কুমিল্লায় নির্বাচনি সহিংসতায় ২২ বসতঘরে হামলার অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুমিল্লা
প্রকাশিত: ০৯:৩৫ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনি বিরোধের জেরে কুমিল্লা-২ আসনের হোমনার ডহরগোপ গ্রামে অন্তত ২২টি বসতঘরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। ওই গ্রামের ভোটকেন্দ্রের বাইরে মারধরের জেরে ফলাফল পরবর্তী বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ভাঙচুর ও লুটের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন ঘুরে ভাঙচুরের এ দৃশ্য দেখা যায়।

এদিকে এ গ্রামের বহু পুরুষ হুমকি ও মিথ্যা মামলার ভয়ে অন্যত্র চলে গেছে বলে বাড়িতে অবস্থানরত নারীরা জানিয়েছেন।

হামলার শিকার স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন খানের সমর্থক নছু মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে তাতুয়াকান্দির লোকজন জাল ভোট দিতে এলে কেন্দ্রের মূল সীমানায় তাদের সঙ্গে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। এতে তাদের তিনজনের ওপর হামলা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ডহরগোপ কেন্দ্রটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন খানের তালা মার্কা ২১ ভোটে জয়ী হন। কেন্দ্রে বিরোধের ঘটনায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ও আবুল খায়ের ডাক্তারেরসহ কয়েকটি বসতঘর হামলার শিকার হয়। এরপর বিএনপি প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়ার জয়ের খবর পেয়ে রাতে সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে পাল্টা হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ২২টি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়েছে।

এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন বলেন, ‘চারটি ইউনিয়নের দায়িত্বে ছিলাম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ কেন্দ্রের কাছাকাছি আসলে দুই পক্ষের লোকজন চলে যায়। এ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার পর বিভিন্ন বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুরের বিষয়ে তাকে ফোনে জানানো হয়েছে।’

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশিদ আলম চৌধুরী বলেন, ‘হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের বিষয়ে শুনেছি। কিন্তু কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। তবে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার প্রক্রিয়া চলছে।’

জাহিদ পাটোয়ারী/আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।