনে আসছেন বলেও জানান তিনি।
অমিতাভ অপু/এফএ/আরআইপি