বাণিজ্য মেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড়
পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসর চলছে। তবে গত কয়েকদিন শীতের তীব্রতা থাকায় মেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিলো কম। বুধবার (৭ জানুয়ারি) শীতের দাপট কম থাকায় সকাল থেকে বেড়েছে ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যা।
আড়াইহাজার থেকে মেলায় এসেছেন এনামুল হক বিজয়। তিনি জাগো নিউজকে জানান, বাণিজ্য মেলার প্রথম দিনই আসার ইচ্ছা ছিলো। কিন্তু ঘন কুয়াশা আর শীতের কারণে আসা হয়নি। বুধবার সকালে আকাশে সূর্যের দেখা পেয়েছি। পৌষের মিষ্টি রোদে আবহাওয়া খুবই ভালো লাগছে, তাই সপরিবারে মেলায় চলে এলাম।
শাহিনা বেগম নামে এক দর্শনার্থী জানান, ২ থেকে ৩ দিন ধরে মেলায় আসবো চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু ঘন কুয়াশা ও শীতের কারণে আসা হয়নি। আজ সূর্য উঠায় আবহাওয়াটা ভালো। রোদের আলোতে মেলাটা যেন ঝলমল করছে। এমন পরিবেশে মেলায় এসে খুবই ভালো লাগছে। দিনভর কেনাকাটা করবো।

আমিরা বিডি ডট কমের ম্যানেজার জাহিদুল ইসলাম জানান, কুয়াশা ও শীতের দাপটে এ কদিন মেলায় মানুষজনের প্রস্তুতি তুলনামূলক খুবই কম ছিলো। আজ আকাশে সূর্যের হাসির সঙ্গে বাণিজ্য মেলাও যেন হেসে উঠেছে। সকাল থেকেই ক্রেতা দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আগের তুলনায় অনেক বেশি লক্ষ্য করছি। এদিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও নিকটে আশা করছি এ যাত্রায় মেলা এখন থেকেই জমে উঠবে।
মেলার ইজারাদার ডিজি ইনফোটেক লিমিটেডের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট ডিরেক্টর মারুফুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, এমনিতেও মেলায় প্রথম দিকে ক্রেতা দর্শনার্থী কিছুটা কম থাকে। তার মধ্যে প্রথম থেকেই ঘন কুয়াশা আর শৈত্যপ্রবাহের কারণে জনসমাগম তুলনামূলক কমই ছিলো। আজ হঠাৎ তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। ফলে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে। বিকেল যত ঘনিয়ে আসবে ক্রেতা দর্শনার্থী আরও বাড়বে বলে আশা করছি। মঙ্গলবার ১৬ হাজার ৫৪৪ জন দর্শনার্থী টিকিট কেটে মেলায় প্রবেশ করেছে। আশা করছি আজ এর সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে। তবে আজকের মত আবহাওয়া থাকলে শুক্র-শনি ছুটির দিনগুলোতে মেলা জমে উঠবে।
নাজমুল হুদা/এনএইচআর/জেআইএম