গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি: সাদিক কায়েম

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী
প্রকাশিত: ০৬:৩২ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি এবং ‘না’ মানে গোলামি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে গণভোটই সবচেয়ে কার্যকর ও গণতান্ত্রিক মাধ্যম।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুরের পাঁচমাথা মোড়ে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, সম্ভাবনার ও ইনসাফের নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে অবশ্যই হ্যাঁ ও দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে। তাহলেই আগামীর স্বপ্নময় বাংলাদেশে জনগণের সরকার গঠনের মাধ্যমে উন্নয়নের প্রকৃত ধারা প্রবাহিত হবে। কারণ স্বাধীনতার আজ ৫৫ বছর ধরে উত্তরবঙ্গবাসী অবহেলিত হয়েছে। অনেক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের হাতে ক্ষমতা না থাকায় পদে পদে বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে রংপুরসহ এই জনপদের মানুষদের।

তিনি বলেন, আমরা আর এই ধারা চলতে দিতে পারি না। এ কারণেই ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট তারুণ্য নির্ভর সৎ ও যোগ্য নেতাদের সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমরা তাদের ভোট দিয়ে দেশপ্রেমিক সরকার গঠনের জন্য সংসদে পাঠাবো।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, জাকসুর এজিএস ফেরদৌস আল হাসান, ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, রংপুর মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল হুদা, ছাত্রশিবির নীলফামারী শহর সভাপতি মাজেদুর রহমান, নীলফামারী-৪ আসনের ১১ দল সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীন এমপি প্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম, সৈয়দপুর শহর জামায়াতের আমির শরফুদ্দিন খাঁন, সেক্রেটারি মাওলানা ওয়াজেদ আলী।

আমিরুল হক/কেএইচকে/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।