বিদ্যুতের অপরিকল্পিত খুঁটি-তারে ঝুঁকিতে চাঁদপুর শহরবাসী

শরীফুল ইসলাম শরীফুল ইসলাম , চাঁদপুর প্রতিনিধি চাঁদপুর
প্রকাশিত: ১২:০৭ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০২৬

চাঁদপুর শহরের সড়কগুলোতে অপরিকল্পিতভাবে স্থাপিত শতাধিক বৈদ্যুতিক খুঁটি ও এলোমেলোভাবে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তার নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছে শহরবাসী। এসব খুঁটি ও তার মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কালীবাড়ি মোড়, হকার্স মার্কেট রোডসহ শহরের অলিগলিতে দেখা গেছে, একাধিক স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়েছে। কোথাও কোথাও খুঁটি মার্কেট ও ভবনের পাশে ঘেঁষে রয়েছে। যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় এসব ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

এছাড়া বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগের তার যত্রতত্র ঝুলে থাকতে দেখা গেছে। অনেক জায়গায় তারগুলো সড়কের ওপর নিচু হয়ে ঝুলছে, আবার কোথাও খুঁটি থেকে খুলে চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এতে করে ভারী যানবাহন চলাচলে যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনি পথচারীরাও আতঙ্কে থাকছেন।

চাঁদপুর কোর্টস্টেশন এলাকার ব্যবসায়ী জসিম মেহেতী জানান, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তারের এমন অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটি খুবই বিপজ্জনক। খুঁটিগুলো পুরোনো হওয়ায় এবং অনেক তারের কারণে হেলে পড়েছে। সড়কে চলাচলকারী পথচারীরা অনেক সময় নিচে পড়ে থাকা তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

বিদ্যুতের অপরিকল্পিত খুঁটি-তারে ঝুঁকিতে চাঁদপুর শহরবাসী

পথচারী সুজন বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অপরিকল্পিত বৈদ্যুতিক খুঁটি ও এলোমেলো তারের কারণে শুধু দুর্ঘটনার আশঙ্কাই বাড়ছে না, একইসঙ্গে চাঁদপুর শহরের সৌন্দর্যও মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমরা দ্রুত এসব ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি অপসারণ, সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে নতুন খুঁটি স্থাপন এবং ঝুলন্ত ও ছড়িয়ে থাকা তারগুলো গুছিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

চাঁদপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান ভূইয়া বলেন, এ প্রসঙ্গে এখন কোনো কথা বলতে পারবো না। আমি অফিসের কাজে এখন ব্যস্ত আছি, আপনি পরে অফিসে এসে কথা বলেন।

এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।