লক্ষ্মীপুরে ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরি, ৩ দিনেও আটক নেই কেউ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৩:৫২ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তিনটি সিসি ক্যামেরার মধ্যে দুটি খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুরে ঘটে যাওয়া একের পর এক ঘটনা দেশব্যাপী সমালোচনা সৃষ্টি করছে। জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আগুন ও অবৈধ ভোটের সিল তৈরির পর এবার সামনে এসেছে ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরির ঘটনা।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ চুরি হওয়া সিসি ক্যামেরা উদ্ধার কিংবা কাউকে আটক করতে পারেনি।

এর আগে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ছিলাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেন।

লক্ষ্মীপুরে ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরি, ৩ দিনেও আটক নেই কেউ

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২২ জানুয়ারি দক্ষিণ ছিলাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তিনটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। ২৯ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় নির্ধারিত সময়ে স্কুল ছুটি দিয়ে শিক্ষকরা চলে যান। এরপর টানা তিনদিন স্কুল বন্ধ ছিল। সোমবার সকালে বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকরা দেখতে পান, নিচতলায় স্থাপিত তিনটি সিসি ক্যামেরার মধ্যে দুটি খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম বলেন, ‘চোর আটক বা সিসি ক্যামেরা উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে কোনো তথ্য পাইনি। ২৯ জানুয়ারি বিকেলে আমরা স্কুল ছুটি শেষে বাড়িতে চলে যাই। সরকারি ছুটি শেষে সোমবার সকালে এসে দেখি সিসি ক্যামেরা নেই।’

এ ঘটনায় জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মহসিন কবির মুরাদ বলেন, ‘নির্বাচন যেন সুষ্ঠু না হয়, সেজন্য গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই কাজ করা হয়েছে। এটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় ধরনের বাধা।’

লক্ষ্মীপুরে ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরি, ৩ দিনেও আটক নেই কেউ

জানতে চাইলে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব বলেন, ‘যাদের অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে তারাই ক্যামেরা চুরি করেছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সিসি ক্যামেরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরা লাগানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আটক নেই। আমরা স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নিচ্ছি।’

এ বিষয়ে জানতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

কাজল কায়েস/এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।