ঝিনাইদহে হুমকি-ধামকির মধ্যে চলছে প্রচারণা
তফসিল অনুযায়ী ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৭ ইউনিয়নে নির্বাচন হবে আগামী ২৮ মে। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র ও বিএনপির প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন, সন্ত্রাসীদের হুমকি-ধামকির মধ্যে চলছে নির্বাচনের প্রচারণা।
গান্না ইউনিয়নের বর্তমান স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান লিটন জানান, তিনি নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে দিয়ে এখন এলাকা ছাড়া।
অভিযোগে আরও পাওয়া যায়, ইতোমধ্যে মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আবু বকর। তাকে আওয়ামী লীগে যোগদান করতে বাধ্য করা হয়েছে। সেখানকার বিএনপি প্রার্থী খুরশিদকে এলাকা ছাড়ার জন্য হুমকি দেয়া হয়েছে। মহারাজপুর ইউনিয়নে ভোটারদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, গত রোববার সন্ধ্যায় ধোপাবিলা গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী রবি জোয়ারদারের নির্বাচনী অফিস তছনছ করা হয়েছে। গত সোমবার সদরের সাগান্না ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে। সাধহাটী, মধুহাটী, হলিধানী ও কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হচ্ছে।
ঝিনাইদহ সদরের মধুহাটী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তহুরুল ইসলাম জানান, শনিবার রাত ১টার দিকে তিনি নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে বাজারে এসে দেখেন দুর্বৃত্তরা নৌকায় আগুন দিচ্ছে। তিনি এ সময় সঙ্গে থাকা সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্বৃত্তদের ধাওয়া করেন।
দুর্বৃত্তরা এ সময় তাদের লক্ষ্য করে বোমা ছুড়ে মারে। প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র (আ.লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থী জুয়েলের সমর্থকরা নৌকায় আগুন দিয়েছে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের কোনো মাথাব্যথা নেই বলে প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন।
জেলা নির্বাচন অফস সূত্রে জানা যায়, এবার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৬৯টি কেন্দ্রে সর্বমোট ১,১৯,৯৬০ জন ভোটার ভোট দেবেন। মোট ৭টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩১ জন, মেম্বার পদে ২২৬ জন ও সংরক্ষিত নারী আসনে ৬৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আহমেদ নাসিম আনসারী/এসএস/পিআর